শিরোনাম
নভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ : সিইসিইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলারঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবনভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ : সিইসিইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলারঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব

অভয়নগরে অর্থাভাবে নিভে যাচ্ছে শিশু লামিয়ার চোখের আলো

অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৯ মে ২০২৬, ৩:৩৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

যশোরের অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়া পৌর সভার ৩ নং ওয়ার্ডের ধোপাদী গ্রামের ৮ বছরের শিশু লামিয়ার চোখের আলো দরিদ্রতার কবলে নিভে যেতে বসেছে। 

সন্তানকে বাঁচাতে বিত্তবানদের কাছে সাহায্য চেয়েছেন তার দরিদ্র পিতা জুট মিল শ্রমিক মিজানুর রহমান। লামিয়া বর্তমানে আহমদ আলী সর্দার  প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী। 

লামিয়ার মা রেক্সোনা খাতুন বলেন, একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠার পর সে বাম চোখে অনেক জ্বালা যন্ত্রণায় চিতকার করতে থাকে। 

প্রাথমিক ভাবে আমরা তখন তাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যায়। কিন্তু তার কোন উন্নতি না হওয়াতে খুলনা খুলনা বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতাল ও যশোর কপোতাক্ষ লায়ন চক্ষু হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করানো হয়েছে। 

এখন সেখানের চিকিৎসকরা তাকে ঢাকায় চিকিৎসার  জন্য নিয়ে যেতে বলেছে। আমরা বিভিন্ন মানুষের কাছে থেকে সাহায্য, সহযোগিতা নিয়ে ও ঋন করে তাকে এই পর্যন্ত চিকিৎসা করিয়েছি। এখন আমাদের পক্ষে তাকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার মতো সামর্থ্য নেই। 

লামিয়ার বাবা মিজানুর বলেন, চিকিৎসকরা ঢাকার জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনিস্টিউটের ও হাসপাতালে  নিয়ে আমার মেয়ের চোখে অপারেশন কর‍তে বলেছেন। সেই অপারেশন করার মতো আর্থিক  সামর্থ্য আমার নেই। 

তিনি তার মেয়ের চিকিৎসার জন্য সমাজের বিবেকবান মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছেন। 

লামিয়ার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আহমদ আলী সর্দার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শেখ জসিম উদ্দিন বলেন, আমাদের বিদ্যালয়ের ছাত্রী লামিয়ার চোখের চিকিৎসার জন্য আমরা শিক্ষক, ছাত্র ছাত্রী ও অবিভাবকরা তাকে সহায়তার চেষ্টা করেছি।

সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে আসলে তার উন্নত চিকিৎসা করা সম্ভব হবে। 

ভোরের আকাশ/ র.ই

লামিয়াচোখ

শেয়ার করুন: