শিরোনাম
চালকের আচরণ ও গাড়ির ফিটনেসের কথা বললেই অনেকের গাত্রদাহ হয়: সড়কমন্ত্রীঅর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে : জাতিসংঘে আইরিন খানস্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মাধ্যমেই সুস্থ প্রজন্ম গড়ে ওঠে: মীর শাহে আলমফের দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের গোলাবর্ষণবিদ্যুৎখাতে লুটপাট করতেই দায় মুক্তির আইন পাস করেছিল আ.লীগ: রিজভীসিইসির সঙ্গে বৈঠকে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রতিনিধি দলযুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের আগে ভিসার নিয়মকানুন জেনে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে দেশটির দূতাবাসনাগরিক না হয়েও নির্বাচনে ভোট দেয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি যুবকের বিরুদ্ধে মামলাচালকের আচরণ ও গাড়ির ফিটনেসের কথা বললেই অনেকের গাত্রদাহ হয়: সড়কমন্ত্রীঅর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে : জাতিসংঘে আইরিন খানস্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মাধ্যমেই সুস্থ প্রজন্ম গড়ে ওঠে: মীর শাহে আলমফের দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের গোলাবর্ষণবিদ্যুৎখাতে লুটপাট করতেই দায় মুক্তির আইন পাস করেছিল আ.লীগ: রিজভীসিইসির সঙ্গে বৈঠকে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রতিনিধি দলযুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের আগে ভিসার নিয়মকানুন জেনে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে দেশটির দূতাবাসনাগরিক না হয়েও নির্বাচনে ভোট দেয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি যুবকের বিরুদ্ধে মামলা

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে কমলাপুর অংশের উদ্বোধন ডিসেম্বরে

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ৩ জুলাই ২০২৬, ৪:০৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

হাতিরঝিল ও পান্থকুঞ্জ অংশের জটিলতা পেরিয়ে ঢাকা উড়ালসড়ক প্রকল্পে কাজের গতি বেড়েছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পের ‘কারওয়ান বাজার থেকে কমলাপুর’ অংশ যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার আশা করছেন প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

প্রকল্পের কমলাপুর থেকে কুতুবখালী অংশের কাজ শেষ করতে মেয়াদ বাড়ানো হচ্ছে। ঢাকা উড়ালসড়ক প্রকল্প সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছ থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
সরকারি-বেসরকারি অংশীদারি বা পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) আওতায় নির্মীয়মাণ এই উড়ালসড়ক তিনটি ধাপে হচ্ছে। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী পর্যন্ত র‌্যাম্পসহ এই সড়কের মোট দৈর্ঘ্য ৪৬.৭৩ কিলোমিটার।

এর মধ্যে মূল অংশ ১৯.৭৩ কিলোমিটার। আর ওঠানামার জন্য ২৭ কিলোমিটার দীর্ঘ র‌্যাম্প আছে ৩১টি। এ যাবৎ পুরো প্রকল্পের গড় অগ্রগতি হয়েছে ৮০ শতাংশ।
ঢাকা উড়ালসড়ক (ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে) প্রকল্প পরিচালক এ এইচ এম এস আকতার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমরা এখন সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি কমলাপুর অংশটি তাড়াতাড়ি শেষ করতে।

মাঠ পর্যায়ের কাজ খুব ভালো গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। এই অংশ চালু হলে মতিঝিল ও কমলাপুরের যাত্রীরা দ্রুত বিমানবন্দর বা গুলশান-বনানী পৌঁছতে পারবেন। কমলাপুর থেকে কুতুবখালী অংশের কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আপাতত নির্মাণকাজে আর বড় কোনো নীতিগত বা কৌশলগত চ্যালেঞ্জ নেই। বাকি কাজ নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে শেষ হবে কি না, সার্বিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে আগামী তিন মাস পর বলা যাবে।
অগ্রগতি ৮০ শতাংশ : সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, প্রকল্পের সার্বিক ভৌত অগ্রগতি হয়েছে ৮০ শতাংশের বেশি।

এর মধ্যে প্রথম অংশের (কাওলা-বনানী) অগ্রগতি ৯৯.৯৪ শতাংশ, কারওয়ান বাজার ও হাতিরঝিলের ওপর দিয়ে যাওয়া অংশে অগ্রগতি ৮৪.৬৫ শতাংশ। আর কমলাপুর ও সায়েদাবাদ হয়ে কুতুবখালী অংশের অগ্রগতি হয়েছে ২০.১৪ শতাংশ। ২০২৩ সালের ৩ সেপ্টেম্বর বিমানবন্দরের দক্ষিণে কাওলা থেকে ফার্মগেট অংশ ও পরে এফডিসি গেট পর্যন্ত র‌্যাম্পসহ মোট ২১.৮১ কিলোমিটার দীর্ঘ অংশ যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে মতিঝিল-কমলাপুর অংশ উদ্বোধন করা হলে পলাশী, সোনারগাঁও মোড়, অতীশ দীপংকর সড়ক, মতিঝিল ও কমলাপুরের যাত্রীরা উড়ালসড়ক দিয়ে অনায়াসে ওঠা-নামা করতে পারবেন।

আরও পড়ুন

পাকিস্তানে বাস খাদে পড়ে নিহত ৪০

মতিঝিলে বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানে যুক্ত রাজিব পোদ্দার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘যদি মতিঝিল-কমলাপুর অংশ চালু করা হয়, তাহলে ব্যবসায়ীরা বিমানবন্দর থেকে সরাসরি মতিঝিলে চলাচল করতে পারবেন আরো দ্রুত। অফিসে যাওয়া-আসার সময় মগবাজার-মহাখালী বা কারওয়ান বাজারে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থাকতে হবে না।

হাতিরঝিল-পান্থকুঞ্জে সৌন্দর্যবর্ধন : প্রকল্পের হাতিরঝিল ও পান্থকুঞ্জ পার্ক এলাকার প্রাকৃতিক ভারসাম্য ও নান্দনিকতা বজায় রাখতে আলাদাভাবে বিশেষ সৌন্দর্যবর্ধনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, জনস্বার্থে রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৫ সালের ১০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট হাতিরঝিল ও সোনারগাঁও হোটেলসংলগ্ন পান্থকুঞ্জ পার্কের কিছু এলাকায় প্রকল্পের নির্মাণকাজে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছিলেন, পার্কটি জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত রাখতে হবে। গত ২২ ডিসেম্বর আদালতের সেই নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়। প্রকল্প পরিচালক এ এইচ এম এস আকতার কালের কণ্ঠকে জানান, নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পর ২২ ডিসেম্বর  থেকেই ওই অংশে ফের পুরোদমে কাজ শুরু করা সম্ভব হয়েছে। প্রকল্প সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হাতিরঝিলের উন্মুক্ত পরিবেশ ও জলাশয়ের সৌন্দর্য যাতে ব্যাহত না হয়, সে জন্য বিশেষ নকশার পিলারের পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব লাইটিং ও ল্যান্ডস্কেপিং করা হচ্ছে। পান্থকুঞ্জ পার্কের সবুজ বলয় এবং এর নিচে থাকা বক্স কালভার্টের সুরক্ষায় নেওয়া হয়েছে বিশেষ কারিগরি ব্যবস্থা। পিলারের কারণে পার্কের স্বাভাবিক সৌন্দর্য যেন নষ্ট না হয়, বরং সড়ক অবকাঠামোর সঙ্গেই সামঞ্জস্য রেখে এই অংশটিকে আরো দৃষ্টিনন্দন করার কাজ চলছে।

ভোরের আকাশ/এনউব

উদ্বোধন ডিসেম্বরে

শেয়ার করুন: