শিরোনাম
জাপান সফর শেষে দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানঅনলাইন সহিংসতার শিকার ৪৫.৫ শতাংশ নারী, পুলিশের সহায়তা নেন ৪.৬ শতাংশমহামান্য রাষ্ট্রপতির সঙ্গে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎরূপপুরের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরুর অনুমোদনচিকিৎসায় খরচ করে দারিদ্র্যসীমার নিচে ১ কোটি ৮ লাখ মানুষ: গবেষণাআমরা অবশ্যই এই ভোট নিয়ে সন্তুষ্ট: ইসি সচিবসরকারি চুক্তিভিত্তিক চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্তচার বছরে ২ কোটি ৪০ লাখ কৃষক কার্ড দেবে সরকারজাপান সফর শেষে দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানঅনলাইন সহিংসতার শিকার ৪৫.৫ শতাংশ নারী, পুলিশের সহায়তা নেন ৪.৬ শতাংশমহামান্য রাষ্ট্রপতির সঙ্গে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎরূপপুরের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরুর অনুমোদনচিকিৎসায় খরচ করে দারিদ্র্যসীমার নিচে ১ কোটি ৮ লাখ মানুষ: গবেষণাআমরা অবশ্যই এই ভোট নিয়ে সন্তুষ্ট: ইসি সচিবসরকারি চুক্তিভিত্তিক চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্তচার বছরে ২ কোটি ৪০ লাখ কৃষক কার্ড দেবে সরকার

হবিগঞ্জে শাশুড়িকে হত্যা মামলায় জামাতার যাবজ্জীবন

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৬:০৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
হবিগঞ্জে শাশুড়িকে হত্যা মামলায় জামাতার যাবজ্জীবন
হবিগঞ্জে শাশুড়িকে হত্যা মামলায় জামাতার যাবজ্জীবন

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে শাশুড়ি জাহানারা বেগমকে হত্যার দায়ে জামাতা অলিউর রহমান অলিকে (৪২) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-১ আদালতের বিচারক কাঁকন দে এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত অলিউর রহমান অলি মাধবপুর উপজেলার তুলশীপুর (অলিপুর) গ্রামের মো. ইউনুছ আলীর ছেলে। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আদালতের স্টেনোগ্রাফার মো. মুখলেছুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৯ মে সকালে স্বর্ণালংকার কেনার কথা বলে শাশুড়ি জাহানারা বেগমকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে বের হন জামাতা অলি। এরপর থেকেই জাহানারা বেগম নিখোঁজ ছিলেন। নিখোঁজের তিন দিন পর, ১ জুন চুনারুঘাটের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের ওয়াচ টাওয়ারের দক্ষিণ পাশের একটি বেতবাগান থেকে এক নারীর গলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পরদিন পত্রিকায় প্রকাশিত ছবি ও সংবাদ দেখে মরদেহটি নিজের মায়ের বলে শনাক্ত করেন জাহানারা বেগমের ছেলে মিজানুর রহমান। এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে অলিউর রহমানকে একমাত্র আসামি করে চুনারুঘাট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

আরও পড়ুন

খুলনায় বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ আশিক গ্রুপের দুই সদস্য গ্রেপ্তার

মামলার তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ১৪ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় ২১ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ ও জেরা শেষে আদালত এই রায় দেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. গুলজার আহমেদ খান। রায় শেষে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘১৬ জনের সাক্ষ্য, আসামির নিজের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি এবং ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া আলামতের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপক্ষ জামাতার বিরুদ্ধে আনা অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। এই রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হলো।’

ভোরের আকাশ/আ.র

শেয়ার করুন: