শিরোনাম
চালকের আচরণ ও গাড়ির ফিটনেসের কথা বললেই অনেকের গাত্রদাহ হয়: সড়কমন্ত্রীঅর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে : জাতিসংঘে আইরিন খানস্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মাধ্যমেই সুস্থ প্রজন্ম গড়ে ওঠে: মীর শাহে আলমফের দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের গোলাবর্ষণবিদ্যুৎখাতে লুটপাট করতেই দায় মুক্তির আইন পাস করেছিল আ.লীগ: রিজভীসিইসির সঙ্গে বৈঠকে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রতিনিধি দলযুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের আগে ভিসার নিয়মকানুন জেনে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে দেশটির দূতাবাসনাগরিক না হয়েও নির্বাচনে ভোট দেয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি যুবকের বিরুদ্ধে মামলাচালকের আচরণ ও গাড়ির ফিটনেসের কথা বললেই অনেকের গাত্রদাহ হয়: সড়কমন্ত্রীঅর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে : জাতিসংঘে আইরিন খানস্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মাধ্যমেই সুস্থ প্রজন্ম গড়ে ওঠে: মীর শাহে আলমফের দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের গোলাবর্ষণবিদ্যুৎখাতে লুটপাট করতেই দায় মুক্তির আইন পাস করেছিল আ.লীগ: রিজভীসিইসির সঙ্গে বৈঠকে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রতিনিধি দলযুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের আগে ভিসার নিয়মকানুন জেনে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে দেশটির দূতাবাসনাগরিক না হয়েও নির্বাচনে ভোট দেয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি যুবকের বিরুদ্ধে মামলা

অভয়নগরে অর্থাভাবে নিভে যাচ্ছে শিশু লামিয়ার চোখের আলো

অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৯ মে ২০২৬, ৩:৩৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

যশোরের অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়া পৌর সভার ৩ নং ওয়ার্ডের ধোপাদী গ্রামের ৮ বছরের শিশু লামিয়ার চোখের আলো দরিদ্রতার কবলে নিভে যেতে বসেছে। 

সন্তানকে বাঁচাতে বিত্তবানদের কাছে সাহায্য চেয়েছেন তার দরিদ্র পিতা জুট মিল শ্রমিক মিজানুর রহমান। লামিয়া বর্তমানে আহমদ আলী সর্দার  প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী। 

লামিয়ার মা রেক্সোনা খাতুন বলেন, একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠার পর সে বাম চোখে অনেক জ্বালা যন্ত্রণায় চিতকার করতে থাকে। 

প্রাথমিক ভাবে আমরা তখন তাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যায়। কিন্তু তার কোন উন্নতি না হওয়াতে খুলনা খুলনা বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতাল ও যশোর কপোতাক্ষ লায়ন চক্ষু হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করানো হয়েছে। 

এখন সেখানের চিকিৎসকরা তাকে ঢাকায় চিকিৎসার  জন্য নিয়ে যেতে বলেছে। আমরা বিভিন্ন মানুষের কাছে থেকে সাহায্য, সহযোগিতা নিয়ে ও ঋন করে তাকে এই পর্যন্ত চিকিৎসা করিয়েছি। এখন আমাদের পক্ষে তাকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার মতো সামর্থ্য নেই। 

লামিয়ার বাবা মিজানুর বলেন, চিকিৎসকরা ঢাকার জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনিস্টিউটের ও হাসপাতালে  নিয়ে আমার মেয়ের চোখে অপারেশন কর‍তে বলেছেন। সেই অপারেশন করার মতো আর্থিক  সামর্থ্য আমার নেই। 

তিনি তার মেয়ের চিকিৎসার জন্য সমাজের বিবেকবান মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছেন। 

লামিয়ার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আহমদ আলী সর্দার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শেখ জসিম উদ্দিন বলেন, আমাদের বিদ্যালয়ের ছাত্রী লামিয়ার চোখের চিকিৎসার জন্য আমরা শিক্ষক, ছাত্র ছাত্রী ও অবিভাবকরা তাকে সহায়তার চেষ্টা করেছি।

সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে আসলে তার উন্নত চিকিৎসা করা সম্ভব হবে। 

ভোরের আকাশ/ র.ই

লামিয়াচোখ

শেয়ার করুন: