শেরপুরে পাটের ফলন ও দামে খুশি কৃষক

বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় এ বছর ১২০ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। কৃষকরা এবার খুব ভাল দাম পাচ্ছেন। অতিবৃষ্টিও আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় পাটের উৎপাদন ভাল হয়েছে। এমনকি খাল-বিল ও ডোবায় পর্যাপ্ত পানি থাকায় পাট জাগদিতেও সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়নি কৃষকদের।
কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর ১৬৪ হেক্টর জমি পাট চাষের জন্য লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল। কিন্তু অর্জিত হয়েছে ১২০ হেক্টরজমি। দেশী, তোষা, মেস্তা ও কেনাফ জাতের পাট চাষ করেছেন কৃষকরা।
স্থানীয় কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, সময়মত পরিচর্যা ও বিছা-মাকড়সা প্রতিরোধ করতে পেরেছি তাই পাটের ফলনঅনেক বেড়ে গেছে। এখন যেরকম দাম রয়েছে তা ভালই রয়েছে। পাটের দাম ভাল পেলে আগামীতে আরো বেশী জমিতে পাটেরচাষ করবো।
শালফা গ্রামের পাট চাষী দবির উদ্দিন বলেন , "প্রতি বছর পাট চাষ করি । এ বছর ২ বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছি। অনেকবছর বন্যার পানিতে পাট নষ্ট হয়ে যায়। এবার বন্যা না হওয়ায় ফলন ভাল হয়েছে।। সব মিলে খরচ হয়েছে ১৫ হাজার টাকাএবং উৎপাদন হয়েছে ৮ মণ। প্রতিমন পাট ৪ হাজার ১০০ টাকা দরে বিক্রি করেছি ।এতে ১৭ হাজার ৮০০ টাকা লাভ হয়েছে।"
সীমাবাড়ি ইউনিয়নের নলুয়া গ্রামের কৃষক মো. তোতা বলেন, "সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলার চান্দাইকোনা হাটে পাটেরদাম সবচেয়ে ভাল পাওয়া যায়। এছাড়াও আমাদের ইউনিয়নের সাথেই এ হাট বসে। এবার পাটের দাম ভাল পাওয়ায়চান্দাইকোনা হাটে পাট বিক্রি করতে এসেছি। পাটের এরকম দাম পেলে আগামী বছরে পাট চাষের জন্য জমির পরিমানবাড়াবো।"
শেরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ফারজানা আক্তার বলেন, "এবার এ উপজেলায় পাটের ফলন বেশ ভাল হয়েছে। কৃষকরা তাদের কাংখিত দাম পাচ্ছে । পাটচাষে আরও উৎসাহিত করলে পাট ও পাটজাত পন্যের ব্যাপক বিস্তৃতি ঘটবে বলে আমিমনে করি।"
ভোরের আকাশ/সু.পা