শিরোনাম
অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে : জাতিসংঘে আইরিন খানস্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মাধ্যমেই সুস্থ প্রজন্ম গড়ে ওঠে: মীর শাহে আলমফের দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের গোলাবর্ষণবিদ্যুৎখাতে লুটপাট করতেই দায় মুক্তির আইন পাস করেছিল আ.লীগ: রিজভীসিইসির সঙ্গে বৈঠকে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রতিনিধি দলযুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের আগে ভিসার নিয়মকানুন জেনে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে দেশটির দূতাবাসনাগরিক না হয়েও নির্বাচনে ভোট দেয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি যুবকের বিরুদ্ধে মামলারপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীঅর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে : জাতিসংঘে আইরিন খানস্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মাধ্যমেই সুস্থ প্রজন্ম গড়ে ওঠে: মীর শাহে আলমফের দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের গোলাবর্ষণবিদ্যুৎখাতে লুটপাট করতেই দায় মুক্তির আইন পাস করেছিল আ.লীগ: রিজভীসিইসির সঙ্গে বৈঠকে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রতিনিধি দলযুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের আগে ভিসার নিয়মকানুন জেনে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে দেশটির দূতাবাসনাগরিক না হয়েও নির্বাচনে ভোট দেয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি যুবকের বিরুদ্ধে মামলারপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

পাহাড়ি বৈদ্যের কাছে চিকিৎসা নিতে এসে, রাঙামাটিতে অব. ক্যাপ্টেনের মৃত্যু

রাঙামাটি প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২২ আগস্ট ২০২৬, ৮:৫৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : প্রতীকি
ছবি : প্রতীকি

পারিবারিক কলহের সমাধানে সূদূর ঢাকা থেকে রাঙামাটিতে এসে বৈদ্যর সাথে দেখা করার পর গুরুত্বর অসুস্থ হয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। 

মৃত ব্যক্তি একজন অবরসপ্রাপ্ত জাহাজ ক্যাপ্টেন বলে পারিবারিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। নিহতের মরদেহ রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত ব্যক্তি এম. এ. হোসাইন আজকারী (৬০)। তিনি অবসরপ্রাপ্ত জাহাজের ক্যাপ্টেন বলে জানা গেছে।

মৃত্যু সনদ ও সংশ্লিষ্ট নথি অনুযায়ী, এম. এ. হোসাইন আজকারী মৃত আব্দুস সাত্তার ও মৃত হোসনে আরা বেগমের ছেলে। তাঁর ঠিকানা রামপুর সওদাগর বাড়ি, ১৭ নম্বর ওয়ার্ড, ফেনী সদর, ফেনী হলেও তারা দুই ভাই ঢাকা থেকে রাঙামাটিতে এসেছেন বলে জানাগেছে।

পুলিশ ও হোটেল সূত্রে জানা যায়, এম. এ. হোসাইন আজকারী তাঁর বড় ভাই এম. এ. হাছাইন মাশরাকী, যিনি অবসরপ্রাপ্ত কাস্টমস গোয়েন্দা কর্মকর্তা, তাঁর সঙ্গে শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকার পান্থপথ থেকে শ্যামলী এন. আর. ট্রাভেলসের বাসযোগে রাঙামাটিতে আসেন। শনিবার সকাল আনুমানিক সাড়ে ৭টার দিকে তাঁরা শহরের দোয়েল চত্বরসংলগ্ন হোটেল স্কয়ার পার্কের ৪১৭ নম্বর কক্ষে ওঠেন।

পরে সকাল ১০টার দিকে দুই ভাই হোটেল থেকে বের হয়ে পাশের একটি রেস্টুরেন্টে নাশতা করেন। এরপর পারিবারিক সমস্যার চিকিৎসার জন্য তাঁরা আসামবস্তিস্থ স্থানীয় স্বপন কবিরাজের বাসায় যান। সেখানে কিছুক্ষণ অবস্থানের পর দুপুর আনুমানিক আড়াইটার সময় তাঁরা আবার হোটেলে ফিরে আসেন।

হোটেলে ফেরার পর বেলা সোয়া তিনটার সময় এম. এ. হোসাইন আজকারী অসুস্থ বোধ করলে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে বিষয়টি হোটেল কর্তৃপক্ষকে জানান সঙ্গে থাকা বড় ভাই। পরে হোটেলের কর্মীরা দ্রুত একটি সিএনজি অটোরিকশায় করে তাঁকে রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে পাঠান। হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন।

রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শওকত আকবর খান জানান, রোগী হাসপাতালে আনার আগেই মারা গিয়েছিলেন। হাসপাতালে আনার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, নিহতের সঙ্গে থাকা তাঁর বড় ভাই এম. এ. হাছাইন মাশরাকীর আচরণ ও কথাবার্তা সন্দেহজনক মনে হওয়ায় বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।

রাঙামাটি কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জসিমউদ্দিন বলেন, একজন পর্যটকের মৃত্যুর বিষয়টি তাঁরা জানতে পেরেছেন। ওই ব্যক্তি হোটেল স্কয়ার পার্কে উঠেছিলেন। পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। মরদেহের ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পাশাপাশি ঘটনার সার্বিক বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং নিহতের বাড়িসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন

২০ আগস্টকে ‘নদী ভাঙন প্রতিরোধ সংগ্রাম দিবস’ ঘোষণার দাবি

হোটেল স্কয়ার পার্কের স্বত্বাধিকারী নেয়াজ আহমেদ বলেন, তাঁরা শনিবার সকালে ঢাকা থেকে হোটেলে আসেন এবং লাগেজ রেখে বাইরে চলে যান। পরে হোটেলে ফিরে এসে নিহতের ভাই জানান, তাঁর ভাই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তখন হোটেলের কর্মীরা দ্রুত তাঁকে গাড়িতে তুলে রাঙামাটি হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন।

বর্তমানে এম. এ. হোসাইন আজকারীর মরদেহ রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। সদর ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর আশেকীনসহ পুলিশের সংশ্লিষ্ট সদস্যরা ঘটনাটি তদন্ত করছেন। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট্যরা।

ভোরের আকাশ/রই
 

এম. এ. হোসাইন আজকারী

শেয়ার করুন: