উচ্চারণ একাডেমির দুই দিনব্যাপী উৎসবের সমাপ্তি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আমাদের বিশ্বকবি এবং কাজী নজরুল ইসলাম আমাদের জাতীয় কবি।
বিশ্বকবি ও জাতীয় কবি বাংলাদেশের বাংলা ভাষাভাষী মানুষের সুখ, দুঃখ, আনন্দ, বেদনা, প্রেম, ভালোবাসা, দ্রোহ, বিদ্রোহ, আন্দোলন ও সংগ্রামে প্রেরণা আর সাহসের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
যেকোনো উৎসব, আনন্দ এবং সংগ্রামের বিজয়ের বার্তা বহন করে আনে তাঁদের মর্মবাণী। এই দুই বরেণ্য মানুষকে নিয়ে 'উচ্চারণ একাডেমি'।
প্রতিবছর বিভিন্ন মাত্রার অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে। সেই ধারাবাহিকতায় গত শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে উচ্চারণ একাডেমির শিশুশিল্পীদের কণ্ঠে রবীন্দ্রসঙ্গীত ও নজরুল সঙ্গীতের মাধ্যমে এবার ২৬-এর পুরস্কার ও সার্টিফিকেট বিতরণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী আয়োজন "রবীন্দ্র-নজরুল উৎসব-২০২৬” অনুষ্ঠিত হয় ।
উৎসবে সভাপতিত্ব করেন উচ্চারণ একাডেমির প্রধান উপদেষ্টা দৈনিক করতোয়ার সম্পাদক মোজাম্মেল হক। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বগুড়া সদর আসনের সংসদ সদস্য মো: রেজাউল করিম বাদশা। উৎসবের উদ্বোধন করেন পল্লী উন্নয়ন একাডেমির মহাপরিচালক ড. আব্দুল মজিদ প্রামাণিক।
বিশেষ অতিথি ছিলেন দৈনিক ভোরের আকাশ পত্রিকার প্রধান সম্পাদক মো. জাহের উদ্দিন সরকার, বগুড়া প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কালাম আজাদ, বগুড়া আর্টস অ্যান্ড কালচারাল একাডেমির অধ্যক্ষ মো: আব্দুল হান্নান, বগুড়া সাংস্কৃতিক ফোরামের প্রধান সম্বনয়কারী কে এম খাইরুল বাশার, উচ্চারণ একাডেমির প্রধান সম্বনয়কারী আতিকুর রহমা মিঠু, উচ্চারণ একাডেমির উপদেষ্টা তাহমিনা পারভীন শ্যামলী এবং মো. নাহিদ হাসান মিতু।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উচ্চারণ একাডেমির পরিচালক এড. পলাশ খন্দকার। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পরপরই শুরু হয় প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ এবং সকল অংশগ্রহণকারী প্রতিযোগীদের সার্টিফিকেট প্রদান পর্ব। এরপর উচ্চারণ একাডেমির শিশুশিল্পীরা রবীন্দ্র-নজরুল সঙ্গীত, আবৃত্তি ও নৃত্য পরিবেশন করে।
সবশেষে উচ্চারণ একাডেমির নাট্য প্রশিক্ষণ ক্লাসের অভিনয় শিল্পী শতরূপা স্যান্যাল অথৈ, উম্মে কুলসুম চৌধুরী উত্তরা ও সৈয়দ মিরকাতুল মাহাদীর সমাপ্তি পরিবেশনায় পলাশ খন্দকারের রচনা এবং খন্দকার শাফায়াত আনানের নির্দেশনায় শিশু-কিশোর নাটক "আনন্দলোকে মঞ্চস্থ হয়। এই নাটক মঞ্চায়নের মধ্য দিয়েই উচ্চারণ একাডেমির দুই দিনব্যাপী রবীন্দ্র- নজরুল উৎসবের সমাপ্তি ঘটে।
ভোরের আকাশ/ র.ই