শিরোনাম
রোহিঙ্গা সংকট কেবল মানবিক সমস্যা নয়, এটি গভীর রাজনৈতিক ইস্যু: শামা ওবায়েদটিএসসি এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণে আটক ৩ জনের পরিচয় মিললরাজনৈতিক সমর্থন ব্যালটে, অফিসে নয়: কর্মকর্তাদের প্রধানমন্ত্রীমালিবাগ সিআইডি অফিসের পার্কিংয়ে ককটেল বিস্ফোরণবন্দরে পড়ে থাকা সাড়ে ৬ হাজার কনটেইনার ধ্বংসের উদ্যোগরাজধানীতে এবার স্কুল বাসে আগুনশেখ হাসিনার প্রতিটি হত্যার বিচার হবে: রিজভীপররাষ্ট্র সচিব হলেন সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরীরোহিঙ্গা সংকট কেবল মানবিক সমস্যা নয়, এটি গভীর রাজনৈতিক ইস্যু: শামা ওবায়েদটিএসসি এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণে আটক ৩ জনের পরিচয় মিললরাজনৈতিক সমর্থন ব্যালটে, অফিসে নয়: কর্মকর্তাদের প্রধানমন্ত্রীমালিবাগ সিআইডি অফিসের পার্কিংয়ে ককটেল বিস্ফোরণবন্দরে পড়ে থাকা সাড়ে ৬ হাজার কনটেইনার ধ্বংসের উদ্যোগরাজধানীতে এবার স্কুল বাসে আগুনশেখ হাসিনার প্রতিটি হত্যার বিচার হবে: রিজভীপররাষ্ট্র সচিব হলেন সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী

সাক্ষাৎকারে জেডি ভ্যান্স

ইসরাইলকে অন্ধ সমর্থনেই রিপাবলিকানদের ভরাডুবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৯ নভেম্বর ২০২৬, ৪:৩০ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

গত ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির নজিরবিহীন পরাজয়ের পর দলটির অন্যতম স্তম্ভ হিসেবে পরিচিত মার্কিন-ইসরাইল সম্পর্কের ভিত্তি নিয়ে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্য বিতর্ক শুরু হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার প্রশাসনের প্রতি ভোটারদের এই প্রত্যাখ্যানের পর, ইসরাইলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের এতদিনকার শর্তহীন সমর্থন অব্যাহত রাখা উচিত কি-না, তা নিয়ে দলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেই এখন বড় প্রশ্ন উঠে গেছে।

পরাজয়ের কারণ বিশ্লেষণে সবচেয়ে বড় চমক এনেছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। এক খোলামেলা সাক্ষাৎকারে তিনি স্বীকার করেছেন, ইসরাইলের প্রতি মার্কিন নীতির ওপর ভোটারদের চরম অসন্তোষই রিপাবলিকানদের পরাজয়ের অন্যতম মূল কারণ। ট্রাম্পের সমর্থকদের ডেমোক্র্যাটদের দিকে ঠেলে দেওয়ার পেছনে তিনি চারটি প্রধান কারণ চিহ্নিত করেন- ইরান যুদ্ধ, জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতি, ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির ব্যত্যয় এবং ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক পরিবর্তনের দাবি।

২০২৮ সালের সম্ভাব্য প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী এবং প্রশাসনের দুই নম্বর ব্যক্তির মুখ থেকে এমন স্বীকারোক্তি প্রমাণ করে যে, ইসরাইলের প্রতি অন্ধ সমর্থন এখন দলীয় কোন্দল ও ভোটের রাজনীতিতে এক বড় ধরনের দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আরও পড়ুন

বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবায় গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতাল

দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন রিপাবলিকান পার্টির বড় শক্তি ছিল রক্ষণশীল খ্রিস্টান ও শক্তিশালী ইসরাইলপন্থী লবিং গ্রুপগুলো। তবে মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ, বিশেষ করে গাজার যুদ্ধ ও ইরানে সামরিক সংঘাত আমেরিকান করদাতাদের অর্থ ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার হিসাব বদলে দিয়েছে। ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ ভাবধারায় বিশ্বাসী দলের তরুণ প্রজন্ম এখন প্রশ্ন তুলছে- নিজেদের দেশের অর্থনৈতিক সংকট ও মূল্যস্ফীতি উপেক্ষা করে কেন ইসরাইলের যুদ্ধ ও নীতির পেছনে ওয়াশিংটনের কোটি কোটি ডলার ও সামরিক শক্তি অপচয় করা হবে।

কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটরা পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ায় ইসরাইলকে সামরিক সহায়তা ও কূটনৈতিক সুরক্ষা দেওয়ার বিষয়টি আগামী দিনে আরও কঠোর নজরদারির মুখে পড়তে যাচ্ছে। যদিও লবিং নেটওয়ার্ক ও সামরিক চুক্তির কারণে হুট করেই বহু বছরের এই কৌশলগত মিত্রতা ছিন্ন করা সম্ভব নয়, তবে মধ্যবর্তী নির্বাচনের এই ফল একটি বিষয় স্পষ্ট করে দিয়েছে ইসরাইল ইস্যুতে এতদিনের ধরাছোঁয়ার বাইরের রাজনৈতিক সুরক্ষাবলয় এবার ভাঙতে শুরু করেছে। সূত্র: আল-জাজিরা

ভোরের আকাশ/এম 

শেয়ার করুন: