গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কুরআন প্রতিযোগিতা

পবিত্র কুরআনের হিফজ চর্চায় শিশু-কিশোরদের উৎসাহিত করতে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়েছে ৪র্থ জাতীয় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতার জেলা পর্যায়ের অডিশন। এতে জেলার বিভিন্ন এলাকার মাদরাসার হাফেজ শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। প্রতিযোগিতায় নির্বাচিতদের ইয়েস কার্ড, সনদপত্র ও সম্মাননা ক্রেস্ট দেওয়া হয়।
রোববার (৮ নভেম্বর) সকালে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১ নম্বর ওয়ার্ডের পাইনাদী-মিজমিজি দায়রা শাখার হলরুমে এ অডিশন অনুষ্ঠিত হয়। গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী হিফজুল কুরআন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় জেলার বিভিন্ন এলাকার মাদরাসার শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেয়।
প্রতিযোগিতায় ১৩ থেকে ১৮ বছর বয়সী হাফেজ শিক্ষার্থীরা ‘ক’ থেকে ‘গ’—তিনটি গ্রুপে অংশগ্রহণ করে। প্রতিটি গ্রুপ থেকে ২০ জনকে ইয়েস কার্ড, সনদপত্র ও সম্মাননা ক্রেস্ট দেওয়া হয়।
নারায়ণগঞ্জ জেলা কার্যকরী সংসদ আঞ্জুমানে মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভান্ডারী (শাহ এমদাদীয়া) এ অডিশনের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আঞ্জুমানে মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভান্ডারী (শাহ এমদাদীয়া) কেন্দ্রীয় কার্যকরী সংসদের জনসংযোগ ও প্রচার সম্পাদক আলহাজ মোশারফ হোসাইন। এ ছাড়া চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে অবস্থিত গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী হিফজুল কুরআন ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী হিফজুল কুরআন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আলহাজ ইরফানুল হক মাইজভান্ডারী। এতে পৃষ্ঠপোষকতা করেন আওলাদে রাসুল ও দরবারে গাউছুল আজমের সাজ্জাদানশীন আলহাজ হজরত মাওলানা শাহ সুফি সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভান্ডারী।
ভোরের আকাশ/সু.পা