শিরোনাম
অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে : জাতিসংঘে আইরিন খানস্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মাধ্যমেই সুস্থ প্রজন্ম গড়ে ওঠে: মীর শাহে আলমফের দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের গোলাবর্ষণবিদ্যুৎখাতে লুটপাট করতেই দায় মুক্তির আইন পাস করেছিল আ.লীগ: রিজভীসিইসির সঙ্গে বৈঠকে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রতিনিধি দলযুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের আগে ভিসার নিয়মকানুন জেনে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে দেশটির দূতাবাসনাগরিক না হয়েও নির্বাচনে ভোট দেয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি যুবকের বিরুদ্ধে মামলারপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীঅর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে : জাতিসংঘে আইরিন খানস্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মাধ্যমেই সুস্থ প্রজন্ম গড়ে ওঠে: মীর শাহে আলমফের দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের গোলাবর্ষণবিদ্যুৎখাতে লুটপাট করতেই দায় মুক্তির আইন পাস করেছিল আ.লীগ: রিজভীসিইসির সঙ্গে বৈঠকে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রতিনিধি দলযুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের আগে ভিসার নিয়মকানুন জেনে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে দেশটির দূতাবাসনাগরিক না হয়েও নির্বাচনে ভোট দেয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি যুবকের বিরুদ্ধে মামলারপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ছাদ থেকে খসে পড়ছে পলেস্তারা, আতঙ্কে রোগী-স্বজন

চাঁদপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৬ জুলাই ২০২৬, ২:৪৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ভোরের আকাশ
ভোরের আকাশ

​চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভবনগুলোর বেহাল দশা সৃষ্টি হয়েছে। ছাদের বিভিন্ন স্থানে দেখা দিয়েছে বড় বড় ফাটল। খসে পড়ছে ছাদের পলেস্তারা ও সুরকি। মাথার ওপর ছাদ ভেঙে পড়ার আতঙ্কে চরম উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগী ও তাঁদের স্বজনরা। দ্রুত ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো সংস্কার করা না হলে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের প্রাণহানির আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

​৫০ শয্যার এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে শুধু ভবন সংকট বা ঝুঁকিই নয়, রয়েছে তীব্র চিকিৎসক ও জনবল সংকট। হাসপাতালে ৪০ জন চিকিৎসকের পদ থাকলেও বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ১৮ জন। ১৯২ জন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর জায়গায় আছেন ১১৬ জন। নার্স ও অ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসকের অভাবে বন্ধ রয়েছে সিজারিয়ান অপারেশন। নেই কোনো অ্যাম্বুলেন্স কিংবা এক্স-রে মেশিনসহ জরুরি চিকিৎসাসরঞ্জাম।

​সরেজমিনে দেখা যায়, মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ উপজেলার শত শত মানুষ এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন। সিট সংকটে অনেক রোগী ফ্লোরে থেকেই চিকিৎসা নিচ্ছেন।

​হাসপাতালের প্রথম ও দ্বিতীয় তলার ছাদের বিভিন্ন স্থানে ফাটল ধরেছে। সেখান থেকে প্রায়ই পলেস্তারা ও সুরকি খসে পড়ছে। ঝুঁকি এড়াতে এসব স্থান এড়িয়ে চলছেন রোগী ও দর্শনার্থীরা। তবে বাধ্য হয়ে যাতায়াতের সময় চরম আতঙ্ক কাজ করে সবার মধ্যে। শুধু রোগীরাই নন, এই আতঙ্কে রয়েছেন খোদ হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য কর্মচারীরাও।

​মতলব উত্তর উপজেলার ইন্দুরিয়া গ্রামের রোগী ছানাউল্লাহ বলেন, “মেয়েকে নিয়ে তিন দিন ধরে ভর্তি ছিলাম। দোতলা থেকে নামার সময় বারবার ছাদের দিকে তাকাতে হয়। মাঝেমধ্যেই সিমেন্ট ও সুরকির বড় অংশ খসে পড়ে। ভয়ে সুস্থ মানুষও এখানে অসুস্থ হয়ে যাবে।”

​বরদিয়া এলাকার রোগী শাহনাজ বেগম বলেন, “মানুষ হাসপাতালে আসে সুস্থ হতে, আর এখানে এসে আমরা ভয়ে থাকি কখন ছাদের পলেস্তারা মাথায় পড়ে। পর্যাপ্ত চিকিৎসা সরঞ্জাম নেই, তার ওপর ছাদের এই ঝুঁকি। দ্রুত ভবন সংস্কার ও প্রয়োজনীয় মেশিনপত্র সরবরাহের দাবি জানাচ্ছি।”

​পরিস্থিতি নিয়ে হাসপাতালে দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. রাজিব কিশোর বনিক জানান, ভবনের বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দেওয়ার বিষয়টি জনসাধরণকে সতর্ক করতে বিভিন্ন স্থানে লিফলেট টাঙানো হয়েছে। এর মধ্যেও চিকিৎসকরা নিয়মিত সেবা চালিয়ে যাচ্ছেন।

আরও পড়ুন

সার্ককে আরও গতিশীল করতে চায় বাংলাদেশ-মালদ্বীপ

​উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. গোলাম রায়হান বলেন, “হাসপাতালের পলেস্তারা ভেঙে পড়ার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। এছাড়া জনবল ও সরঞ্জামের সংকট রয়েছে। তবুও আমরা সাধ্যমতো সর্বোচ্চ সেবা দিয়ে যাচ্ছি।”

​এ বিষয়ে মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে. এম. ইশমাম জানান, হাসপাতালের ভবন ঝরে পড়ার বিষয়টি তিনি জেনেছেন। দ্রুত সময়ের মধ্যে ভবনগুলো সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হবে।

ভোরের আকাশ/ইউএম

চাঁদপুরউপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

শেয়ার করুন: