শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ইন্দোনেশিয়ায় অবৈধ স্বর্ণখনিতে ধস, নিহত ৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৫ মে ২০২৬, ৫:২০ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- সংগৃহীত
ছবি- সংগৃহীত

ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপে একটি অবৈধ স্বর্ণখনিতে ভূমিধসের ঘটনায় অন্তত ৯ জন খনি শ্রমিক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৫ মে) দেশটির স্থানীয় পুলিশ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

জানা গেছে, পশ্চিম সুমাত্রার সিজুঞ্জুং জেলায় অবস্থিত খনিটির পাশে থাকা একটি পাহাড় বৃহস্পতিবার ধসে পড়ে। সে সময় শ্রমিকরা পাহাড়ের প্রায় তিন মিটার নিচে কাজ করছিলেন। আকস্মিক এ ধসে তারা মাটিচাপা পড়েন।

পশ্চিম সুমাত্রা পুলিশের মুখপাত্র সুস্মেলাবতি রোসা জানান, ঘটনাস্থলটি একটি অবৈধ স্বর্ণখনি। পাহাড় ধসের সময় সেখানে কর্মরত নয়জন শ্রমিক নিহত হন। তবে তিনজন শ্রমিক জীবিত বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন।

দুর্ঘটনার পর পুলিশ ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীরা ভারী যন্ত্রপাতি নিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। পরে নিখোঁজ সবাইকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। বর্তমানে খনিটি বন্ধ ঘোষণা করে পুলিশি নিরাপত্তার আওতায় রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার তদন্তও শুরু করেছে প্রশাসন।

খনিজ সম্পদসমৃদ্ধ ইন্দোনেশিয়ায় অনুমোদনহীন খনিতে কাজ করা একটি সাধারণ ঘটনা। বিশেষ করে পরিত্যক্ত খনিগুলোতে স্থানীয়রা নিরাপত্তা সরঞ্জাম ছাড়াই সোনার আকরিক সংগ্রহে ঝুঁকিপূর্ণভাবে কাজ করেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্ষাকালে অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে পাহাড় ধসের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় দেশটিতে প্রায়ই এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে।

এর আগে ২০২৪ সালে সুলাওয়েসি দ্বীপে এবং গত বছর পশ্চিম জাভার একটি চুনাপাথরের খনিতেও একই ধরনের দুর্ঘটনায় বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটে।

আরও পড়ুন

যুক্তরাষ্ট্রকে ফের ঘাঁটি দিলে বাহরাইনের পরিণতি হবে ভয়াবহ : মোত্তাকি

এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে স্থানীয় পরিবেশবাদী সংগঠন ‘ওয়ালহি’। সংগঠনটির তথ্যমতে, ২০১২ সাল থেকে শুধু পশ্চিম সুমাত্রাতেই অবৈধ খনিতে দুর্ঘটনায় অন্তত ৪৮ জন নিহত হয়েছেন।

এক বিবৃতিতে ওয়ালহি বলেছে, সিজুঞ্জুংয়ের এই দুর্ঘটনা আবারও প্রমাণ করেছে যে পরিবেশবিধ্বংসী ও ঝুঁকিপূর্ণ অবৈধ খনন কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে রাষ্ট্র কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে।

ভোরের আকাশ/এনএস

ইন্দোনেশিয়ানিহতস্বর্ণখনি

শেয়ার করুন: