শিরোনাম
সাংবাদিক গ্রেপ্তারে লাগবে আদালতের অনুমতি, সাইবার সুরক্ষা আইনে যুক্ত হচ্ছে বিধানসাভার-আশুলিয়ায় ২০০ পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণাসিটি গ্রুপকে নতুন ঋণ দিতে ব্যাংক-কোম্পানি আইনে ছাড়, মিলবে ১,৭০০ কোটি টাকার ঋণআঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতায় বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ : রিজভীপোশাকশিল্পে চলমান সহিংসতার নেপথ্যে রাজনৈতিক স্বার্থান্বেষী মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীএবার শীতে ৬ শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাসপাহাড়ে ‘বিচার’, জঙ্গলে পড়ে রইলো দুই জনের লাশ৪ ডিসেম্বর হচ্ছে না মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষাসাংবাদিক গ্রেপ্তারে লাগবে আদালতের অনুমতি, সাইবার সুরক্ষা আইনে যুক্ত হচ্ছে বিধানসাভার-আশুলিয়ায় ২০০ পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণাসিটি গ্রুপকে নতুন ঋণ দিতে ব্যাংক-কোম্পানি আইনে ছাড়, মিলবে ১,৭০০ কোটি টাকার ঋণআঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতায় বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ : রিজভীপোশাকশিল্পে চলমান সহিংসতার নেপথ্যে রাজনৈতিক স্বার্থান্বেষী মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীএবার শীতে ৬ শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাসপাহাড়ে ‘বিচার’, জঙ্গলে পড়ে রইলো দুই জনের লাশ৪ ডিসেম্বর হচ্ছে না মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা

লিভার সুস্থ রাখতে যে পাঁচটি খাবার খাওয়া জরুরি

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

বর্তমান সময়ে অনিয়মিত জীবনযাপন, অতিরিক্ত ওজন, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের কারণে বাড়ছে ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি। এ সমস্যায় লিভারের কোষে অতিরিক্ত চর্বি জমতে থাকে। প্রাথমিক পর্যায়ে অনেকের ক্ষেত্রে তেমন কোনো লক্ষণ দেখা যায় না। তবে সময়মতো সচেতন না হলে ফ্যাটি লিভার থেকে লিভারে প্রদাহ, ক্ষত তৈরি হওয়া এবং গুরুতর জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই সুস্থ থাকতে খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনা জরুরি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ফ্যাটি লিভার নিয়ন্ত্রণে সুষম খাবার, নিয়মিত শরীরচর্চা এবং স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ। খাদ্যতালিকায় কিছু পুষ্টিকর খাবার রাখলে লিভারের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা পাওয়া যায়। জেনে নেওয়া যাক এমন পাঁচটি খাবারের কথা।

১. সবুজ শাকসবজি

পালংশাক, ব্রকলি, বাঁধাকপি ও অন্যান্য সবুজ শাকসবজিতে রয়েছে প্রচুর আঁশ, ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এসব খাবার শরীরের সামগ্রিক বিপাকীয় স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করে। পাশাপাশি কম ক্যালরির হওয়ায় ওজন নিয়ন্ত্রণেও ভূমিকা রাখে। প্রতিদিনের খাবারে পর্যাপ্ত শাকসবজি রাখার অভ্যাস ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে।

২. সামুদ্রিক মাছ

স্যামন, সার্ডিন, ম্যাকারেলসহ বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। এটি শরীরের প্রদাহ কমাতে এবং রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে। ফ্যাটি লিভারের সমস্যায় খাদ্যতালিকায় পরিমিত পরিমাণে মাছ রাখা উপকারী। তবে মাছ ভাজা না খেয়ে সেদ্ধ, গ্রিল বা কম তেলে রান্না করে খাওয়াই ভালো।

৩. বাদাম

কাঠবাদাম, আখরোট ও অন্যান্য বাদামে রয়েছে স্বাস্থ্যকর চর্বি, আঁশ ও ভিটামিন ই। এসব পুষ্টি উপাদান হৃদ্‌যন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এবং বিপাকীয় ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। প্রতিদিন অল্প পরিমাণে লবণ ও চিনি ছাড়া বাদাম খাওয়া যেতে পারে। তবে বাদামে ক্যালরি বেশি থাকায় অতিরিক্ত খাওয়া উচিত নয়।

৪. সম্পূর্ণ শস্যজাতীয় খাবার

লাল চাল, ওটস, লাল আটার রুটি ও অন্যান্য সম্পূর্ণ শস্যজাতীয় খাবারে প্রচুর আঁশ থাকে। এগুলো দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখতে পারে। সাদা চাল, ময়দা ও অতিরিক্ত পরিশোধিত শর্করার পরিবর্তে সম্পূর্ণ শস্যজাতীয় খাবার বেছে নেওয়া ফ্যাটি লিভার নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে।

৫. কফি

পরিমিত পরিমাণে চিনি ছাড়া কফি পান করার সঙ্গে লিভারের কিছু রোগের ঝুঁকি কম থাকার সম্পর্ক বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে। বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদি লিভার ক্ষতির ঝুঁকি কমানোর ক্ষেত্রে কফির সম্ভাব্য উপকারিতা নিয়ে গবেষণা রয়েছে। তবে অতিরিক্ত চিনি, ক্রিম বা মিষ্টি সিরাপ মিশিয়ে কফি পান করলে উল্টো ক্যালরি বেড়ে যেতে পারে। তাই চিনি ছাড়া বা অল্প চিনি দিয়ে কফি পান করাই ভালো।

যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন

ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি কমাতে অতিরিক্ত চিনি, কোমল পানীয়, প্যাকেটজাত জুস, মিষ্টি, ভাজাপোড়া, ফাস্টফুড ও অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার সীমিত করা জরুরি। পাশাপাশি অ্যালকোহল এড়িয়ে চলা এবং নিয়মিত হাঁটা বা ব্যায়ামের অভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন।

শুধু খাবার পরিবর্তনই যথেষ্ট নয়

আরও পড়ুন

এবার শীতে ৬ শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাস

ফ্যাটি লিভার নিয়ন্ত্রণে শুধু নির্দিষ্ট পাঁচটি খাবার খেলেই সমস্যার সমাধান হবে না। স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি ওজন নিয়ন্ত্রণ, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম এবং ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরলের মতো সমস্যার নিয়ন্ত্রণও গুরুত্বপূর্ণ। যাঁদের ফ্যাটি লিভার শনাক্ত হয়েছে, তাঁদের চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরীক্ষা ও চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া উচিত।

মনে রাখতে হবে, ফ্যাটি লিভার প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে কোনো একটি খাবার জাদুকরী সমাধান নয়। বরং দীর্ঘমেয়াদে সুষম খাদ্যাভ্যাস ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনই লিভার সুস্থ রাখার সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

ভোরের আকাশ/জেআ

ফ্যাটি লিভার

শেয়ার করুন: