বৃদ্ধা মাকে হত্যা করে ঘরে পুঁতে রাখার অভিযোগ

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া গ্রামে বৃদ্ধা মাকে হত্যা করে শোবার ঘরের মাটির নিচে পুঁতে রাখার অভিযোগ উঠেছে ছেলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার পর অভিযুক্ত ছেলে পলাতক রয়েছেন। বুধবার (৪ জুন) রাত ১২টা ১০ মিনিটে কিশোরগঞ্জ থানা পুলিশ ঘরের মাটি খুঁড়ে ওই নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত মারুফা বেগম (৬০) ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের মৃত আশরাফ আলীর স্ত্রী। অভিযুক্ত ছেলে মো. জুয়েল (৩৫) পেশায় ভ্যানচালক।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, প্রায় চার থেকে পাঁচ দিন আগে জুয়েল তার মাকে হত্যা করে নিজ শোবার ঘরের মাটির নিচে পুঁতে রাখেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এদিকে নিহতের ছোট ছেলে লাবিন (৩০), যিনি একটি গার্মেন্টসে কর্মরত, ঈদের ছুটিতে বাড়িতে এসে পরিবারের সদস্যদের কাউকে না পেয়ে সন্দেহ করেন। পরে বড় ভাইয়ের শোবার ঘরের মাটিতে ফাটল এবং বিছানায় রক্তের দাগ দেখতে পান।
এ ঘটনায় সন্দেহ হলে তিনি পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে কিশোরগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বুধবার গভীর রাতে শোবার ঘরের মাটি খুঁড়ে মারুফা বেগমের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
কিশোরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) লুৎফর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। তদন্ত শেষে হত্যার প্রকৃত কারণ জানা যাবে।”
পুলিশ অভিযুক্ত জুয়েলকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে।
ভোরের আকাশ/ইউএম