শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ইসরায়েলি হামলায় আরও ৪ ফিলিস্তিনি নিহত, ধ্বংসস্তূপ থেকে ৫৮২ লাশ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৫ নভেম্বর ২০২৫, ৯:৪৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
সংগৃহীত ছবি
সংগৃহীত ছবি

যুদ্ধবিরতির মধ্যেও ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের হামলা থামছে না। দখলদার দেশটির হামলায় শিশুসহ আরও চার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে দক্ষিণের বানি সুহেইলায় ড্রোন হামলায় একজন এবং উত্তর গাজা সিটিতে অবিস্ফোরিত বোমা ফেটে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে আরও কয়েকজন শিশু। নিহত অন্য দুজনের ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। এছাড়া যুদ্ধবিরতি শুরুর পর ধ্বংসস্তূপ থেকে মোট ৫৮২টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, দিনভর উত্তর ও দক্ষিণ গাজায় ইসরায়েলি সেনারা কামান, বিমান ও হেলিকপ্টার হামলা চালিয়েছে। বেইত লাহিয়ায় হলুদ রেখার বাইরের অংশেও গোলাবর্ষণ করেছে দখলদার দেশটি। দক্ষিণে রাফাহর উত্তর–পূর্ব ও খান ইউনুসের উপকণ্ঠে ট্যাংক ও হেলিকপ্টার হামলা হয়েছে।

গাজার পূর্বাঞ্চলে হলুদ রেখার বাইরে হামলা আরও তীব্র হয়েছে। এসব হামলায় পাড়া-মহল্লা পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। ফলে পরিবারগুলোর ফেরাও কঠিন হয়ে পড়ছে।

মধ্য গাজার মাগাজি শরণার্থী শিবিরে আগের একটি হামলার ধ্বংসস্তূপ থেকে একই পরিবারের আটজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে সিভিল ডিফেন্স। গাজা সরকারের মিডিয়া অফিস জানায়, যুদ্ধবিরতি শুরুর পর থেকে বিভিন্ন স্থান থেকে এখন পর্যন্ত ৫৮২ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো সাড়ে ৯ হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ।

মধ্য গাজার নুসাইরাত শিবিরে একজন ইসরায়েলি বন্দির মরদেহ উদ্ধারের দাবি করেছে ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদ। চুক্তি অনুযায়ী মরদেহ শনাক্ত হলে আরও দুজনের মরদেহ উদ্ধারের বাধ্যবাধকতা থাকবে। এর বিনিময়ে ইসরায়েলকে ১৫ জন ফিলিস্তিনির মরদেহ ফিরিয়ে দিতে হবে।

হামাস জানিয়েছে, ব্যাপক ধ্বংসের কারণে অনেক বন্দির মরদেহ উদ্ধার কঠিন হয়ে পড়েছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত জিএইচএফ, যা জাতিসংঘের বাইরে সমান্তরাল ত্রাণব্যবস্থা চালাত, কার্যক্রম সমাপ্তির ঘোষণা দিয়েছে। জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞরা জানান, গত মে মাস থেকে জিএইচএফ–এর বিতরণকেন্দ্রের আশপাশে অন্তত ৮৫৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। ত্রাণ নিতে আসা মানুষের ওপর ইসরায়েলি বাহিনী ও বিদেশি ঠিকাদারদের গুলি চালানোর অভিযোগ রয়েছে। এই ব্যবস্থাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে সমালোচনার মুখে পড়ে সংস্থাটি।

অস্ত্রবিরতির মধ্যেই দখলকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি সেনাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সোমবার ভোরে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ১৬ ফিলিস্তিনিকে আটক করা হয়েছে। তুলকারেম, বেথলেহেম, রামাল্লাহ, জেনিন ও তুবাসে অভিযান চালানো হয়। রবিবার রাতে রামাল্লাহর দেইর জরিরে ইসরায়েলি সেনাদের গুলিতে ২০ বছর বয়সী আইনশাস্ত্রের ছাত্র বারাআ খাইরি আলি মালি নিহত হন।

স্থানীয়দের ভাষ্য, বসতি স্থাপনকারীদের ওপর হামলার অভিযোগে ইসরায়েলি সেনারা ঘটনাস্থলে এসে গুলি চালায়। এ ছাড়া কফর কাদ্দুমে দুই নারীকে আহত করেছে সেনারা এবং দুই ভাইকে আটক করা হয়েছে।

আতারা-বিরজেইত এলাকায় ইসরায়েলের বসতি স্থাপনকারীরা ফিলিস্তিনি জমিতে আগুন দিয়েছে। এতে বহু জমি ও জলপাইগাছ পুড়ে গেছে।

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বাহিনী ও বসতি স্থাপনকারীদের হাতে ১ হাজার ৮১ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে ২২৩ শিশু। আহত হয়েছেন ১০ হাজারের বেশি মানুষ; আটক করা হয়েছে ২০ হাজারের বেশি।

লেবাননেও উত্তেজনা বাড়ছে

রবিবার ইসরায়েলি হামলায় নিহত হিজবুল্লাহর জ্যেষ্ঠ কমান্ডার হাইথাম আলী তাবাতাবাইয়ের জানাজা সোমবার বৈরুতের দক্ষিণে অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনটির নেতা মাহমুদ ক্বোমতি ঘটনাটিকে অস্ত্রবিরতির আরেকটি লঙ্ঘন বলে মন্তব্য করেন। বিশ্লেষকদের মতে, পাল্টা হামলা দিলে বড় ধরনের ইসরায়েলি আক্রমণের ঝুঁকি রয়েছে, আর না দিলে হিজবুল্লাহর প্রতিরোধক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

ভোরের আকাশ/তা.কা
 

ফিলিস্তিনিইসরায়েলউদ্ধারহামলানিহত

শেয়ার করুন: