কেকেবিএইউ’র সেন্ট্রাল লাইব্রেরির অটোমেশন কার্যক্রমের উদ্বোধন

খুলনা খান বাহাদুর আহ্ছানউল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কেকেবিএইউ) সেন্ট্রাল লাইব্রেরির অটোমেশন কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট্রাল লাইব্রেরিতে ফিতা কেটে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ডেজিগনেট) প্রফেসর ড. মোঃ আনিসুর রহমান।
উদ্বোধনকালে তিনি বলেন, “আধুনিক উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে প্রযুক্তির্নিভর গ্রন্থাগারসেবার গুরুত্ব অপরিসীম। লাইব্রেরি অটোমেশনের মাধ্যমে বই অনুসন্ধান, তথ্য সংরক্ষণ ও পাঠকসেবা আরও সহজ, দ্রুত ও কার্যকর হবে। এর ফলে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় তথ্য ও পাঠসামগ্রী সহজেই খুঁজে পাবেন এবং জ্ঞানচর্চা ও গবেষণার সুযোগ আরও সম্প্রসারিত হবে।” তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারসেবাকে আধুনিকায়নের এ উদ্যোগকে সময়োপযোগী উল্লেখ করে এর কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং এ কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।
লাইব্রেরি অটোমেশন কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ায় বই ও অন্যান্য পাঠসামগ্রীর তথ্য ব্যবস্থাপনা, পাঠকসেবা প্রদান এবং গ্রন্থাগারের সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনায় আরও গতিশীলতা আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ উদ্যোগ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক ও সহজলভ্য গ্রন্থাগারসেবা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এস এম আতিয়ার রহমান ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোঃ মিজানুজ্জামান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কেকেবিএইউ’র লাইব্রেরিয়ান (ইন-চার্জ) ফারজানা শারমিন আনিকা। এ সময় ইনফরমেশন সায়েন্স অ্যান্ড লাইব্রেরি ম্যানেজমেন্ট (আইএসএলএম) বিভাগের প্রভাষক আহসান উল্লাহ ও মোঃ নাদিম এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগের ইন্টার্নশিপরত সিনিয়র শিক্ষার্থীরা লাইব্রেরি অটোমেশনের বিভিন্ন সুবিধা ও এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে ইন্টার্নশিপরত শিক্ষার্থীদের ভূমিকার কথা তুলে ধরেন।
উল্লেখ্য, কেকেবিএইউ’র সেন্ট্রাল লাইব্রেরিতে প্রায় আট হাজার পাঠ্য ও পাঠ্যসংশ্লিষ্ট বই-পুস্তক এবং জার্নালের মুদ্রিত কপি সংরক্ষিত রয়েছে। পাশাপাশি, অনলাইনের মাধ্যমে বই পড়ার সুযোগও সৃষ্টি করা হয়েছে। লাইব্রেরি অটোমেশন কার্যক্রম চালুর মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারসেবায় প্রযুক্তির ব্যবহার আরও সম্প্রসারিত হলো। শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এ উদ্যোগকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রমের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে বিবেচনা করছেন।
ভোরের আকাশ/ এনউব