শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধিতে আসছে নতুন কাঠামো

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ১৫ জুলাই ২০২৬, ১:১৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

নবম পে স্কেলে সরকারি চাকরিজীবীদের বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, সব গ্রেডে একই হারে ইনক্রিমেন্ট দেওয়ার বর্তমান পদ্ধতি বাতিল করে চারটি ক্যাটাগরিতে ইনক্রিমেন্ট নির্ধারণ করা হচ্ছে। এতে উচ্চ গ্রেডের তুলনায় নিম্ন ও মধ্যম পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তুলনামূলক বেশি সুবিধা পাবেন।

নবম পে স্কেলের খসড়া অনুযায়ী, ষষ্ঠ থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট হবে মূল বেতনের ৫ শতাংশ। পঞ্চম গ্রেডে ইনক্রিমেন্ট নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ শতাংশ। তৃতীয় ও চতুর্থ গ্রেডে ইনক্রিমেন্ট হবে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ এবং দ্বিতীয় গ্রেডে হবে ২ দশমিক ৭৫ শতাংশ। প্রথম গ্রেডের ইনক্রিমেন্ট পৃথকভাবে নির্ধারণের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

বর্তমানে সব গ্রেডের সরকারি চাকরিজীবীরা গড়ে ৫ শতাংশ হারে বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট পান। নতুন প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে এই অভিন্ন ব্যবস্থা পরিবর্তন হবে।

এদিকে জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী চিকিৎসা ভাতা সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে ৩ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি সন্তানদের জন্য মাসিক শিক্ষা ভাতা ১ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে, যদিও কমিশনের প্রস্তাব ছিল ২ হাজার টাকা।

বহুল আলোচিত নবম পে স্কেলের সুপারিশ চূড়ান্ত করতে আজ পুনর্গঠিত সচিব কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে প্রস্তাবিত সুপারিশমালার চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, প্রথম থেকে ১০ম গ্রেডের কর্মকর্তাদের মূল বেতন ১০০ শতাংশ এবং ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন সর্বোচ্চ ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে। বৈঠকে সিদ্ধান্ত না হলে পরবর্তী সভায় চূড়ান্ত করে তা মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে।

আরও পড়ুন

রাজধানীর নীলক্ষেতে বিজিবি, সায়েন্সল্যাবে পুলিশ মোতায়েন

অর্থ বিভাগ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরেই নতুন পে স্কেলের মূল বেতনের পুরো অংশ সরকারি কোষাগার থেকে পরিশোধের পরিকল্পনা রয়েছে। অন্যদিকে বিভিন্ন ভাতা আগামী অর্থবছরে দুই ধাপে পরিশোধ করা হতে পারে।

নতুন পে স্কেল কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বর্তমানে চালু থাকা ২ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকার অন্তর্বর্তীকালীন বিশেষ ভাতা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। কারণ নতুন বেতন কাঠামোয় মূল বেতন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় ওই বিশেষ ভাতার প্রয়োজনীয়তা থাকবে না।

ভোরের আকাশ/জেআ

বাংলাদেশ সরকারসরকারি চাকরিসরকারি চাকরিজীবী

শেয়ার করুন: