শিরোনাম
নয়াপল্টনের সমাবেশে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণসড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-আহতরা পাবেন ১-৫ লাখ টাকা, আবেদন যেভাবেসৌদিতে প্রাণঘাতী সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত ৭ বাংলাদেশিডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৫৫মার্কিন ভিসা নিয়ে সতর্ক করলো দূতাবাসসিপাহি-জনতার বিপ্লবে অপশক্তি পরাভূত হয়েছিল : প্রধানমন্ত্রীবিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দামজাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীনয়াপল্টনের সমাবেশে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণসড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-আহতরা পাবেন ১-৫ লাখ টাকা, আবেদন যেভাবেসৌদিতে প্রাণঘাতী সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত ৭ বাংলাদেশিডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৫৫মার্কিন ভিসা নিয়ে সতর্ক করলো দূতাবাসসিপাহি-জনতার বিপ্লবে অপশক্তি পরাভূত হয়েছিল : প্রধানমন্ত্রীবিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দামজাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

খুলনা সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন

খুলনা প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৭ নভেম্বর ২০২৬, ৫:২১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ভোরের আকাশ
ভোরের আকাশ

৭ই নভেম্বর, মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। ২০২৬ সালে এসে মনে পড়ে ২০২৪ সালের ৫ই আগস্টের ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের কথা।

১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর ফ্যাসিবাদ ও একদলীয় অপশাসন থেকে যেভাবে দেশ রা পেয়েছিল, একইভাবে চব্বিশের আগস্টেও ছাত্র-জনতার অভূতপূর্ব সংহতি দীর্ঘ পনেরো বছরের ফ্যাসিস্ট শাসন থেকে মুক্তি এনে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।
প্রশাসক শনিবার ৭ নভেম্বর দুপুরে নগর ভবনের শহিদ আলতাফ মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে এ মন্তব্য করেন। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষ্যে খুলনা সিটি কর্পোরেশন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

ঐতিহাসিক এই দিনে স্বাধীনতা সংগ্রামের মহান ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা এবং আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান’কে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় নীতি ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এই দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও গৌরবময়। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশে বহুদলীয় রাজনীতি পুনঃপ্রবর্তন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দেয়া এবং একদলীয় শাসনের অবসান ঘটান। রাজনীতিকে তিনি নিয়ে গিয়েছিলেন প্রান্তিক মানুষের কাছে। তাঁর খাল খনন কর্মসূচি, গ্রামীণ অর্থনীতি পুনরুদ্ধার এবং স্বনির্ভর বাংলাদেশের আদর্শ আজও আমাদের পথ দেখায়। অনুষ্ঠানে প্রশাসক ১৯৭৫ সালের সাতই নভেম্বর মাতৃভূমির স্বাধীনতা রায় রাজপথে নেমে আসা সেই অকুতোভয় সিপাহি এবং বীর জনতাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন।

কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ-এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহিফলে সচিব মো: রেজা রশীদ, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা, প্রধান পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবির উল জব্বার, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শরীফ শাম্মীউল ইসলাম প্রমুখ বক্তৃতা করেন ও উপস্থিত ছিলেন। কেসিসি’র কর্মকর্তা, কর্মচারী ও ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন

ঢাকায় ফিরেই কলকাতার শুটিং নিয়ে ব্যস্ত শাকিব

অনুষ্ঠানে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর রূহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন কেসিসি মসজিদের ইমাম হাফেজ মো: হাবিবুল্লাহ।

উল্লেখ্য, দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠান ছাড়াও নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দ্বীপ ও সড়কসমূহ পতাকা দ্বারা সজ্জ্বিতকরণ এবং ওয়ান্ডারল্যান্ড শিশু পার্ক ও লিনিয়র পার্কে শিশুদের বিনামূল্যে প্রবেশের সুযোগ রাখা হয়।

ভোরের আকাশ/ এনউব

শেয়ার করুন: