যুক্তরাষ্ট্রের এক ম্যাচে ১১ অভিষেক, ইতিহাস গড়লেন কাভান সুলিভান

মাত্র ১৬ বছর বয়সেই যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় দলের হয়ে মাঠে নেমে ইতিহাসের পাতায় নাম লিখিয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফুটবলার কাভান সুলিভান। নতুন চক্রে ফিফার প্রথম উইন্ডোর প্রীতি ম্যাচে পেরুর বিপক্ষে অভিষেক হয়েছে তার। ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্র ৪-১ গোলে জয় পেয়েছে। এই ম্যাচে মোট ১১ ফুটবলারের আন্তর্জাতিক অভিষেক করিয়েছেন কোচ মরিচিও পচেত্তিনো।
অরল্যান্ডোতে অনুষ্ঠিত ম্যাচটির আগে আলোচনার কেন্দ্রে ছিলেন সুলিভান। তবে ম্যাচের শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্রকে এগিয়ে দেন অরল্যান্ডো সিটির জাস্টিন এলিস। চতুর্থ মিনিটে জিও রেইনারের ফ্রি-কিক থেকে পাওয়া বলে হেড করে গোল করেন তিনি।
ম্যাচের দুই অর্ধ মিলিয়ে ১১ জন খেলোয়াড়কে জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক করান পচেত্তিনো। তাদের মধ্যে মিডফিল্ডার কাভান সুলিভান, ফরোয়ার্ড জাস্টিন এলিস ও ডিফেন্ডার পেটন মিলার ছিলেন শুরুর একাদশে।
২০২৪ সালের পর এক ম্যাচে এটিই যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সংখ্যক খেলোয়াড়ের অভিষেক। ওই বছর স্লোভেনিয়ার বিপক্ষে ১-০ গোলে হারের প্রীতি ম্যাচেও ১১ ফুটবলারের অভিষেক হয়েছিল।
তবে এক ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে সর্বোচ্চ ১২ জন খেলোয়াড়ের অভিষেকের নজির রয়েছে। ১৯৭৩ সালে পোল্যান্ডের বিপক্ষে এবং ১৯৮৮ সালে গুয়াতেমালার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে এমন ঘটনা ঘটেছিল।
পেরুর বিপক্ষে ম্যাচে প্রায় ৬০ মিনিট মাঠে ছিলেন সুলিভান। সময়টুকুতে আক্রমণভাগে বেশ সক্রিয় ছিলেন এই তরুণ মিডফিল্ডার। বিশ্বকাপের পর ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের হয়ে দারুণ পারফর্ম করা সুলিভান এখন পর্যন্ত ৬ গোল ও ৮টি অ্যাসিস্ট করেছেন।
জাতীয় দলের অভিষেকেও তার সেই ছন্দ দেখা যায়। জাস্টিন এলিসসহ সতীর্থদের সঙ্গে আক্রমণে ভালো সমন্বয় গড়ে পেরুর রক্ষণে চাপ তৈরি করেন তিনি।
তবে ম্যাচের ২৩তম মিনিটে অতিরিক্ত আগ্রাসনের কারণে হলুদ কার্ড দেখেন সুলিভান। গোলের জন্য ছুটে গিয়ে পেরুর গোলরক্ষক পেদ্রো গায়েসের সঙ্গে ধাক্কা লাগে তার। অভিষেক ম্যাচেই যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে প্রথম হলুদ কার্ড দেখার অভিজ্ঞতাও হয় এই তরুণের।
ভোরের আকাশ/সু.পা