শিরোনাম
অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে : জাতিসংঘে আইরিন খানস্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মাধ্যমেই সুস্থ প্রজন্ম গড়ে ওঠে: মীর শাহে আলমফের দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের গোলাবর্ষণবিদ্যুৎখাতে লুটপাট করতেই দায় মুক্তির আইন পাস করেছিল আ.লীগ: রিজভীসিইসির সঙ্গে বৈঠকে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রতিনিধি দলযুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের আগে ভিসার নিয়মকানুন জেনে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে দেশটির দূতাবাসনাগরিক না হয়েও নির্বাচনে ভোট দেয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি যুবকের বিরুদ্ধে মামলারপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীঅর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে : জাতিসংঘে আইরিন খানস্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মাধ্যমেই সুস্থ প্রজন্ম গড়ে ওঠে: মীর শাহে আলমফের দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের গোলাবর্ষণবিদ্যুৎখাতে লুটপাট করতেই দায় মুক্তির আইন পাস করেছিল আ.লীগ: রিজভীসিইসির সঙ্গে বৈঠকে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রতিনিধি দলযুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের আগে ভিসার নিয়মকানুন জেনে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে দেশটির দূতাবাসনাগরিক না হয়েও নির্বাচনে ভোট দেয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি যুবকের বিরুদ্ধে মামলারপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

রঙতুলি পেশায় সফলতা ও পূর্ণতা পেয়েছেন আশরাফুল বারী

সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২ আগস্ট ২০২৬, ৬:১৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

রঙতুলির প্রতি অসীম ভালোবাসা ও গভীর আগ্রহ থেকেই কমার্শিয়াল আর্টিস্ট (রঙতুলি শিল্পী) পেশায় যুক্ত হয়েছেন আশরাফুল বারী। ১৯৯২ সাল থেকে তিনি সখীপুর ও আশপাশের এলাকায় কাপড়ের ব্যানার, স্টিলের সাইনবোর্ডসহ বিভিন্ন মাধ্যমে রঙতুলি দিয়ে নান্দনিক লেখনী তৈরি করে আসছেন। প্রযুক্তির পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বর্তমানে তিনি ডিজিটাল ও পিভিসি প্রিন্টিং সেবাও যুক্ত করেছেন।

সখীপুর বাজারে তাঁর ‘দিগন্ত আর্ট অ্যান্ড প্রিন্টিং প্রেস’ নামে প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এখানে পোস্টার, হ্যান্ডবিল, ভিজিটিং কার্ড, ক্যাশ মেমো, প্যাড, স্টিকার, পিভিসি ব্যানার, সাইনবোর্ড, ক্যালেন্ডার, রশিদ বই, দাওয়াতপত্র, টি-শার্ট, মগ ও ক্রেস্ট প্রিন্টসহ বিভিন্ন ধরনের কাজ করা হয়। এই পেশার আয় দিয়েই তিনি পরিবার পরিচালনা করছেন।

আশরাফুল বারীর বাড়ি সখীপুর উপজেলার কালিয়া ইউনিয়নের সাড়াশিয়া বড়বাইদপাড়া গ্রামে। পরিবারে স্ত্রী ও দুই কন্যাসন্তান রয়েছে। সখীপুরবাসীর কাছে তিনি একজন দক্ষ রঙতুলি শিল্পী হিসেবে পরিচিত।

আশরাফুল বারী বলেন, ১৯৯২ সাল থেকে এ পেশায় আছি। তখন ডিজিটাল ব্যানার ছিল না। কাপড়ের ব্যানার, প্ল্যাকার্ড, ফেস্টুন ও স্টিলের সাইনবোর্ডে রঙতুলি দিয়ে লেখাই ছিল মূল কাজ। এখনও রঙতুলির প্রতি আমার ভালোবাসা আগের মতোই রয়েছে। গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী যত্নসহকারে কাজ করার চেষ্টা করি।

আরও পড়ুন

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে সিরাজদিখানে জামায়াতের বিক্ষোভ

খান প্লাজার স্বত্বাধিকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোশারফ হোসেন খান বলেন, ডিজিটাল ব্যানারের আগে রঙতুলি দিয়ে লেখা সাইনবোর্ডের আলাদা সৌন্দর্য ছিল। হাতে লেখা ব্যানার ও স্টিলের সাইনবোর্ড আমার কাছে বেশ পছন্দের ছিল।

মহানন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা ইউনুস আলীম বলেন, এখন ডিজিটাল ব্যানার ব্যবহার করলেও রঙতুলিতে লেখা ব্যানার ও সাইনবোর্ডের সৌন্দর্য এখনও আমাকে মুগ্ধ করে।

ভোরের আকাশ/এনউব

আশরাফুল বারী

শেয়ার করুন: