তিন উইকেট হারিয়ে চাপে বাংলাদেশ

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে সাদমান ইসলাম হাফসেঞ্চুরি তুলে নিলেও স্বস্তিতে নেই বাংলাদেশ। মধ্যাহ্নবিরতি থেকে ফিরে টেস্ট ক্যারিয়ারের দশম অর্ধশতক পূর্ণ করেন বাঁহাতি এই ওপেনার।
তবে এর পরের ওভারেই জোমেল ওয়ারিকানের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। রিভিউ নিয়েও রক্ষা পাননি তিনি। ফলে ১১০ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় স্বাগতিকরা।
মিরপুরে সিরিজের প্রথম টেস্টে শুরু থেকেই বাংলাদেশের ব্যাটারদের চাপে রেখেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলাররা। নতুন বলে গতি ও সুইং কাজে লাগিয়ে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন সফরকারী পেসাররা। পরে স্পিনাররাও উইকেট থেকে টার্ন আদায় করে নেন। প্রথম সেশনে ২ উইকেট হারিয়ে ৯৬ রান তুলে মধ্যাহ্নবিরতিতে যায় বাংলাদেশ।
বিরতির পর ইনিংসের ৩৪তম ওভারে ৯৫ বলে হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন সাদমান। টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি তাঁর দশম ফিফটি, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে চতুর্থ। ৫টি চারের সাহায্যে ইনিংসটি সাজান এই ওপেনার। তবে অন্য প্রান্তে ধুঁকছিলেন অধিনায়ক শান্ত।
পরের ওভারেই জোমেল ওয়ারিকানের বলে সুইপ করতে গিয়ে এলবিডব্লিউ হন শান্ত। শুরুতে আম্পায়ার তাঁকে আউট দেননি। পরে রোস্টন চেজের নেওয়া রিভিউতে দেখা যায়, বলটি মিডল ও লেগ স্টাম্পে আঘাত করত। ফলে ৪২ বলে ১৬ রান করে মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশ অধিনায়ককে।
এর আগে বাংলাদেশের প্রথম উইকেটের পতন ঘটে দলীয় ৯ রানে। জেইডেন সিলসের অফ স্টাম্পের বাইরের বল কাভার দিয়ে খেলতে গিয়ে ব্যাটের কানায় স্পর্শ করান তানজিদ হাসান তামিম। স্লিপে থাকা জাস্টিন গ্রিভসের হাতে ক্যাচ দিয়ে ৭ রানেই ফেরেন তিনি।
এরপর সাদমান ইসলামের সঙ্গে জুটি গড়েন মুমিনুল হক। দুজনের ৫৯ রানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে দলীয় ৬১ রানে জোমেল ওয়ারিকানের বলে ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে এসে বড় শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ দেন মুমিনুল। মিড-অফের ওপর দিয়ে বল উড়িয়ে মারার চেষ্টা করলেও ব্যাটে ঠিকমতো সংযোগ হয়নি। শামার জোসেফের হাতে ক্যাচ দিয়ে ৫১ বলে ২৮ রান করে ফেরেন তিনি।
মুমিনুল-সাদমানের জুটিই এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের ইনিংসে সর্বোচ্চ। সাদমান এক প্রান্ত আগলে রেখে ব্যাটিং চালিয়ে গেলেও শান্তর বিদায়ে আবারও চাপে পড়েছে স্বাগতিকরা।
ভোরের আকাশ/সু.পা