শিরোনাম
চালকের আচরণ ও গাড়ির ফিটনেসের কথা বললেই অনেকের গাত্রদাহ হয়: সড়কমন্ত্রীঅর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে : জাতিসংঘে আইরিন খানস্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মাধ্যমেই সুস্থ প্রজন্ম গড়ে ওঠে: মীর শাহে আলমফের দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের গোলাবর্ষণবিদ্যুৎখাতে লুটপাট করতেই দায় মুক্তির আইন পাস করেছিল আ.লীগ: রিজভীসিইসির সঙ্গে বৈঠকে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রতিনিধি দলযুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের আগে ভিসার নিয়মকানুন জেনে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে দেশটির দূতাবাসনাগরিক না হয়েও নির্বাচনে ভোট দেয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি যুবকের বিরুদ্ধে মামলাচালকের আচরণ ও গাড়ির ফিটনেসের কথা বললেই অনেকের গাত্রদাহ হয়: সড়কমন্ত্রীঅর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে : জাতিসংঘে আইরিন খানস্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মাধ্যমেই সুস্থ প্রজন্ম গড়ে ওঠে: মীর শাহে আলমফের দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের গোলাবর্ষণবিদ্যুৎখাতে লুটপাট করতেই দায় মুক্তির আইন পাস করেছিল আ.লীগ: রিজভীসিইসির সঙ্গে বৈঠকে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রতিনিধি দলযুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের আগে ভিসার নিয়মকানুন জেনে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে দেশটির দূতাবাসনাগরিক না হয়েও নির্বাচনে ভোট দেয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি যুবকের বিরুদ্ধে মামলা

দুর্ভোগে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী

টঙ্গীতে জলাবদ্ধতায় শিলমুন আঃ হাকিম মাষ্টার উচ্চ বিদ্যালয়ে যাওয়ার রাস্তার নাজুক অবস্থা

গাজীপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৮ মে ২০২৬, ৯:০৭ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ৪৭ ওয়ার্ডস্থ টঙ্গীর শিলমুন আঃ হাকিম মাষ্টার উচ্চ বিদ্যালয়ে যাওয়ার রাস্তাটি দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা, পথচারী ও শিক্ষার্থীরা। সড়কের দুই পাশে অপরিকল্পিতভাবে বিল্ডিং নির্মাণ এবং কালভার্টের মুখ ভরাট হয়ে যাওয়ার কারণে সৃষ্টি হয়েছে স্থায়ী জলাবদ্ধতা। ফলে সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়কটি কাদা ও ময়লাপানিতে তলিয়ে যায় এবং চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিলমুন আঃ হাকিম মাষ্টার উচ্চ বিদ্যালয়ে যাওয়ার ডা. মোস্তফা কামাল রোড এবং পাশের অপর রাস্তাটি ও নাজুক অবস্থা, প্রতিদিন হাজার হাজার ছাত্র ছাত্রী, শত শত মানুষ এই রাস্তা দিয়েই যাতায়াত করে। বিশেষ করে স্কুল ও কলেজগামী শিক্ষার্থীদের জন্য এটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সড়ক এবং এই স্কুলে ২টা ভোট কেন্দ্র রয়েছে,এলাকার মৃত ব্যাক্তিদের এই স্কুল মাঠে জানাজা আদায় করা হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে শিক্ষার্থীরা ও এলাকাবাসী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছেন। অনেক সময় কাদাপানিতে পিছলে পড়ে দুর্ঘটনার শিকারও হতে হচ্ছে পথচারীদের।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, সড়কের দুই পাশে ভবন নির্মাণের সময় যথাযথ পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখা হয়নি। ড্রেনের মুখ ভরাট এবং রাস্তা নিচু হয়ে যাওয়ায় বৃষ্টির পানি সহজে বের হতে পারে না। ফলে পুরো এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে এবং দিন দিন সড়কের অবস্থা আরও নাজুক হয়ে পড়ছে।

আরও পড়ুন

নতুন পে স্কেলে দ্বিগুণ হচ্ছে যাদের পেনশন

বাসিন্দা আলহাজ আহসান উল্লাহ জানান,  বিভিন্ন সময়ে সড়কে ইট ও খোয়া ফেলে সাময়িক সংস্কারের ব্যবস্থা করলেও কিছুদিন পর আবার নষ্ট হয়ে যায়। ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যেই সেগুলো ভেঙে কাদায় পরিণত হয়। এতে জনগণের দুর্ভোগের স্থায়ী কোনো সমাধান হয়নি।

স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকরা জানান, বর্ষা মৌসুম এলেই সড়কের দুর্ভোগ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে যেতে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হয়। অনেক সময় রিকশা বা মোটরসাইকেল চলাচলও বন্ধ হয়ে পড়ে।
এলাকাবাসী দ্রুত সড়কটির স্থায়ী সংস্কার ও পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের প্রত্যাশা,গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে সড়কটি পাকা ও চলাচলের উপযোগী করে জনদুর্ভোগ লাঘবে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।

ভোরের আকাশ/এনউব

দুর্ভোগে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী

শেয়ার করুন: