শিরোনাম
চালকের আচরণ ও গাড়ির ফিটনেসের কথা বললেই অনেকের গাত্রদাহ হয়: সড়কমন্ত্রীঅর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে : জাতিসংঘে আইরিন খানস্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মাধ্যমেই সুস্থ প্রজন্ম গড়ে ওঠে: মীর শাহে আলমফের দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের গোলাবর্ষণবিদ্যুৎখাতে লুটপাট করতেই দায় মুক্তির আইন পাস করেছিল আ.লীগ: রিজভীসিইসির সঙ্গে বৈঠকে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রতিনিধি দলযুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের আগে ভিসার নিয়মকানুন জেনে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে দেশটির দূতাবাসনাগরিক না হয়েও নির্বাচনে ভোট দেয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি যুবকের বিরুদ্ধে মামলাচালকের আচরণ ও গাড়ির ফিটনেসের কথা বললেই অনেকের গাত্রদাহ হয়: সড়কমন্ত্রীঅর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে : জাতিসংঘে আইরিন খানস্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মাধ্যমেই সুস্থ প্রজন্ম গড়ে ওঠে: মীর শাহে আলমফের দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের গোলাবর্ষণবিদ্যুৎখাতে লুটপাট করতেই দায় মুক্তির আইন পাস করেছিল আ.লীগ: রিজভীসিইসির সঙ্গে বৈঠকে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রতিনিধি দলযুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের আগে ভিসার নিয়মকানুন জেনে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে দেশটির দূতাবাসনাগরিক না হয়েও নির্বাচনে ভোট দেয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি যুবকের বিরুদ্ধে মামলা

পিরোজপুর

ব্যস্ত সময় যাচ্ছে মুড়িপল্লীর শ্রমিক ও ব্যবসায়ীর

পিরোজপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৫ মার্চ ২০২৬, ২:৫১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- ভোরের আকাশ
ছবি- ভোরের আকাশ

দক্ষিণাঞ্চলে মুড়ি উৎপাদনে পিরোজপুর একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা হিসেবে পরিচিত। এখানকার হাতে ভাজা মুড়ি কেমিক্যালমুক্ত ও সুস্বাদু হওয়ায় পিরোজপুর ছাড়াও আশপাশের জেলাগুলোতে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। 

ব্যবসায়ীরা জানান, বিভিন্ন ধরনের ধান থেকে মুড়ি তৈরি হলেও মোটা ও চাপসাই ধানের মুড়িই সবচেয়ে সুস্বাদু হওয়ায় বাজারে এর কদর বেশি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সাধারণ সময়ে প্রতিদিন প্রায় ৩ হাজার মণ ধানের মুড়ি উৎপাদিত হলেও বর্তমানে তা দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে প্রায় সাড়ে ৬ হাজার মণে দাঁড়িয়েছে। এক মণ ধান থেকে গড়ে ২৪ কেজি মুড়ি উৎপাদন হয়।

বর্তমানে মেশিনে ভাজা মুড়ির পাইকারি মূল্য প্রতি কেজি ৮৫ থেকে ৯৫ টাকা, যা খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১১০ টাকায়। অন্যদিকে হাতে ভাজা মুড়ির পাইকারি মূল্য ১০৮ থেকে ১১০ টাকা এবং খুচরা বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে ১২৫ থেকে ১৩০ টাকায়।

রমজান উপলক্ষে মুড়ির চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মুড়ি তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন শ্রমিকরা। ব্যবসায়ীরা জানান, এখানে মুড়ি তৈরিতে সার বা কোনো ধরনের কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয় না। সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে লবণপানি দিয়ে মুড়ি তৈরি করা হয়। ফলে মুড়ির মান ভালো থাকায় পিরোজপুর ছাড়াও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় এর চাহিদা রয়েছে।

পিরোজপুর জেলা ব্যাবসায়ী   সমিতির সাধারন সম্পাদক আহসানুল কবীর বলেন, “মুড়ি উৎপাদনে যাতে কোনো ধরনের কেমিক্যাল ব্যবহার না হয়, সে বিষয়ে আমরা কঠোর নজরদারি রাখছি। পিরোজপুর জেলায় প্রায় ২০টি মুড়ি মিল ও শতাধিক ব্যক্তি প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৬ হাজার মণ ধানের মুড়ি উৎপাদন করছেন। রমজানজুড়ে এই চাহিদা আরও  বেড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ভোরের আকাশ/ র.ই


 

ব্যবসায়ীশ্রমিকআহসানুল কবীর

শেয়ার করুন: