শিরোনাম
চালকের আচরণ ও গাড়ির ফিটনেসের কথা বললেই অনেকের গাত্রদাহ হয়: সড়কমন্ত্রীঅর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে : জাতিসংঘে আইরিন খানস্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মাধ্যমেই সুস্থ প্রজন্ম গড়ে ওঠে: মীর শাহে আলমফের দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের গোলাবর্ষণবিদ্যুৎখাতে লুটপাট করতেই দায় মুক্তির আইন পাস করেছিল আ.লীগ: রিজভীসিইসির সঙ্গে বৈঠকে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রতিনিধি দলযুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের আগে ভিসার নিয়মকানুন জেনে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে দেশটির দূতাবাসনাগরিক না হয়েও নির্বাচনে ভোট দেয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি যুবকের বিরুদ্ধে মামলাচালকের আচরণ ও গাড়ির ফিটনেসের কথা বললেই অনেকের গাত্রদাহ হয়: সড়কমন্ত্রীঅর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে : জাতিসংঘে আইরিন খানস্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মাধ্যমেই সুস্থ প্রজন্ম গড়ে ওঠে: মীর শাহে আলমফের দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের গোলাবর্ষণবিদ্যুৎখাতে লুটপাট করতেই দায় মুক্তির আইন পাস করেছিল আ.লীগ: রিজভীসিইসির সঙ্গে বৈঠকে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রতিনিধি দলযুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের আগে ভিসার নিয়মকানুন জেনে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে দেশটির দূতাবাসনাগরিক না হয়েও নির্বাচনে ভোট দেয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি যুবকের বিরুদ্ধে মামলা

যে ৫ ধরনের পেশা ইসলামে বৈধ নয়

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ২৩ আগস্ট ২০২৬, ৪:৩২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ইসলামে হালাল উপায়ে জীবিকা নির্বাহ করাকে ইবাদতের মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে সততা ও ন্যায্যতার মাধ্যমে অর্জিত উপার্জনকে উৎসাহিত করা হলেও, এমন কিছু পেশা ও মাধ্যমকে স্পষ্ট ভাষায় হারাম বা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে যা সমাজের নৈতিকতা, সামাজিক শৃঙ্খলা এবং মানুষের ইমানকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

ইসলামি শরিয়তের আলোকে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ বা হারাম প্রধান ৫টি পেশা নিচে তুলে ধরা হলো:

১. সুদ ও সুদি কারবারভিত্তিক চাকরি: ইসলামে সুদকে সম্পূর্ণ হারাম ঘোষণা করা হয়েছে এবং সুদের সাথে সম্পৃক্ত ব্যবসাকে আল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধের শামিল বলা হয়েছে। তাই সুদি প্রতিষ্ঠানে সরাসরি হিসাবরক্ষণ, ঋণ দেওয়া-নেওয়া বা চুক্তিপত্র লেখার পেশা গ্রহণ করা ইসলামে নিষিদ্ধ।

২. মদ, মাদকদ্রব্য ও ক্ষতিকর নেশাজাতীয় দ্রব্যের ব্যবসা: মদ বা যেকোনো ধরনের মাদক উৎপাদন, বিপণন, পরিবহন, বিক্রি বা পরিবেশনের কাজ প্রত্যক্ষভাবে হারাম। হাদিস শরিফে মদের সাথে সম্পৃক্ত ১০ শ্রেণির ব্যক্তির ওপর অভিশাপ দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে বিক্রেতা ও বহনকারীও অন্তর্ভুক্ত।

৩. জুয়া, লটারি ও ভাগ্য গণনাভিত্তিক পেশা: যেকোনো প্রকার জুয়া, বাজি ধরা, ক্যাসিনোর চাকরি, লটারির ব্যবসা এবং জ্যোতিষশাস্ত্র বা ভাগ্য গণনার পেশা ইসলামে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। অন্যায্য উপায়ে অন্যের অর্থ আত্মসাৎ এবং অবাস্তব ধারণার ওপর ভিত্তি করে অর্থ উপার্জন ইসলামি শরিয়ত সমর্থন করে না।

৪. বেশ্যাবৃত্তি, নোংরামি ও অশালীন বিনোদন খাত: ব্যভিচার বা বেশ্যাবৃত্তি, পর্নোগ্রাফি নির্মাণ, অশালীন নাচ-গান, নগ্নতা প্রদর্শন এবং যেকোনো ধরনের অশ্লীল বিনোদন খাতের সাথে যুক্ত হয়ে অর্থ উপার্জন করা সম্পূর্ণ হারাম। ইসলাম শালীনতা ও নৈতিকতার ওপর সর্বোচ্চ জোর দেয়।

আরও পড়ুন

বনানীতে স্লিপার বাসের বৈধতার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল

৫. চুরি, ডাকাতি, ঘুষ ও জালিয়াতির মাধ্যমে উপার্জন: পেশাগতভাবে কারো অধিকার হরণ করা, জালিয়াতি, ওজনে কম দেওয়া, ভেজাল পণ্য তৈরি করে ধোঁকা দেওয়া এবং সরকারি-বেসরকারি পদে থেকে ঘুষ গ্রহণ করে অর্থ উপার্জন করা কবিরা গুনাহ ও হারাম।

জীবিকার পরিমাণ কম হলেও তা যদি হালাল উপায়ে অর্জিত হয়, তবে তাতে রয়েছে বরকত ও আত্মিক শান্তি। হারাম উপার্জনে পাপাচার বৃদ্ধি পায় এবং দোয়া কবুলের পথ রুদ্ধ হয়ে যায়। তাই প্রতিটি মুসলিমের উচিত হারাম পেশা থেকে শতভাগ দূরে থেকে হালাল ও সৎ পন্থায় জীবিকা অর্জনের চেষ্টা করা।

ভোরের আকাশ/জেআ

পবিত্র কোরআনহাদিসইসলাম

শেয়ার করুন: