শিরোনাম
ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলারঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলারঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠক

ধামরাইয়ের অষ্টধাতুর দুর্গা প্রতিমা নজর কাড়ছে সবার

সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১ অক্টোবর ২০২৫, ৩:৫৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

ধামরাইয়ের ঐতিহ্যবাহী বণিকবাড়ি মানেই নতুন কিছু। এবার ভিন্ন ভাবে ৮ ফুট ১ ইঞ্চি উচ্চতার ৫২০ কেজি ওজনের অষ্টধাতুর দেবী দুর্গার মূর্তি তৈরি  করে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।অষ্টধাতু দিয়ে তৈরি এটি দেশের সবচেয়ে বড় প্রতিমা বলে দাবি করেছেন এর কারিগরা। 

তাইতো এইবার পূজায় ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে দেবী দুর্গা প্রতিমা।অষ্টধাতুর ওই দুর্গাকে দেখতে দেখতে দূর দূরান্ত থেকে ছুটে আসছে লোকজন। বণিক বাড়ির শত বছরের পুজোর ঐতিহ্যে এ বার যেন নতুন চমক।

জানা গেছে, ধামরাইয়ের বণিক পরিবার শত বছরের ঐতিহ্য বহন করে আসছে। তাদের পারিবারিক ব্যবসা মূলত তামা, কাঁসা ও পিতল শিল্পকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। সেই ধারাবাহিকতায় সুকান্ত বণিকের উদ্যোগে ২০১৭ সালে তৈরি হয় অষ্টধাতুর দুর্গা প্রতিমা। এতে ব্যবহার করা হয়েছে তামা, কাঁসা, সোনা, রুপা, পারদ, দস্তা ও রাংসহ মোট আট ধরনের ধাতু। প্রায় এক বছরের শ্রমে তৈরি এ প্রতিমার উচ্চতা ৮ ফুট। দেবী দুর্গার পাশাপাশি লক্ষ্মী, সরস্বতী, গণেশ ও কার্তিকের মূর্তিও রয়েছে এতে।

প্রতিমার বিশেষত্ব আর বণিকবাড়ির নান্দনিক কারুকাজ দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করছে। পূজোর পাঁচ দিন সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য বণিকবাড়ি ও পূজামণ্ডপ উন্মুক্ত রাখা হয়, তাই ভিড় জমছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষজন।

আশুলিয়ার মাধবী চক্রবর্তী পরিবার নিয়ে এসেছিলেন এখানে। তিনি বলেন, “আমি প্রতি বছরই দুর্গাপূজায় ধামরাইয়ের বণিকবাড়িতে আসি। এখানে মূলত পূজার পাঁচ দিন সবাই প্রবেশ করতে পারে। বাড়িটিতে রয়েছে নান্দনিক কারুকাজ, নটরাজসহ বিভিন্ন দেব-দেবীর কাঁসা ও পিতলের প্রতিমা। তাই এখানে এসে অনেক ভালো লাগে।”

গাজীপুর থেকে পরিবার নিয়ে আসা দর্শনার্থী সুমন বলেন, “ধামরাইয়ের বণিকবাড়ির প্রতিমাটি ব্যতিক্রম। এখানে দুর্গা, গণেশ, লক্ষ্মী, সরস্বতীর প্রতিমা অষ্টধাতুর তৈরি এবং সেগুলোতেই পূজা করা হয়। অন্য মণ্ডপের প্রতিমা বিসর্জন হলেও এখানে প্রতিমা বিসর্জন হয় না; সারাবছরই দেবী দুর্গা মণ্ডপে স্থায়ীভাবে রাখা থাকে।”

ধামরাই বণিকবাড়ির প্রধান ও ধামরাই মেটাল ক্রাফটসের স্বত্বাধিকারী সুকান্ত বণিক জানান, “আমাদের বণিক পরিবারের দুর্গাপূজা চলছে একশ বছরেরও বেশি সময় ধরে। আগে পূজা হতো বাড়ির পাশের রাস্তায় প্যান্ডেল করে। এখন বাড়ির ভেতরে নিয়ে এসেছি এবং অষ্টধাতুর প্রতিমা দিয়ে পূজা করছি।

আমাদের পরিবার ২০০ বছর ধরে তামা-কাঁসার শিল্পের সঙ্গে জড়িত। আমরা হাতি, ঘোড়া ও বিগ্রহ তৈরি করি। আগে মাটির প্রতিমা দিয়ে পূজা হলেও লোকবল কমে যাওয়ায় তা কঠিন হয়ে পড়েছিল। তাই অষ্টধাতুর প্রতিমা তৈরি করে পূজা শুরু করি।”

ভোরের আকাশ/মো.আ.

নজর কাড়ছে সবারপ্রতিমাশারদীয় দুর্গাপূজাগাজীপুর

শেয়ার করুন: