শিরোনাম
নয়াপল্টনের সমাবেশে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণসড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-আহতরা পাবেন ১-৫ লাখ টাকা, আবেদন যেভাবেসৌদিতে প্রাণঘাতী সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত ৭ বাংলাদেশিডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৫৫মার্কিন ভিসা নিয়ে সতর্ক করলো দূতাবাসসিপাহি-জনতার বিপ্লবে অপশক্তি পরাভূত হয়েছিল : প্রধানমন্ত্রীবিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দামজাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীনয়াপল্টনের সমাবেশে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণসড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-আহতরা পাবেন ১-৫ লাখ টাকা, আবেদন যেভাবেসৌদিতে প্রাণঘাতী সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত ৭ বাংলাদেশিডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৫৫মার্কিন ভিসা নিয়ে সতর্ক করলো দূতাবাসসিপাহি-জনতার বিপ্লবে অপশক্তি পরাভূত হয়েছিল : প্রধানমন্ত্রীবিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দামজাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

বিএনপি নেতা ফারুক হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ভোরের আকাশ
ভোরের আকাশ

দীর্ঘ ১৩ বছর পর টাঙ্গাইলের দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের তিন বারের সাবেক চেয়ারম্যান ও টাঙ্গাইল সদর থানা বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম ফারুক হত্যা মামলায় রায়ে ৩ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৪ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার(২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো: ফয়সাল আল মামুন এ দণ্ডাদেশ দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, টাঙ্গাইল শহরের কলেজপাড়া এলাকার সাবেক সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খানের ছেলে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পা, সদর উপজেলার কাগমারা এলাকার আফজাল ফকিরের ছেলে মো. আজাদ ও দ্যাইনা এলাকার শহীদ মিয়ার ছেলে শাহজাহান। এরা সবাই পলাতক রয়েছে।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার যোগনী এলাকার লতিফ মিয়ার ছেলে মো. সুজন, দ্যাইনা এলাকার রওশন আলীর ছেলে ছানোয়ার হোসেন, চর কাগমারা এলাকার মো. নুরুল ইসলামের ছেলে শফিকুল ইসলাম, ছিটকী বাড়ি এলাকার নুর বক্সের ছেলে রুজবেল।

এ ছাড়া মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের এক লাখ টাকা ও যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তদের ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। অনাদায়ে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছে আদালত।

এ এছাড়া মামলায় অপর একজন দ্যাইনা এলাকার অমূল্য ঘোষের ছেলে সঞ্জিত ঘোষকে খালাস দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

ব্যবসায়ীকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা, লবণ ধ্বংস

আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. সাইদুর রহমান স্বপন জানান, রফিকুল ইসলাম টাঙ্গাইল শহরে আকুরটাকুর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। ২০১৩ সালের ২০ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ৬টার দিকে তিনি প্রাতর্ভ্রমণে বের হন। আকুরটাকুর বটতলা বাজার এলাকায় পৌঁছালে একদল সন্ত্রাসী তাঁকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করে। পরে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনার পরদিন তাঁর ছোট ভাই লাভলু মিয়া বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে ৮ জনের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ১৩ আগস্ট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন তৎকালীন জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা অশোক কুমার সিংহ। গোয়েন্দা পুলিশের অভিযোগ পত্রের বিরুদ্ধে মামলার বাদী লাভলু মিয়া আদালতে নারাজি আবেদন করেন। পরে আদালতের নির্দেশে সিআইডি মামলাটি পুনরায় তদন্তের দায়িত্ব পায়।

তিনি আরো জানান, তদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ২৯ এপ্রিল টাঙ্গাইল সিআইডির পরিদর্শক রফিক উদ্দিন আহম্মেদ আবার অভিযোগপত্র জমা দেন। এ অভিযোগপত্রেও আগের ৮ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। পরে টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলাটির অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচারিক কাজ শুরু হয়। সমস্ত সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে সোমবার বিচারক এ রায় ঘোষণা করেন।

ভোরের আকাশ/ এনউব

শেয়ার করুন: