সিজারিয়ান কমাতে স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ
শিশুর সুস্থ বিকাশে স্বাভাবিক প্রসবে জোর দিচ্ছে সরকার

ছবি: সংগৃহীত
দেশে অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ানের প্রবণতা কমিয়ে স্বাভাবিক প্রসব বাড়াতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, স্বাভাবিক প্রসব নিশ্চিত করা গেলে নবজাতক জন্মের পরপরই মায়ের শালদুধ পাবে, যা শিশুর সুস্থ বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
সোমবার (১৩ জুলাই) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে ব্র্যাক ও লেগো ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘মানবিক সংকটাপন্ন পরিস্থিতিতে খেলাধুলা, শিক্ষা ও দক্ষতা টিকিয়ে রাখা (স্প্ল্যাশ)’ প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্য উপদেষ্টা বলেন, অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ানের কারণে অনেক নবজাতক জন্মের পরই মায়ের শালদুধ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অথচ শালদুধই শিশুর জন্য প্রকৃতির দেওয়া সর্বোত্তম পুষ্টি। তাই অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান নিরুৎসাহিত করে স্বাভাবিক প্রসবকে উৎসাহিত করতে হবে।
তিনি জানান, মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবা আরও শক্তিশালী করতে সরকার এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৮০ হাজার নারী থাকবেন। তাঁদের একটি বড় অংশ কেয়ারগিভার ও মিডওয়াইফ হিসেবে গর্ভবতী নারীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্বাস্থ্যসেবা ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করবেন।
তিনি আরও বলেন, উপজেলা পর্যায়ে স্তন ও জরায়ুমুখ ক্যানসারের স্ক্রিনিং সম্প্রসারণ, জেলা ও উপজেলা হাসপাতালে ডায়ালাইসিস সেবা বৃদ্ধি এবং পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম আরও জোরদারে সরকার কাজ করছে।
স্বাস্থ্য উপদেষ্টা বলেন, শিশু ও তরুণ প্রজন্মকে সুস্থ, সচেতন ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ।
ভোরের আকাশ/সু.পা



