শিরোনাম
জামিনে বাড়ি ফেরার পথে ফের গ্রেপ্তার সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মামাতো ভাইফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভ, গ্রেপ্তার ৪৪৮ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৪৪টানা তৃতীয় দফায় স্বর্ণের দাম বাড়ল ১২০৭২ টাকা৫৪৮ জনের মৃত্যুদণ্ড মওকুফ করলেন ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নরবিনামূল্যে মালয়েশিয়ায় কাজের সুযোগ পাচ্ছেন ১১২ জন, আজ থেকে আবেদন শুরুরাশিয়ার কাছ থেকে ৯০ ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার পাচ্ছে ইরান৪৪০ হুথি যোদ্ধাকে ‘নিষ্ক্রিয়’ করার দাবি ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনীরজামিনে বাড়ি ফেরার পথে ফের গ্রেপ্তার সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মামাতো ভাইফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভ, গ্রেপ্তার ৪৪৮ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৪৪টানা তৃতীয় দফায় স্বর্ণের দাম বাড়ল ১২০৭২ টাকা৫৪৮ জনের মৃত্যুদণ্ড মওকুফ করলেন ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নরবিনামূল্যে মালয়েশিয়ায় কাজের সুযোগ পাচ্ছেন ১১২ জন, আজ থেকে আবেদন শুরুরাশিয়ার কাছ থেকে ৯০ ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার পাচ্ছে ইরান৪৪০ হুথি যোদ্ধাকে ‘নিষ্ক্রিয়’ করার দাবি ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনীর

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনে বিভক্তি, নেতানিয়াহুর কঠোর সমালোচনা ভ্যান্সের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৬ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪০ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনে বিভক্তি, নেতানিয়াহুর কঠোর সমালোচনা ভ্যান্সের
ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনে বিভক্তি, নেতানিয়াহুর কঠোর সমালোচনা ভ্যান্সের

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্য নীতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনে তীব্র অভ্যন্তরীণ বিভক্তি দেখা দিয়েছে। মার্কিন গণমাধ্যম অ্যাক্সিওস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ব্যক্তিগতভাবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কঠোর সমালোচনা করে বলেছেন যে, ইরান ইস্যুতে নেতানিয়াহু সবকিছুতেই ভুল ছিলেন।

গত মঙ্গলবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের পর এই বিভক্তি আরও স্পষ্ট হয়েছে। এখন ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালানো, কূটনৈতিক সমঝোতা কিংবা অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞা অব্যাহত রাখা—কোন পথে এগোবেন ট্রাম্প, তা নিয়ে প্রশাসনের ভেতরে বাড়ছে মতভেদ।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে বার্তাসংস্থা আনাদোলুর এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। এতে বলা হয়েছে, ইরান যুদ্ধ নিয়ে কয়েক মাস ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের মধ্যে মতবিরোধ চলছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ব্যক্তিগত আলোচনায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সমালোচনাও করেছেন। একই সঙ্গে এই যুদ্ধের কারণে রিপাবলিকান পার্টি কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারাতে পারে বলেও সতর্ক করেছিলেন তিনি।

বিষয়টি সম্পর্কে অবগত বেশ কয়েকটি সূত্রের বরাতে বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানায়, ইরান নিয়ে নেতানিয়াহু ‘সবকিছুতেই ভুল’ করছেন বলে ব্যক্তিগত আলোচনায় অভিযোগ করেছেন ভ্যান্স। একই সঙ্গে তিনি বারবার ট্রাম্পকে যুদ্ধের অবসানে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভাইস প্রেসিডেন্ট আগেই সতর্ক করে বলেছিলেন, ইরানের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধ মার্কিন ভোটারদের মধ্যে ব্যাপকভাবে অজনপ্রিয়। এর ফলে মঙ্গলবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানরা পরাজয়ের মুখে পড়তে পারেন।

আলাদাভাবে প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালও জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়া হবে কি না, তা নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের ভেতরে উত্তেজনা বেড়েছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ অভিযান অব্যাহত রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। অন্যদিকে ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং প্রশাসনের আরও কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পক্ষে মত দিয়েছেন।

গত মঙ্গলবারের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসের দুই কক্ষেরই নিয়ন্ত্রণ পাওয়ার পর মতবিরোধ আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এ সময় রিপাবলিকানদের পরাজয়ের জন্য প্রকাশ্যেই ইরান যুদ্ধকে দায়ী করেন ভ্যান্স।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধের রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে আলোচনা করতে গত সেপ্টেম্বরে হোয়াইট হাউসের সিচুয়েশন রুমে বৈঠক করেন ট্রাম্প প্রশাসনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা।

ভ্যান্স, রুবিওসহ অন্য কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ওই বৈঠকে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয় যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলা অব্যাহত থাকার বিষয়টি প্রকাশ্যে স্বীকার করলে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনী লড়াইয়ে রিপাবলিকান প্রার্থীদের ক্ষতি হতে পারে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরে কর্মকর্তারা আলোচনার বিষয়গুলো ট্রাম্পকে জানান। সামরিক অভিযানগুলোর কথা প্রকাশ্যে জানালে নির্বাচনে দলের জয়ের সম্ভাবনা যে বাড়বে না—এ বিষয়ে প্রেসিডেন্ট নিজেও একমত হন।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, পরে মার্কিন বাহিনী ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণব্যবস্থা ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম লক্ষ্য করে সীমিত পরিসরে প্রতিরক্ষামূলক হামলা চালায়। তবে এসব অভিযান নিয়ে প্রকাশ্যে বিশেষভাবে প্রচার করা হয়নি।

প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়, হোয়াইট হাউসের কয়েকজন উপদেষ্টা ট্রাম্পকে এই ধারণা দেয়ার জন্য হেগসেথকে দায়ী করেছেন যে, যুদ্ধটি তুলনামূলকভাবে স্বল্পস্থায়ী সামরিক অভিযান হবে।

এদিকে প্রশাসনের ভেতরে সমালোচনা থাকলেও প্রকাশ্যে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পক্ষেই অবস্থান নিয়েছেন ট্রাম্প। তাকে পদ থেকে সরানোর কোনো পরিকল্পনা নেই বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন রিপাবলিকান এই প্রেসিডেন্ট।

অন্যদিকে অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে নতুন করে সামরিক হামলা চালাতে ট্রাম্পকে আহ্বান জানিয়েছিলেন নেতানিয়াহু। তবে এর রাজনৈতিক পরিণতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সতর্কবার্তা ছিল।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প নতুন করে হামলার বিষয়টি বিবেচনা করেছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত নির্বাচনের আগে হামলা না চালিয়ে অপেক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

অ্যাক্সিওস আরও জানায়, তেহরানের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছানোর বিষয়ে ট্রাম্পের আশপাশের অধিকাংশ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাই ভ্যান্সের অবস্থানকে সমর্থন করেন। তবে প্রেসিডেন্টের ঝোঁক ছিল নতুন করে সামরিক পদক্ষেপ নেয়ার দিকে।

প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়, প্রশাসনের জ্যেষ্ঠ সদস্যরা চুপ থাকার বা কোনো কথা বলা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিলেও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক নির্বাচনে নেতানিয়াহুকে সমর্থন দিয়েছিলেন ট্রাম্প।

এদিকে ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযান আবারও শুরু হতে পারে—এমন সম্ভাবনা সামনে রেখে প্রস্তুতি অব্যাহত রেখেছে পেন্টাগন। এর অংশ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে আরও সামরিক সরঞ্জাম ও বাহিনী পাঠানো হচ্ছে।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, আরও একটি বিমানবাহী রণতরির আক্রমণকারী দল এবং মেরিন বাহিনীর একটি অভিযাত্রী ইউনিট ওই অঞ্চলের দিকে এগোচ্ছে। তারা সেখানে পৌঁছালে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে আরও কয়েক হাজার অতিরিক্ত সেনা যুক্ত হয়ে যাবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচনের ফল স্পষ্ট হয়ে যাওয়ার পর বুধবার ট্রাম্প প্রশাসনের ভেতরের মতবিরোধ প্রকাশ্যে আসে। এদিন রিপাবলিকানদের নির্বাচনী পরাজয়ের সঙ্গে সরাসরি ইরান নীতিকে যুক্ত করেন ভ্যান্স। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লেখেন, ‘আমরা যে কারণে হেরেছি, তা হলো যুদ্ধ।’

ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভ্যান্স বলেছেন, ২০২৪ সালে ট্রাম্পকে সমর্থন করা রিপাবলিকান ভোটাররা যুদ্ধ, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং প্রশাসনের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে অসন্তুষ্টির কারণে দলটির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন।

দলটির প্রতি হতাশ ভোটারদের চারটি উদ্বেগের কথাও তুলে ধরেন ভ্যান্স। সেগুলো হলো—ইরান যুদ্ধের অবসান, মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় মোকাবিলা, প্রশাসনের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ অগ্রাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং ইসরায়েলের সঙ্গে ওয়াশিংটনের সম্পর্কের পরিবর্তন।

ভ্যান্স লেখেন, ‘আমাদের ভোটাররা ভোট দিতে এসেছিলেন’। তবে তার যুক্তি, তাদের অনেকেই শেষ পর্যন্ত ডেমোক্র্যাট প্রার্থীদের ভোট দিয়েছেন।

ওয়াশিংটন পোস্ট অবশ্য ভ্যান্সের বক্তব্যকে নির্বাচনের বিষয়ে ট্রাম্পের প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া থেকে বড় ধরনের সরে আসা হিসেবে বর্ণনা করেছে। নির্বাচনের পর প্রথম দিকে প্রেসিডেন্ট ও তার উপদেষ্টারা পরাজয়ের দায় রিপাবলিকান প্রার্থীদের ওপর চাপানোর চেষ্টা করেছিলেন। পরে ট্রাম্পও স্বীকার করেন, নির্বাচনে দলের পরাজয়ের পেছনে (ইরান) যুদ্ধের ভূমিকা ছিল। বিশেষ করে, এর কারণে পেট্রোলের দাম বেড়ে যাওয়াকে তিনি দায়ী করেন।

বুধবার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ভ্যান্সের মূল্যায়ন সম্পর্কে ট্রাম্প বলেন, ‘আমার মনে হয়, কথাটি অনেকাংশেই সত্য। কারণ, এর ফলে স্বল্পমেয়াদে পেট্রোলের দাম কিছুটা বেড়েছিল।’

তবে সামরিক অভিযান শুরুর সিদ্ধান্তের পক্ষে সাফাই দেন ট্রাম্প। তার যুক্তি, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা অত্যন্ত জরুরি। ট্রাম্প আরও বলেন, এই সংঘাত নিয়ে ভ্যান্সের অবস্থান সম্পর্কে তিনি জানেন এবং ভাইস প্রেসিডেন্টের বক্তব্যকে ইতিবাচকভাবেই দেখেছেন।

এদিকে নির্বাচনে পরাজয়ের পর সংঘাত নিয়ে কী করা হবে, তা নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের ভেতরে আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে।

অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্পের সামনে প্রধানত তিনটি পথ খোলা রয়েছে। প্রথমত, ইরানে বড় ধরনের সামরিক হামলা আবার শুরু করা। দ্বিতীয়ত, তেহরানের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছানো। তৃতীয়ত, ইরানের কাছ থেকে আরও ছাড় আদায়ের চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি নৌ অবরোধ ও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখা।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়া ঠেকাতে এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের সরাসরি আলোচনার পথ তৈরি করতে একটি খসড়া চুক্তি নিয়ে কাজ করছেন কাতারের মধ্যস্থতাকারীরা।

একই সময়ে সিআইএ পরিচালক জন র‍্যাটক্লিফ, অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এবং প্রশাসনের অন্য উপদেষ্টারা মনে করছেন, বিদ্যমান অবরোধ ও অর্থনৈতিক চাপকে ফল দেয়ার জন্য আরও সময় দেয়া উচিত।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রশাসনের অন্য কর্মকর্তারা নতুন করে সামরিক হামলা চালানোর পর আলোচনায় বসার পক্ষে মত দিয়েছেন। আবার কেউ কেউ ট্রাম্পকে অভিযান গুটিয়ে নেয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন।

ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, ভ্যান্সের প্রকাশ্য সমালোচনা ভাইস প্রেসিডেন্টের সামনে থাকা রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জগুলোও তুলে ধরেছে। কারণ ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকানদের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তাকে জোরালোভাবে বিবেচনা করা হয়।

মূলত প্রশাসনের এই বিভক্তির ফলে ট্রাম্পকে এখন সামরিক, কূটনৈতিক ও অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক—তিন ধরনের চাপ সামলাতে হচ্ছে। এদিকে জানুয়ারিতে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিতে প্রস্তুতি নিচ্ছে ডেমোক্র্যাটরা।

ভোরের আকাশ/আ.র

শেয়ার করুন: