চায়ের আড্ডায় জমে উঠুক ডিমের পুর ভরা সবজি পাকোড়া

বিকেলের নাস্তা কিংবা বৃষ্টিভেজা সন্ধ্যায় গরম গরম মুচমুচে পাকোড়ার স্বাদই আলাদা। আর যদি সেই পাকোড়ার ভেতরে থাকে মসলাদার ডিমের পুর, সঙ্গে থাকে টাটকা ধনেপাতার ঝাঁঝালো চাটনি—তাহলে সাধারণ নাস্তাও হয়ে ওঠে বিশেষ।
সবজি, ডিম ও মসলার দারুণ সমন্বয়ে তৈরি এই রেসিপি যেমন সুস্বাদু, তেমনি পুষ্টিকরও। সবজি পাকোড়া ও ধনেপাতার চাটনি দক্ষিণ এশিয়ার ঘরোয়া রান্নায় দীর্ঘদিনের জনপ্রিয় নাস্তা।
উপকরণ
- ডিমের পুরের জন্য
- সেদ্ধ ডিম – ৪টি (কুচি করা)
- পেঁয়াজ কুচি – ১/২ কাপ
- কাঁচামরিচ কুচি – ২টি
- ধনেপাতা কুচি – ২ টেবিল চামচ
- ভাজা জিরার গুঁড়া – ১/২ চা-চামচ
- গোলমরিচ গুঁড়া – ১/২ চা-চামচ
- লবণ – স্বাদমতো
পাকোড়ার ব্যাটারের জন্য
- বেসন – ১ কাপ
- চালের গুঁড়া – ২ টেবিল চামচ
- কর্নফ্লাওয়ার – ১ টেবিল চামচ
- গাজর কুচি – ১/২ কাপ
- বাঁধাকপি কুচি – ১ কাপ
- পেঁয়াজ কুচি – ১/২ কাপ
- ধনেপাতা কুচি – ২ টেবিল চামচ
- কাঁচামরিচ কুচি – ২টি
- হলুদ গুঁড়া – ১/২ চা-চামচ
- মরিচ গুঁড়া – ১/২ চা-চামচ
- লবণ – স্বাদমতো
- প্রয়োজনমতো পানি
- ভাজার জন্য তেল
- ধনেপাতার চাটনি
- ধনেপাতা – ১ কাপ
- পুদিনাপাতা – ১/৪ কাপ (ঐচ্ছিক)
- কাঁচামরিচ – ২–৩টি
- রসুন – ২ কোয়া
- লেবুর রস – ১ টেবিল চামচ
- লবণ – স্বাদমতো
- সামান্য চিনি
প্রস্তুত প্রণালি
প্রথমে একটি পাত্রে সেদ্ধ ডিমের সঙ্গে পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ, ধনেপাতা, জিরার গুঁড়া, গোলমরিচ ও লবণ মিশিয়ে পুর তৈরি করে ছোট ছোট বলের মতো গড়ে নিন।
অন্য একটি পাত্রে বেসন, চালের গুঁড়া, কর্নফ্লাওয়ার, সব কুচি করা সবজি ও মসলা মিশিয়ে অল্প অল্প পানি দিয়ে ঘন ব্যাটার তৈরি করুন। ব্যাটার খুব পাতলা করবেন না, যাতে ডিমের পুর ভালোভাবে ঢেকে থাকে। সবজি পাকোড়ার মিশ্রণে সাধারণত বেসন, চালের গুঁড়া ও কুচি করা সবজি ব্যবহার করলে বেশি মুচমুচে হয়।
এবার ডিমের পুরের প্রতিটি বল ব্যাটারে ডুবিয়ে মাঝারি আঁচে গরম তেলে সোনালি রং হওয়া পর্যন্ত ভেজে নিন। অতিরিক্ত তেল ঝরাতে কিচেন টিস্যুর ওপর তুলে রাখুন।
চাটনি তৈরির জন্য ধনেপাতা, পুদিনাপাতা, কাঁচামরিচ, রসুন, লেবুর রস, লবণ ও সামান্য চিনি একসঙ্গে ব্লেন্ড করে মসৃণ পেস্ট বানিয়ে নিন। চাইলে কয়েক ফোঁটা সরিষার তেল দিলে স্বাদ আরও বাড়বে।
পরিবেশন
গরম গরম ডিমের পুর ভরা সবজি পাকোড়া ধনেপাতার চাটনি, টমেটো সস কিংবা এক কাপ গরম চায়ের সঙ্গে পরিবেশন করুন। অতিথি আপ্যায়ন, বিকেলের নাস্তা বা বর্ষার দিনে এটি হতে পারে সবার প্রিয় একটি মুখরোচক খাবার।
ভোরের আকাশ/জেআ