টাইফয়েড টিকা কার্যক্রম জোরদারে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিশেষ নির্দেশনা

ছবি: সংগৃহীত
সারাদেশে আগামী ১ আগস্ট থেকে শুরু হচ্ছে টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি। এর পাশাপাশি নিয়মিত অন্যান্য টিকাদান কার্যক্রমও চলমান থাকবে। তবে ২০২৫ সালে দুই বছরের কম বয়সী যেসব শিশু টাইফয়েড টিকা পেয়েছে, তাদের নতুন করে এই টিকা নিতে হবে না। রোববার (১৯ জুলাই) সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) বাংলাদেশ তাদের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছে।
ইপিআই জানায়, ২০২৫ সালে অনুষ্ঠিত টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইনে রুটিন ইপিআইয়ের আওতাভুক্ত (দুই বছরের কম বয়সী) যেসব শিশু এক ডোজ টাইফয়েড টিকা নিয়েছে, তাদের রুটিন টাইফয়েড টিকা কার্যক্রমে পুনরায় টিকা নেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে অন্যান্য নিয়মিত টিকা নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চলবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, ১ আগস্ট থেকে শুরু হতে যাওয়া টাইফয়েড টিকাদান কার্যক্রমকে তৃণমূল পর্যায়ে সফল ও কার্যকর করতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কর্মসূচির বাস্তবায়নে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, ইমাম, ধর্মীয় নেতা এবং কমিউনিটি নেতাদের সম্পৃক্ত করে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
শিশুদের টাইফয়েড জ্বর থেকে দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বাড়ি বাড়ি যোগাযোগ, মাইকিং, উঠান বৈঠক এবং আন্তঃব্যক্তিক আলোচনার মাধ্যমে অভিভাবকদের সচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এই টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নের নির্দেশনা দিয়েছে।
ভোরের আকাশ/সু.পা



