শিরোনাম
রোহিঙ্গা সংকট কেবল মানবিক সমস্যা নয়, এটি গভীর রাজনৈতিক ইস্যু: শামা ওবায়েদটিএসসি এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণে আটক ৩ জনের পরিচয় মিললরাজনৈতিক সমর্থন ব্যালটে, অফিসে নয়: কর্মকর্তাদের প্রধানমন্ত্রীমালিবাগ সিআইডি অফিসের পার্কিংয়ে ককটেল বিস্ফোরণবন্দরে পড়ে থাকা সাড়ে ৬ হাজার কনটেইনার ধ্বংসের উদ্যোগরাজধানীতে এবার স্কুল বাসে আগুনশেখ হাসিনার প্রতিটি হত্যার বিচার হবে: রিজভীপররাষ্ট্র সচিব হলেন সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরীরোহিঙ্গা সংকট কেবল মানবিক সমস্যা নয়, এটি গভীর রাজনৈতিক ইস্যু: শামা ওবায়েদটিএসসি এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণে আটক ৩ জনের পরিচয় মিললরাজনৈতিক সমর্থন ব্যালটে, অফিসে নয়: কর্মকর্তাদের প্রধানমন্ত্রীমালিবাগ সিআইডি অফিসের পার্কিংয়ে ককটেল বিস্ফোরণবন্দরে পড়ে থাকা সাড়ে ৬ হাজার কনটেইনার ধ্বংসের উদ্যোগরাজধানীতে এবার স্কুল বাসে আগুনশেখ হাসিনার প্রতিটি হত্যার বিচার হবে: রিজভীপররাষ্ট্র সচিব হলেন সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী

বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবায় গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতাল

বিশেষ প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৮ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৩২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

রাজধানীর মহাখালী জাতীয় বক্ষব্যাধি হাসপাতালের পাশে দুই একর জায়গায় ২৫০ শয্যার ১০ তলা জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের প্রকল্পের পথচলা শুরু হয় ২০১৮ সালের ৩১ অক্টোবর। প্রকল্প ব্যয়ের মধ্যে ভারী মেডিকেল যন্ত্রপাতি ক্রয়খাতে বরাদ্দ ছিল ৮০ কোটি টাকা। হাসপাতালের কার্যক্রম চালু হওয়ার পর থেকেই ১০ টাকার টিকিট কেটে দিনে ৫৫০ থেকে ৬০০ রোগী সেবা গ্রহণ করেন। এর বাইরে বিদেশে চিকিৎসা নিয়েছেন এমন রোগীরাও এই হাসপাতালে নিয়মিত ফলোআপ করান। ইউরোপের যে কোনো দেশ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সিঙ্গাপুরের সমমানের চিকিৎসাসেবা মিলছে জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে। চিকিৎসকদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও মেধা বাংলাদেশের পরিচিতি বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবায় যুক্ত করেছে।

মানিকগঞ্জের শিবালয় এলাকার মো. কবির মিয়া পেটের পীড়ায় আক্রান্ত হওয়ার পর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে চিকিৎসা নেন। কিন্তু কোনো কাজ না হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। এরপর চিকিৎসকদের পরামর্শে কবির মিয়াকে রাজধানীর মহাখালীতে গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। রোগ শনাক্তে চিকিৎসক তাকে এন্ডোস্কপি, আল্ট্রাসনোগ্রামসহ কয়েকটি পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরামর্শ দেন। স্বল্পমূল্যে হাসপাতালেই এসব পরীক্ষার করানো হয়।

কবির মিয়ার ছোট ভাই মো. রহিম মিয়া জানান, গত সপ্তাহের প্রথম দিকে ভাইকে নিয়ে গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে এসেছিলেন। রোগীর ভিড় বেশি হলেও ডাক্তার সময় নিয়ে দেখেছেন। টেস্ট যা দিয়েছেন, তার সবগুলোই হাসপাতালে করাতে পেরেছি। এখানে যেসব পরীক্ষা হয়, সেটা দেশের অন্য কোথাও হয় না। চিকিৎসা ও পরীক্ষার ব্যবস্থা নিয়ে আমরা খুশি। আমার ভাই সুস্থ হয়ে উঠছেন। ডাক্তার এক মাসের ওষুধ দিয়েছেন। সেই সাথে বলেছেন এক মাস পর হাসপাতালে এসে দেখিয়ে যেতে। রহিম মিয়া আরও বলেন, গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় তারা সবাই সন্তুষ্ট।

জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা দিচ্ছে। রোগীর যে কোনো স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট শতভাগ নির্ভুল। শুধু তাই নয় রিপোর্ট বিদেশেও চিকিৎসকরা গ্রহণ করেন। অত্যাধুনিক মেডিকেল যন্ত্রপাতি ব্যবহারের মধ্যদিয়ে হাসপাতালটির চিকিৎসকরা নিজেদের মেধাকে কাজে লাগিয়েছেন। এতে করে হাসপাতালটি ভিআইপি হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে। আর দেশের সীমানা ছাড়িয়ে জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের নাম আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পৌঁছেছে। কারণ হাসপাতালে উন্নত এবং গুণগত মানসম্পন্ন আধুনিক মেডিকেল যন্ত্রপাতির সাহায্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। আর এসব আধুনিক উন্নতমানের মেডিকেল যন্ত্রপাতি সরবরাহ করেছে বেঙ্গল সায়েন্টিফিক অ্যান্ড সার্জিক্যাল কোম্পানি যার মালিক জাহের উদ্দীন।  

ভোরের আকাশ পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি হাসপাতালটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, কর্মরত চিকিৎসকগণ, নার্স, টেকনেশিয়ান, রোগী এবং রোগীদের সাথে আগত ব্যক্তিবর্গের কাছে চিকিৎসাসেবা প্রদান ও চিকিৎসা সেবার গুণগতমান জানার চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে হাসপাতালের যন্ত্রপাতির গুণগতমান ও সেবা প্রদানে সচল থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার লক্ষ্যে যন্ত্রপাতি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান বেঙ্গল সায়েন্টিফিক অ্যান্ড সার্জিক্যাল কোম্পানি যার মালিক জাহের উদ্দীনের শরণাপন্ন হন।  বিশেষ প্রতিনিধির জিজ্ঞাসার আলোকে জাহের উদ্দীন সংক্ষেপে হাসপাতালের যন্ত্রপাতি সরবরাহ ও সেবা প্রদানের বিষয়াদি অভিহিত করেন।

জাহের উদ্দীন বলেন, হাসপাতালটি তার পথচলার শুরু থেকেই চিকিৎসাসেবায় অত্যাধুনিক মেডিকেল যন্ত্রপাতি সরবরাহ পেয়েছে। রোগ শনাক্তের প্রকৃত মাধ্যম হচ্ছে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা। পরীক্ষা-নিরীক্ষার মূল উপাদান হচ্ছে গুণগতমান সম্পন্ন মেডিকেল যন্ত্রপাতি। সঠিক রোগ জানা সম্ভব না হলে চিকিৎসকের দেওয়া প্রেসক্রিপশন রোগীর কোনো উপকারে আসে না। এই হাসপাতালে রোগীদের চিকিৎসা সেবা, রোগ শনাক্তের পরীক্ষা-নিরীক্ষা বিষয়ে এবং গুণগতমান সম্পন্ন যন্ত্রপাতি সরবরাহ ও আফটার সেলস সার্ভিস প্রদানের বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, বিভাগীয় চিকিৎসকগণ, নার্স, টেকনেশিয়ান, চিকিৎসাসেবা গ্রহণকারী রোগী এবং রোগীদের সাথে আগত ব্যক্তিবর্গের নিকট থেকে সত্য ঘটনা জানার জন্য পরামর্শ প্রদান করেন।

সে আলোকে হাসপাতালের প্রকল্প পরিচালক এবং পরবর্তী সময়ে পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছেন প্রফেসর ডা. ফারুক আহমেদ (বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত) এর নিকট গুণগতমান ও রোগীদের চিকিৎসা সেবা বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে একেবারে টপ ব্র্যান্ডের অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মেডিকেল যন্ত্রপাতি রয়েছে। আমার জানামতে দেশে কোনো সরকারি হাসপাতালে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ক্যাপসুল এন্ডোস্কপি নেই। এটি একমাত্র গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে রয়েছে। হাসপাতালের শুরু থেকেই বেঙ্গল সায়েন্টিফিক অ্যান্ড সার্জিক্যাল কোম্পানির সরবরাহ করা মেডিকেল যন্ত্রপাতির সাহায্যে রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। আর এই সেবা অব্যাহত রয়েছে। 

তিনি আরও বলেন, ২০১৮ সালের ৩১ অক্টোবর থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত অর্থাৎ ৮ বছরের বেশি সময় ধরে বেঙ্গল সায়েন্টিফিক অ্যান্ড সার্জিক্যাল কোম্পানির সরবরাহ করা মেডিকেল যন্ত্রপাতি সচল রয়েছে। বস্তুত এমন নজির খুব একটা দেখা যায় না। আমি অবসরে চলে গেলেও হাসপাতালটির খোঁজ-খবর পাই। শুরুতে যেভাবে চলেছে, সেই ধারায় কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটেনি। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে টপ ব্র্যান্ডের মেডিকেল যন্ত্রপাতি। গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতাল যে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

প্রফেসর ডা. ফারুক আহমেদ আরও বলেন, গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১১ সালের অক্টোবরে। নির্মাণে মোট ব্যয় বরাদ্দ ছিল প্রায় ২১৬ কোটি ২৬ লাখ টাকা। হাসপাতালে অত্যন্ত উন্নতমানের প্রযুক্তিসহ ৪টি অপারেশন থিয়েটার, ৮ বেডের আইসিইউ, ১২ বেডের এইচডিইউ, ১২টি ওয়ার্ড, ৩০টি কেবিন ও মৃতদেহ সংরক্ষণ ব্যবস্থা রয়েছে।

গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাকালীন উপ-প্রকল্প পরিচালক এবং পরবর্তীতে পরিচালক অধ্যাপক ডা. গোলাম কিবরিয়াকে হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, হাসপাতালটির চিকিৎসা সেবায় ক্রমান্বয়ে উন্নতি হচ্ছে। আমি অত্যন্ত ভালো অবস্থায় রেখে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে চলে আসি। গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে শুধু বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয় বললে ভুল হবে। মূল উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য ছিল রোগীদের সেবার পাশাপাশি একেকজন ডাক্তার বিশেষজ্ঞ হয়ে উঠবেন। একই সাথে নার্সরাও অভিজ্ঞ হবেন।

তিনি আরও বলেন, আমি চলে আসার সময় এই ধারা রেখে এসেছিলাম। আশা করছি যে উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য ছিল সে দিকেই এগিয়ে যাচ্ছে গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতাল।

রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ডা. হাসিনা বেগম (অবসারপ্রাপ্ত)-কে হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, দেশের মধ্যে একমাত্র এই হাসপাতলে অত্যন্ত আধুনিক ও উন্নতমানের থ্রি টেসলা এমআরআই মেশিন, ১৬০ স্লাইস সিটি স্ক্যান মেশিন, ১০০০ এমএ এবং ৫০০ এমএ ডিজিটাল এক্স-রে মেশিন, আল্ট্রসাউন্ড মেশিন ও প্যাক্স মেশিনসহ অন্যান্য উন্নতমানের মেডিকেল যন্ত্রপাতির রয়েছে। এ সকল যন্ত্রপাতির মাধ্যমে হাসপাতালের সিটি স্ক্যান, এমআরআই, এক্স-রে, আল্ট্রাসাউন্ডসহ অন্যান্য পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে ইমেজ থ্রিডি আকারে সেন্ট্রাল সার্ভার রুমে (প্যাক্স রুমে) চলে আসে। 

চিকিৎসকরা একই রুমে বসে ইমেজ মাধ্যমে থ্রিডি আকারে দেখতে পারেন। প্যাক্স সিস্টেমের মাধ্যমে জুম বা স্ক্রলিং করে যে কোনো রোগের ইমেজ ডেনসিটি, মেজারমেন্ট থ্রিডি আকারে রোগ নির্ণয়ে সুক্ষ্মভাবে চিহ্নিত করা হয়। এটি বিশ্বের নির্ভুলভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষার সর্বাধুনিক প্রযুক্তিগত পদ্ধতি। 

এর মাধ্যমে ডিজিটাল অ্যাক্সেস রোগীর স্বাস্থ্যগত নিরাপত্তা উন্নত করতে পারে। এতে করে রোগীদের সময়, সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিত এবং অর্থ সাশ্রয় হয়। একই সাথে উন্নতমানের চিকিৎসাসেবায় জটিল রোগীরাও সুস্থ হচ্ছেন। রোগীদের এই সকল মেশিনে পরীক্ষা করার পর যে রিপোর্ট আসে তার ভিত্তিতে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়। আর এই রিপোর্ট দেশের বাইরে চিকিৎসকরা কোনো ধরনের প্রশ্ন ছাড়াই গ্রহণ করেন। আর এ উন্নতমানের মেশিন সরবরাহ করেছে বেঙ্গল সায়েন্টিফিক অ্যান্ড সার্জিক্যাল কোম্পানি। 

হাসপাতালটির শুরু থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত ল্যাব বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ডা. ইনার রহমানের বক্তব্যও গ্রহণ করা হয়। তিনি বিশেষ প্রতিনিধিকে জানান যে, গ্যাস্ট্রোলিভারের ল্যাবরেটরিতে সব ধরনের রোগ শনাক্তের ব্যবস্থা রয়েছে। আর রোগ শনাক্তের রিপোর্ট দেশের বাইরে গ্রহণ করা হয়। 

সর্বোপরি একটি কথা বলা যায়, বিশ্বমানের একটি অন্যতম চিকিৎসাসেবার আস্থার নাম হচ্ছে জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল। হাসপাতালে অত্যাধুনিক রেডিওলজি ইমেজিং, আপার জিআই এন্ডোস্কপি, এন্ডোস্কপি, লোয়ার জিআই কোলনস্কপি, ইআরসিপি, আল্ট্রাসাউন্ড, হাই রেজুলেশন মানোমেট্রিমেশিন, সিটি স্ক্যান, এমআরআই মেশিন, এক্স-রে, ইসিজি এবং অত্যাধুনিকমানের ল্যাবে নিরবচ্ছিন্নভাবে বিভিন্ন রোগের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়।

তিনি বলেন, হাসপাতালে যে ইমেজিং সিস্টেম আছে, তা উপমহাদেশের মধ্যে অন্যতম। খাদ্যনালির পরীক্ষার জন্য রয়েছে হাই রেজুলেশনের ম্যানোমেট্রি মেশিন, যা দেশের আর কোথাও নেই। পেস মনিটরিং মেশিনও আমাদের এখানে ছাড়া আর কোথাও নেই। এন্ডোস্কপি মেশিনটি সবচেয়ে ভালো অলেম্পাস ব্র্যান্ডের। আধুনিক ইমেজিং করার জন্য প্রাইভেট হাসপাতাল থেকেও এখানে রেফার করা হয়। 

এখানকার ল্যাবগুলোও অত্যাধুনিক। হিস্টোপ্যাথলজি ল্যাব, বায়োক্যামিস্ট্রি ল্যাব, মাইক্রোবায়োলজি ল্যাব ও ক্লিনিক্যাল প্যাথলজি ডিপার্টমেন্টকে বিশ্বমানের রিপোর্ট প্রদান করা হচ্ছে। আর বলতেই হয় হাসপাতালে সব মেডিকেল যন্ত্রপাতি সরবরাহ করেছে একমাত্র স্বাস্থ্যখাতের প্রতিষ্ঠিত সরবরাহকারি বেঙ্গল সায়েন্টিফিক অ্যান্ড সার্জিক্যাল কোম্পানি। এসব যন্ত্রপাতির ওয়ারেন্টির সময়সীমা ২০২০ সালে শেষ হয়ে গেছে। কিন্তু এখনো কোনো ধরনের চার্জ ছাড়াই কোম্পানিটি বিনা মূল্যে আফটার সেল সার্ভিস দিচ্ছে, যা নজিরবিহীন।

গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালের এমআরআই, সিটি স্ক্যান, এক্স-রে, আল্ট্রা সাউন্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত রেডিওলজি ও ইমেজিং বিভাগের সাবেক ইনচার্জ আব্দুস সামাদ বলেন, আমাদের হাসপাতালের মেডিকেল যন্ত্রপাতি আধুনিক ও উন্নতমানের। দেশে অন্যান্য কোম্পানির চেয়ে বেঙ্গল সায়েন্টিফিক অ্যান্ড সার্জিক্যাল কোম্পানির সরবরাহ করা সকল যন্ত্রপাতি অত্যাধুনিক এবং খুবই ভালো। বিশেষ করে হাসপাতাল চালুর দিন থেকে মেডিকেল যন্ত্রপাতির সার্ভিস এখনো নির্ভুল পাওয়া যাচ্ছে।

হাসপাতালটির শুরু থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত মেডিকেল টেকনোলজিস্ট আব্দুর রহিমকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জবাবে বলেন, প্রথম দিন থেকেই প্রতিটি মেডিকেল যন্ত্রপাতি সঠিকভাবে কাজ করছে। একমাত্র এক্স-রে মেশিন ছাড়া অন্যান্য যন্ত্রপাতি জাপানের তৈরি। বেঙ্গল সায়েন্টিফিক অ্যান্ড সার্জিক্যাল কোম্পানি মেডিকেলের সব যন্ত্রপাতি সরবরাহ করেছে। শুধু এক্স-রে মেশিনটি দক্ষিণ কোরিয়ার তৈরি। ব্যতিক্রম হচ্ছে সকল যন্ত্রপাতি যাতে সঠিকভাবে সার্ভিস দেয় সে জন্য কোম্পানিটি তাদের ইঞ্জিনিয়ারকে হাসপাতালে ওয়ারেন্টির ২ বছর মেয়াদ পর্যন্ত রেখেছিল। এমন দৃষ্টান্ত এর আগে দেখা যায়নি। কোম্পানির সরবরাহ করা প্রতিটি যন্ত্রপাতি প্রথম দিনের মতোই সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে যন্ত্রপাতি দেখার জন্য সরকারিভাবে স্বাস্থ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত ইঞ্জিনিয়ার সার্বক্ষণিকভাবে হাসপাতালে থেকে দায়িত্ব পালন করছেন।

হাসপাতালের বর্তমান উপ-পরিচালক ডা. আকতারুজ্জামানকে একই প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতাল চালুর সময় অত্যাধুনিক মেডিকেল যন্ত্রপাতি কেনা হয়েছে। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ক্যাপসুল এন্ডোস্কপি, সিটি স্ক্যান, এমআরআই, এক্স-রে এবং অন্যান্য যন্ত্রপাতি রয়েছে। সরকারের ক্রয় নীতিমালা অনুযায়ী এসব যন্ত্রপাতি কেনা হয়েছে। আর সরবরাহ করেছে বেঙ্গল সায়েন্টিফিক অ্যান্ড সার্জিক্যাল কোম্পানি। একটি কথা না বললেই নয়, আর সেটি হচ্ছে কোম্পানিটি যন্ত্রপাতি সরবরাহ করে বসে থাকেনি— তারা স্বাস্থ্যসেবায় নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। সকল যন্ত্রপাতির ওয়ারেন্টির মেয়াদ ছিল ২০২০ সাল পর্যন্ত। কোম্পানি কোনো ধরনের সার্ভিস চার্জ ছাড়াই বিনামূল্যে আফটার সেল সার্ভিস দেওয়া অব্যাহত রেখেছে।

গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে বেঙ্গল সায়েন্টিফিক অ্যান্ড সার্জিক্যাল কোম্পানি বেশ কিছু মেডিকেল যন্ত্রপাতি সরবরাহ করেছিল। তাদের যন্ত্রপাতিগুলো কেমন সার্ভিস দিচ্ছে? এ প্রশ্নের উত্তরে নিমিউ অ্যান্ড টিসির টেকনিক্যাল ম্যানেজার (রিপিয়ারিং) প্রকৌশলী মো. মাসুদ হাসান মুঠোফোনে জানান, তাদের মেশিন অনেক ভালো সার্ভিস দিচ্ছে। অন্যান্য কোম্পানির চেয়ে তাদের মেশিনগুলো অনেক উন্নত। মেশিনের যে কোনো সমস্যা হলে সাথে সাথে তারা কোম্পানির ইঞ্জিনিয়ারদের মাধ্যমে মেরামত করে দেয়। বর্তমানে হাসপাতালে মেশিনগুলো অনেক ভালো চলছে। আমার জানামতে বেঙ্গল সায়েন্টিফিক অ্যান্ড সার্জিক্যাল কোম্পানি অনেক ভালো একটি কোম্পানি। 

ভোরের আকাশের বিশেষ প্রতিনিধি উপরোক্ত তথ্যাদি গ্রহণের পর পুনরায় বেঙ্গল সায়েন্টিফিক অ্যান্ড সার্জিক্যাল কোম্পানির মালিক জাহের উদ্দীনকে রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতকরণ ব্যবস্থা, মেডিকেল যন্ত্রপাতি সরবরাহ, আফটার সেলস সার্ভিস এবং সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন যে, গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে ভাগ্যচক্রে সকল বিভাগে সকল প্রকার ৭৯ কোটি টাকার মেডিকেল যন্ত্রপাতি সরবরাহের সুযোগ হয়েছে।

যন্ত্রপাতি সরবরাহের বিষয়ে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা না বললেই চলে না। লিভার এবং খাদ্যনালীর রোগীদের রোগ নির্ণয়ে জটিল পরীক্ষা-নিরীক্ষা গধহড়সবঃৎু নামক মেশিনের মাধ্যমে করা হয়। প্রকল্পের আওতায় এই গধহড়সবঃৎু মেশিনটি সংগ্রহের জন্য বরাদ্দ রাখা হয় মাত্র ৩০ লাখ টাকা।  বাংলাদেশের কোনো স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে এই মেশিন ছিল না। এই মেশিনের মাধ্যমে সেবা গ্রহণের জন্য রোগীদের বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা নেওয়া ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প উপায় ছিল না। সরকারিভাবে এই মেশিন সংগ্রহের জন্য ভ্যাট-ট্যাক্স ও অন্যান্য খরচসহ বাজারমূল্য ছিল ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। এই মেশিনের জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দ না থাকায় মেশিন ক্রয়ের সমস্যা সৃষ্টি হলে, কর্তৃপক্ষের অনুরোধক্রমে এবং দেশে রোগীদের এই রোগে চিকিৎসাসেবা প্রদানের লক্ষ্যে জাতীয় স্বার্থে বরাদ্দকৃত (৩০ লাখ) অর্থেই আমার প্রতিষ্ঠান কানাডার তৈরি গধহড়সবঃৎু মেশিনটি সরবরাহ করেছে। 

আর শুরু থেকেই চিকিৎসা নিচ্ছেন দেশের মন্ত্রী, এমপি, বিচারপতি, রাষ্ট্রদূত-হাইকমিশনার, মন্ত্রণালয়ের সচিবগণ, বিভিন্ন দপ্তর সংস্থার প্রধানগণ, গণমাধ্যমের মালিক ও কর্মীবৃন্দসহ অন্যান্য হতদরিদ্রসহ সব শ্রেণির-পেশার মানুষ। হাসপাতালে রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় তুলনামূলকভাবে কম। তাছাড়া গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে চিকিৎসায় আস্থা, বিশ্বাস অর্জন এবং সহজ ও সুলভমূল্যে চিকিৎসা পাওয়ায় রোগীদের বিদেশ যাওয়ার প্রবণতা একেবারেই কমে গেছে।

২০১৯-২০২০ সালে করোনার প্রাদুর্ভাব শুরু হয় তখন তৎকালীন সরকার এবং দেশের সকল নাগরিক করোনাকালীন সময়ে চিকিৎসাসেবা নিয়ে বিভ্রান্তকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়েন এবং দেশব্যাপী ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। জনগণের মধ্যে সারাবিশ্বে সত্যিকার অর্থে এক ভয়াবহ আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। ওই সময় দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

ফলে করোনকালে দেশের সকল নাগরিক এবং দেশে অবস্থানরত বিদেশি নাগরিকদের কিভাবে চিকিৎসাসেবা দেওয়া যায়— সে বিষয়ে হাসপাতাল নির্ধারণসহ অনেক কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালটি আধুনিক ও উন্নতমানের মেডিকেল যন্ত্রপাতি সজ্জিত, দক্ষ চিকিৎসক ও অন্যান্য দক্ষ কর্মী কর্মরত থাকায় সরকার কর্তৃক ভিভিআইপি হাসপাতাল হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এই হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিয়েছিলেন তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া।

বেঙ্গল সায়েন্টিফিক অ্যান্ড সার্জিক্যাল কোম্পানির মালিককে বিশেষ প্রতিনিধি কেবলমাত্র গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতাল ছাড়াও অন্য কোনো হাসপাতালে মেডিকেল যন্ত্রপাতি সরবরাহ ও আফটার সেলস সার্ভিস প্রদানের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন যে, আমার প্রতিষ্ঠান কর্তৃক রাজধানীর সকল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সকল বিষেশায়িত হাসপতাল এবং ১২টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মেডিকেল যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা আছে।

তাছাড়া দেশের প্রায় সকল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ৪৯টি জেলা সদর হাসপাতাল এবং প্রায় ৪০০টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মেডিকেল যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা রয়েছে। প্রায় সকল হাসপাতালে সরবরাহকৃত মেশিনগুলোর ওয়ারেন্টি পিরিয়ড শেষ হয়ে গেলেও বিনামূল্যে আফটার সেলস সার্ভিস প্রদান অব্যাহত রাখা হয়েছে। তিনি দৃঢ়ভাবে আরও বলেন যে, করোনাকালীন সময়ে এ সকল প্রতিষ্ঠানে আফটার সেলস সার্ভিস সেবা প্রদানের বিনিময়ে কোনো প্রতিষ্ঠানের নিকট থেকে একটি টাকাও গ্রহণ করা হয়নি।

তিনি উদাহরণস্বরূপ ঢাকার বাইরে ও ঢাকার দুটি প্রতিষ্ঠানের সিটি স্ক্যান মেশিন মেরামতের বিষয়ে বলেন, ১। সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. কুদরত-ই খোদা, আমার প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সরবরাহকৃত সিটি স্ক্যান মেশিন মেরামতের জন্য অবহিত করলে প্রতিষ্ঠানের ইঞ্জিনিয়ার পরীক্ষা করে দেখেন যে, সিটি স্ক্যান মেশিনের যন্ত্রাংশ টিউব নষ্ট হয়েছে।

সিটি স্ক্যান মেশিন নষ্ট থাকায় হাসপাতালের রোগীদের চিকিৎসাসেবা প্রদান দারুনভাবে ব্যাহত হচ্ছিল। আমি ওই সময় বিদেশে থাকা অবস্থায় বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে সিটি স্ক্যান মেশিনের টিউব সাতদিনের মধ্যে জাপান থেকে সংগ্রহ করে মেশিনটি মেরামত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে রোগীদের চিকিৎসাসেবা অব্যাহত রাখার ব্যবস্থা করেছি যা ১৩ বছর যাবৎ সচল রয়েছে।

২। ঢাকার স্বনামধন্য নিউরোসাইন্স হাসপাতালের যগ্ম পরিচালক ডা. বদরুল আলম জানান যে, সরবরাহকৃত সিটি স্ক্যান মেশিনটি নষ্ট হয়েছে। আমার প্রতিষ্ঠানের ইঞ্জিনিয়ার পরীক্ষা করে দেখেন যে, সিটি স্ক্যান মেশিনের যন্ত্রাংশ টিউব নষ্ট হয়েছে। ফলে সিটি স্ক্যান মেশিন বিকল/নষ্ট অবস্থায় থাকায় এই গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতালে রোগীরা চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। জরুরি ভিত্তিতে বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে হাসপাতালের সিটি স্ক্যান মেশিনের জন্য দুই কোটি টাকা মূল্যের টিউব সাতদিনের মধ্যে জাপান থেকে সংগ্রহ করে সিটি স্ক্যান মেশিন মেরামত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে রোগীদের চিকিৎসাসেবা অব্যাহত রাখার ব্যবস্থা করি। বিবেকের তাড়নায় দেশ-জাতি তথা জনস্বার্থে করোনা ক্রান্তিকালে এবং বর্তমানেও আমার প্রতিষ্ঠান নিরবিচ্ছিন্নভাবে আফটার সেলস সার্ভিস প্রদান করে যাচ্ছে। যাতে করে রোগীরা সহজে চিকিৎসাসেবা পেতে পারেন।

আরও পড়ুন

পল্লবী থানার ভেতরে ককটেল বিস্ফোরণ

পরিশেষে জাহের উদ্দীনের কাছে বিশেষ প্রতিনিধি উল্লেখিত গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে উন্নতমানের যন্ত্রপাতি সরবরাহের বিষয়ে তার এ ধরনের বলিষ্ঠ নৈতিকতা অবলম্বনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি কখনো ব্যবসায়িক মুনাফাকে বড় করে দেখিনি, গুরুত্ব দিয়েছি স্বাস্থ্যসেবা খাতে সেবা প্রদানের নজির স্থাপন করতে।

তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রের অর্থের মালিক হলেন জনগণ। জনগণের অর্থের সৎব্যবহার করার দায়িত্ব সরকারের। সরকার জগনণের কল্যাণে উন্নয়নমূলক যে প্রকল্প গ্রহণ করে তা বাস্তবায়ন করে সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থার কর্মকর্তাগণ। সরকারি কর্মকর্তাদের নৈতিকতা, সততা ও দক্ষতার সাথে কাজ করার ওপর নির্ভর করে উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কার্যক্রমের সুফল।

গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালের প্রকল্পের পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সততা, দক্ষতা, নৈতিকতা ও জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়ায় নিরপেক্ষতা, স্বচ্ছতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে আমার প্রতিষ্ঠান বেঙ্গল সায়েন্টিফিক সার্জিক্যাল কোম্পানিকে প্রকল্পের মেডিকেল যন্ত্রপাতি সরবরাহের লক্ষ্যে চূড়ান্তভাবে নির্বাচন করা হয়। আমার প্রতিষ্ঠান অন্যান্য স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের ন্যায় এই হাসপাতালেও গুণগতমান সম্পন্ন মেডিকেল যন্ত্রপাতি সরবরাহের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় রেখে সততা, দক্ষতা ও সুনামের সাথে সরবরাহ কাজ সম্পন্ন করেছে। সরবরাহকৃত যন্ত্রপাতির মাধ্যমে আজও হাসপাতালের রোগীদের সেবা কাজে অনুসরণীয় নজির স্থাপন করে চলছে।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

শেয়ার করুন: