শিরোনাম
১ সপ্তাহের মধ‍্যে গার্মেন্টস শিল্পে মজুরি বোর্ড: শ্রমমন্ত্রী‘মন খারাপ করার অধিকারও আপনার নেই, বললে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাবে’ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপি অসতর্কভাবে শব্দচয়ন করেছেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীউন্নত দেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীরঢাকাকে টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন শহর করতে চাই: প্রধানমন্ত্রীনিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব জোরদারে গুরুত্বারোপ খাদ্যমন্ত্রীরঢামেকে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট ৭ দিনের জন্য স্থগিতরমজানে স্বাভাবিক থাকবে নিত্যপণ্যের সরবরাহ, বাড়ছে না ভোজ্য তেলের দাম: বাণিজ্যমন্ত্রী১ সপ্তাহের মধ‍্যে গার্মেন্টস শিল্পে মজুরি বোর্ড: শ্রমমন্ত্রী‘মন খারাপ করার অধিকারও আপনার নেই, বললে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাবে’ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপি অসতর্কভাবে শব্দচয়ন করেছেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীউন্নত দেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীরঢাকাকে টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন শহর করতে চাই: প্রধানমন্ত্রীনিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব জোরদারে গুরুত্বারোপ খাদ্যমন্ত্রীরঢামেকে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট ৭ দিনের জন্য স্থগিতরমজানে স্বাভাবিক থাকবে নিত্যপণ্যের সরবরাহ, বাড়ছে না ভোজ্য তেলের দাম: বাণিজ্যমন্ত্রী

মে মাসে ৬১৩ সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত ৬২২ জন

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ১৩ জুন ২০২৬, ১:০৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির তথ্য অনুযায়ী, দেশে গত মে মাসে মোট ৬১৩টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় ৬২২ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও ১ হাজার ৬৫২ জন।

শনিবার (১৩ জুন) সংগঠনটির মহাসচিব স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, একই সময়ে ২২১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ২৩১ জন নিহত এবং ২১৯ জন আহত হয়েছেন। মোট দুর্ঘটনার মধ্যে মোটরসাইকেল-সম্পর্কিত ঘটনা উল্লেখযোগ্য অংশ জুড়ে রয়েছে, যা নিহত ও আহতের বড় একটি অংশের জন্য দায়ী।

বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে। এখানে ১৮০টি দুর্ঘটনায় ১৮৫ জন নিহত এবং ৫৫৮ জন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে সবচেয়ে কম দুর্ঘটনা ময়মনসিংহ বিভাগে সেখানে ২৭টি দুর্ঘটনায় ৩৮ জন নিহত ও ৬৭ জন আহত হন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, দুর্ঘটনায় জড়িত ৯৭৫টি যানবাহনের মধ্যে মোটরসাইকেল ২৮ দশমিক ৬৯ শতাংশ, ট্রাক-পিকআপ-কাভার্ডভ্যান-লরি ২৩ দশমিক ১০ শতাংশ, বাস ১৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ এবং ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইক ১২ দশমিক ৯৭ শতাংশ। এছাড়া সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ধীরগতির যানবাহন এবং প্রাইভেট কার-মাইক্রোবাসসহ বিভিন্ন যানও দুর্ঘটনায় জড়িত ছিল।

দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোট দুর্ঘটনার ৩২ দশমিক ৩০ শতাংশ গাড়ি চাপা বা ধাক্কা দেওয়ার ঘটনা, ৪২ দশমিক ০৮ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ১৮ দশমিক ৯২ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যাওয়া, ৫ দশমিক ৫৪ শতাংশ অন্যান্য কারণে, ০ দশমিক ৩২ শতাংশ ওড়না চাকায় পেঁচিয়ে এবং ০ দশমিক ৮১ শতাংশ ট্রেন-যানবাহনের সংঘর্ষে ঘটেছে।

সড়কের ধরন অনুযায়ী, মোট দুর্ঘটনার ৪৪ দশমিক ৬৯ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ৩০ দশমিক ৬৬ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে এবং ১৮ দশমিক ১০ শতাংশ ফিডার রোডে সংঘটিত হয়েছে। এ ছাড়া দেশের মোট দুর্ঘটনার ৫ দশমিক ২২ শতাংশ মহানগরীতে, ০ দশমিক ৪৮ শতাংশ মহানগরীতে এবং ০ দশমিক ৮১ শতাংশ রেলক্রসিংয়ে ঘটেছে।

আরও পড়ুন

বিএনপির রাজনীতি মানুষের জন্য : প্রধানমন্ত্রী

যাত্রী কল্যাণ সমিতির মতে, মহাসড়কে ধীরগতির যানবাহনের অবাধ চলাচল, অদক্ষ চালক, ফিটনেসবিহীন যান, সড়কের অবকাঠামোগত ত্রুটি, ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন ও বেপরোয়া গতি সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে কাজ করছে।

দুর্ঘটনা কমাতে সংগঠনটি আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর পরিবহন ব্যবস্থা, চালকদের প্রশিক্ষণ বৃদ্ধি, সড়ক নিরাপত্তা অবকাঠামো উন্নয়ন এবং ফিটনেসবিহীন যানবাহন অপসারণসহ কঠোর আইন প্রয়োগের সুপারিশ করেছে।

ভোরের আকাশ/জেআ

ঢাকা বিভাগসড়ক নিরাপত্তাবাংলাদেশনিহতসড়ক দুর্ঘটনা

শেয়ার করুন: