রাজপথের লড়াকু সৈনিক, সাহসী যুবদল নেতা তারিকুল ইসলাম কাফি

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের সাধারণ মানুষের মনে বইছে পরিবর্তনের হাওয়া। আর এই পরিবর্তনের প্রত্যাশায় গৌরনদী উপজেলার ২নং বার্থী ইউনিয়নে অগ্রভাগে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ফ্যাসিস্ট সরকার বিরোধী আন্দোলনের রাজপথের লড়াকু সৈনিক, সাহসী যুবদল নেতা তারিকুল ইসলাম কাফি।
এবারের নির্বাচনে তিনি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করায় ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা ও আশার আলো দেখা দিয়েছে। রাজপথ থেকে আজ তিনি গণমানুষের নেতা।
তারিকুল ইসলাম কাফি কেবল একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নন, তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে এক আপসহীন কণ্ঠস্বর। বিগত দিনে স্বৈরাচার ও ফ্যাসিস্ট সরকারের জুলুম-নির্যাতনের বিরুদ্ধে যখন সাধারণ মানুষ মুখ খুলতে ভয় পেত, তখন নিজের জীবনের তোয়াক্কা না করে রাজপথে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন এই তরুণ নেতা।
ফ্যাসিবাদ বিরোধী প্রতিটি আন্দোলনে তার অগ্রণী ভূমিকা ও সাহসী নেতৃত্ব গৌরনদী, বরিশাল, ঢাকার রাজপথ—সর্বত্রই তরুণ প্রজন্মের কাছে তাকে এক রোল মডেলে পরিণত করেছে। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম করতে গিয়ে অনেকবার হামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, ভাংচুর হয়েছে তার বাড়ি ঘর। তারপরও তিনি থেমে থাকেন নি। আন্দোলন-সংগ্রামে বহু ত্যাগ স্বীকার করলেও তিনি কখনো সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াই থেকে বিচ্যুত হননি।
তরুণদের আইকন ও সামাজিক সংগঠক তারিকুল ইসলাম কাফি এলাকার তরুণ ও যুবসমাজকে মাদক, অপরাধ এবং অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছেন। খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে তার অবদান অনস্বীকার্য। স্থানীয় ভাবে যুবসমাজের শারীরিক ও মানুষিক উৎকর্ষতার জন্য তিনি স্থানীয়ভাবে ফুটবল, ক্রিকেটসহ বিভিন্ন খেলাধুলার পৃষ্ঠপোষকতা করে থাকেন।
শিক্ষানুরাগী কাফী বার্থী ইউনিয়নের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ধানডোবা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করে আসছেন।
করোনা মহামারীসহ যে কোনো দুর্যোগ কিংবা সংকটে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন যে, প্রকৃত নেতৃত্ব পদের ওপর নির্ভর করে না, বরং তা আসে মানুষের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা থেকে।
উন্নয়ন ও পরিবর্তনের রূপরেখা প্রনয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে তারিকুল ইসলাম কাফি ইতিমধ্যে ইউনিয়নের উন্নয়নের জন্য এক আধুনিক ও বৈষম্যহীন রূপরেখা সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরেছেন। দুর্নীতিমুক্ত ইউনিয়ন পরিষদ গঠন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের মানোন্নয়ন, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং তথ্যপ্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে ইউনিয়নকে একটি ‘স্মার্ট ও আদর্শ ইউনিয়ন’ হিসেবে গড়ে তোলাই তার মূল লক্ষ্য। ইতিমধ্যে তিনি অর্জন করেছেন জনগণের উপচে পড়া সমর্থন ও ভালবাসা।
এলাকার সাধারণ ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা দীর্ঘদিন ধরে একজন সৎ, সাহসী এবং শিক্ষিত তরুণ নেতৃত্বের অপেক্ষায় ছিলেন। তারিকুল ইসলাম কাফির মাঝে তারা সেইকাঙ্ক্ষিত নেতৃত্ব খুঁজে পেয়েছেন। দলমত নির্বিশেষে ইউনিয়নের কৃষক, শ্রমিক, চাকুরিজীবী এবং বিশেষ করে নারী ও তরুণ ভোটারদের মাঝে তাকে নিয়ে ব্যাপক ক্রেজ তৈরি হয়েছে। সাধারণ মানুষের ভাষ্য, "যিনি ফ্যাসিবাদী শক্তির বুলেটের সামনে দাঁড়িয়ে আমাদের অধিকারের কথা বলতে পারেন, তিনিই আমাদের ইউনিয়নের অভিভাবক হওয়ার যোগ্য।
তারিকুল ইসলাম কাফি আসন্ন নির্বাচনে জয়ী হলে ইউনিয়নটি কেবল একটি প্রশাসনিক ইউনিট হিসেবে নয়, বরং একটি শোষণমুক্ত ও স্বনির্ভর জনপদ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে—এমনটাই প্রত্যাশা সুধীমহলের। রাজপথের এই সাহসী বীরের বিজয়ের মাধ্যমে ইউনিয়নের জনগণ এক নতুন ও গৌরবময় অধ্যায়ের সূচনা করতে যাচ্ছে।
ভোরের আকাশ/আ.র