শিরোনাম
রোহিঙ্গা সংকট কেবল মানবিক সমস্যা নয়, এটি গভীর রাজনৈতিক ইস্যু: শামা ওবায়েদটিএসসি এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণে আটক ৩ জনের পরিচয় মিললরাজনৈতিক সমর্থন ব্যালটে, অফিসে নয়: কর্মকর্তাদের প্রধানমন্ত্রীমালিবাগ সিআইডি অফিসের পার্কিংয়ে ককটেল বিস্ফোরণবন্দরে পড়ে থাকা সাড়ে ৬ হাজার কনটেইনার ধ্বংসের উদ্যোগরাজধানীতে এবার স্কুল বাসে আগুনশেখ হাসিনার প্রতিটি হত্যার বিচার হবে: রিজভীপররাষ্ট্র সচিব হলেন সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরীরোহিঙ্গা সংকট কেবল মানবিক সমস্যা নয়, এটি গভীর রাজনৈতিক ইস্যু: শামা ওবায়েদটিএসসি এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণে আটক ৩ জনের পরিচয় মিললরাজনৈতিক সমর্থন ব্যালটে, অফিসে নয়: কর্মকর্তাদের প্রধানমন্ত্রীমালিবাগ সিআইডি অফিসের পার্কিংয়ে ককটেল বিস্ফোরণবন্দরে পড়ে থাকা সাড়ে ৬ হাজার কনটেইনার ধ্বংসের উদ্যোগরাজধানীতে এবার স্কুল বাসে আগুনশেখ হাসিনার প্রতিটি হত্যার বিচার হবে: রিজভীপররাষ্ট্র সচিব হলেন সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী

কলম্বিয়ায় সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা, নিহত ৩ সেনাসদস্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৮ নভেম্বর ২০২৬, ১:২১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

কলম্বিয়ার উত্তরাঞ্চলে একটি সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলায় তিন সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত আরও ১৬ জন।

দেশটির সশস্ত্র বাহিনী শনিবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

গ্রামাঞ্চলে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সহিংসতা বৃদ্ধির মধ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর সর্বশেষ এই হামলার ঘটনা ঘটল।

সামরিক বাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়, সান লুকাস পর্বতমালার পাদদেশে অবস্থিত ছোট শহর সান্তা রোসা দেল সুরের একটি সেনাঘাঁটিতে হামলাটি চালানো হয়। তবে কারা এই হামলা চালিয়েছে, তা রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিশ্চিত করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।

স্বর্ণখনিসমৃদ্ধ এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘাতের কেন্দ্র হয়ে রয়েছে। এসব গোষ্ঠীর মধ্যে রয়েছে- গালফ ক্ল্যান, ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (ইএলএন) এবং কলম্বিয়ার সাবেক বিপ্লবী সশস্ত্র বাহিনী (ফার্ক)-এর সাবেক সদস্যদের নেতৃত্বাধীন কয়েকটি ছোট সংগঠন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে হামলার পর সেনাঘাঁটির ওপর ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠতে দেখা গেছে। তিনটি বিস্ফোরণের পর সেনাসদস্যদের বালুর বস্তা দিয়ে তৈরি আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিতেও দেখা যায়।

কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আবেলার্দো দে লা এস্প্রিয়েলা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় হামলাকারীদের কঠোর পরিণতির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি বলেন, সেনাসদস্যদের ওপর প্রতিটি হামলা দেশের প্রতিরক্ষায় সরকারের সংকল্প আরও দৃঢ় করবে।

গত আগস্টে রক্ষণশীল রাজনীতিক দে লা এস্প্রিয়েলা ক্ষমতা গ্রহণের পর দেশটির কয়েকটি গ্রামীণ এলাকায় সহিংসতা বেড়েছে। তিনি বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে শান্তি আলোচনা বাতিল করে সামরিক অভিযান জোরদার করেছেন। বিভিন্ন শহরে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েনের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও জ্বালানি পাইপলাইন সুরক্ষায় যৌথ বাহিনী গঠন করা হয়েছে।

সরকারের অভিযোগ, আগের প্রশাসনের দেওয়া যুদ্ধবিরতির সুযোগ নিয়ে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো গ্রামাঞ্চলে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ শক্তিশালী করেছে। এসব এলাকায় তারা স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় এবং মাদক ব্যবসার মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করছে।

আরও পড়ুন

খুলনায় ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সশস্ত্র হামলা, ভাঙচুর ও লুট

সংঘাত পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এসিএলইডির তথ্য অনুযায়ী, গত ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত চার সপ্তাহে কলম্বিয়ায় সরকারি বাহিনী ও অবৈধ সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো বোমা বা বিস্ফোরক দিয়ে ৩৪টি হামলা চালিয়েছে। আগের বছরের একই সময়ের গড়ের তুলনায় এ সংখ্যা ৯ শতাংশ বেশি।

২০১৬ সালের ফার্কের সঙ্গে শান্তিচুক্তির পর ১৪ হাজারের বেশি যোদ্ধা অস্ত্র সমর্পণ করলেও বিদ্রোহীদের সাবেক নিয়ন্ত্রণাধীন অঞ্চল নিয়ে এখনও বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে লড়াই চলছে। সূত্র: আল-জাজিরা

ভোরের আকাশ/ইউএম
 

কলম্বিয়াড্রোন হামলা

শেয়ার করুন: