শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বিশ্ব হাতি দিবস আজ

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ১২ আগস্ট ২০২৬, ৪:৩০ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

বিশাল দেহের অধিকারি, বুদ্ধিমান ও সামাজিক প্রাণী হাতি। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তন, বাসস্থান সংকোচন এবং মানুষের নিষ্ঠুরতায় ডাঙ্গার সবচেয়ে বড় এই স্তন্যপায়ী প্রাণীর অস্তিত্ব আজ চরম সংকটে। হাতি সংরক্ষণ, এর সুরক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং বন্যহাতি শিকার বন্ধের বার্তা নিয়ে প্রতি বছর ১২ আগস্ট বিশ্বজুড়ে উদ্যাপিত হয় ‘বিশ্ব হাতি দিবস’ (World Elephant Day)।

২০১২ সালে থাইল্যান্ডে যৌথভাবে কানাডিয়ান চলচ্চিত্র নির্মাতা প্যাট্রিসিয়া সিমস এবং এলিফ্যান্ট রিনট্রোডাকশন ফাউন্ডেশন এই দিবসটির সূচনা করে। তারপর থেকে প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে পরিবেশবাদী ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ সংস্থাগুলো এই দিনটিকে গুরুত্বের সাথে পালন করে আসছে।

কেন সংকটে বনের রাজা হাতি?

বিশ্বজুড়ে প্রধানত দুই প্রজাতির হাতি দেখা যায়— এশীয় হাতি  এবং আফ্রিকান হাতি । আইইউসিএন-এর  রেড লিস্ট অনুযায়ী এশীয় হাতি বর্তমানে ‘বিপন্ন’  এবং আফ্রিকান হাতি ‘গুরুতর বিপন্ন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত। এদের টিকে থাকার প্রধান হুমকিগুলো হলো:

আবাসস্থল ও করিডোর ধ্বংস: বনাঞ্চল উজাড়, পাহাড় কাটা ও মানুষের বসতি সম্প্রসারণের কারণে হাতির প্রাকৃতিক চলাচলের পথ বা ‘করিডোর’ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।

হাতি-মানুষ দ্বন্দ্ব : খাদ্যের সন্ধানে হাতি লোকালয়ে নেমে এলে মানুষের সাথে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। প্রতি বছর ফসলের ক্ষতি ঠেকাতে গিয়ে বা দুর্ঘটনায় মানুষ ও হাতি উভয়ের প্রাণহানি ঘটছে।

অবৈধ শিকার : দাঁত ও চামড়া পাচারের জন্য আন্তর্জাতিক চোরাকারবারিদের শিকার হচ্ছে প্রকাণ্ড এই প্রাণীটি।

রেল ও সড়ক দুর্ঘটনা: হাতির ঐতিহ্যবাহী চলাচলের রাস্তার ওপর তৈরি হওয়া রেললাইন ও মহাসড়কে ট্রেনে বা গাড়ির ধাক্কায় প্রতিনিয়ত হাতির মৃত্যু ঘটছে।

বাংলাদেশে হাতির অবস্থা

বাংলাদেশে এশীয় হাতির উপস্থিতি মূলত পার্বত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও ময়মনসিংহের পাহাড়ি বনাঞ্চলে সীমাবদ্ধ। আন্তর্জাতিক প্রকৃতি সংরক্ষণ সংঘের  তথ্যমতে, বাংলাদেশে স্থায়ী হাতির সংখ্যা প্রায় দুই শতাধিক এবং ভারত-মিয়ানমার থেকে আসা পরিযায়ী হাতি রয়েছে শতাধিক।

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক উন্নয়নে ইতিবাচক বার্তা তথ্যমন্ত্রী

কক্সবাজার-টেকনাফ অঞ্চলের করিডোর বিচ্ছিন্ন হওয়া এবং বনাঞ্চল সংকটে বাংলাদেশে হাতি আজ চরম ঝুঁকিতে। সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনের কঠোর প্রয়োগের পাশাপাশি হাতির করিডোর রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরী হয়ে পড়েছে।

হাতি কেবল বনের সৌন্দর্য নয়, এটি বনের ইকোসিস্টেম বা পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখার প্রধান কারিগর। বনের গাছপালা ছাঁটাই, বীজ ছড়িয়ে দেওয়া এবং বন্য পথ তৈরিতে হাতির ভূমিকা অনস্বীকার্য। আজকের এই বিশ্ব হাতি দিবসে আমাদের অঙ্গীকার হওয়া উচিত— হাতির আবাস্থল রক্ষা করা এবং মানুষের সাথে প্রকৃতির সহাবস্থান নিশ্চিত করা।

ভোরের আকাশ/জেআ

বিশ্ব হাতি দিবস

শেয়ার করুন: