জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে টিকাদানে সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান কেসিসি প্রশাসকের

জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) টিকা গ্রহণে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। এ ক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শ্রেণিকক্ষ, মসজিদের খুতবা ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে মানুষকে সচেতন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে খুলনা নগরীর শেরেবাংলা রোডে নগর স্বাস্থ্য ভবনে প্রধান শিক্ষক ও ধর্মীয় নেতাদের সমন্বয়ে আয়োজিত এক অ্যাডভোকেসি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ইউনিসেফের সহযোগিতায় কেসিসির স্বাস্থ্য বিভাগ এ সভার আয়োজন করে।
সভায় নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, বিভিন্ন সময়ে মানুষ মানবিক বিপর্যয়ের মুখোমুখি হচ্ছে। কোভিড-১৯, হাম-রুবেলা ও সাম্প্রতিক ডেঙ্গুতে অনেক পরিচিত মানুষকে হারাতে হয়েছে। এসব বিপর্যয় থেকে জনসাধারণকে রক্ষায় কেসিসি সাধ্যমতো প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
তিনি টিকা গ্রহণের বিষয়ে ব্যাপক সচেতনতা তৈরির ওপর গুরুত্ব দিয়ে উপস্থিত শিক্ষক ও ইমামদের প্রতি আহ্বান জানান, তাঁরা যেন শ্রেণিকক্ষ, মসজিদের খুতবা ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে মানুষকে সময়মতো টিকা গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করেন। একই সঙ্গে টিকাদান কার্যক্রম শতভাগ সফল করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।
সভায় জানানো হয়, জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ২০২৫ সালের জুলাই থেকে নিয়মিত সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচিতে (ইপিআই) এইচপিভি টিকা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. নুরুল ইসলাম ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক মুহাম্মদ মুহীউদ্দিন মজুমদার।
সভা পরিচালনা করেন কেসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শরীফ শাম্মিউল ইসলাম। এতে খুলনা মহানগরীর বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও কওমি মাদ্রাসার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
ভোরের আকাশ/সু.পা