শিরোনাম
ঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

পিত্তথলিতে পাথর কেন হয়, লক্ষণ ও প্রতিরোধের উপায়

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ১১ আগস্ট ২০২৫, ১:৫৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

বর্তমানে কিডনি ও পিত্তথলিতে পাথর হওয়া আগের তুলনায় অনেক বেশি সাধারণ ঘটনা। বিশেষজ্ঞদের মতে, অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং পর্যাপ্ত জল না খাওয়ার অভ্যাসই এর প্রধান কারণ।

কিডনিতে পাথর হওয়ার কারণ:

কিডনি শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ, যা ছাঁকনির মতো কাজ করে এবং মূত্রের মাধ্যমে দূষিত পদার্থ বের করে দেয়। মূত্রে জমে থাকা অপ্রয়োজনীয় উপাদান ও খনিজ পদার্থ, যেমন ক্যালশিয়াম অক্সালেট, ক্যালশিয়াম ফসফেট ও ইউরিক অ্যাসিড ধীরে ধীরে জমে পাথর তৈরি করে।

পিত্তথলিতে পাথর হওয়ার কারণ:
পিত্তথলির পাথর সাধারণত কোলেস্টেরল ও বিলিরুবিন জমে তৈরি হয়। অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত খাবার নিয়মিত খেলে এই ঝুঁকি বেড়ে যায়।

লক্ষণ ও পুনরাবৃত্তি:

পাথর হলে তীব্র ব্যথা, বমি ও অস্বস্তি হতে পারে। কিডনিতে একবার পাথর হলে, জীবনধারা পরিবর্তন না করলে তা আবারও হতে পারে।

প্রতিরোধের উপায়:

পর্যাপ্ত পানি পান:

দিনে অন্তত ৩–৪ লিটার পানি পান করতে হবে, যাতে মূত্রের মাধ্যমে বর্জ্য পদার্থ সহজে বেরিয়ে যায়।
ওজন নিয়ন্ত্রণ: হঠাৎ ওজন বেড়ে যাওয়া বা দ্রুত কমে যাওয়া, উভয় ক্ষেত্রেই হরমোনের পরিবর্তন ঘটে, যা পিত্তথলিতে পাথরের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই নিয়মিত ব্যায়াম জরুরি।

খাবার বাদ না দেওয়া:

দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকা বা অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়ার অভ্যাস বদলাতে হবে। এতে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে পিত্তথলিতে পাথর জমতে পারে।

সঠিক খাদ্যাভ্যাস:

কিডনিতে পাথর হলে অক্সালেটযুক্ত খাবার যেমন পালং শাক, বাদাম পরিমিত পরিমাণে খেতে হবে।

খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত ফল, সবজি, বিশেষ করে লেবুজাতীয় ফল রাখা ভালো।

অতিরিক্ত লবণ, চিনি ও প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।

পিত্তথলির জন্য চর্বিহীন প্রোটিন, ফাইবার এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাটযুক্ত খাবার যেমন মাছ, মাংস, ডিম ও টাটকা শাকসবজি খেতে হবে।

সতর্কতা:

রিফাইনড কার্বোহাইড্রেট, অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত খাবার এবং প্রক্রিয়াজাত মাংস নিয়মিত খাওয়া এড়িয়ে চলাই উত্তম।

ভোরের আকাশ/তা.কা

প্রতিরোধের উপায়পিত্তথলিলক্ষণ

শেয়ার করুন: