শিরোনাম
অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে : জাতিসংঘে আইরিন খানস্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মাধ্যমেই সুস্থ প্রজন্ম গড়ে ওঠে: মীর শাহে আলমফের দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের গোলাবর্ষণবিদ্যুৎখাতে লুটপাট করতেই দায় মুক্তির আইন পাস করেছিল আ.লীগ: রিজভীসিইসির সঙ্গে বৈঠকে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রতিনিধি দলযুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের আগে ভিসার নিয়মকানুন জেনে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে দেশটির দূতাবাসনাগরিক না হয়েও নির্বাচনে ভোট দেয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি যুবকের বিরুদ্ধে মামলারপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীঅর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে : জাতিসংঘে আইরিন খানস্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মাধ্যমেই সুস্থ প্রজন্ম গড়ে ওঠে: মীর শাহে আলমফের দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের গোলাবর্ষণবিদ্যুৎখাতে লুটপাট করতেই দায় মুক্তির আইন পাস করেছিল আ.লীগ: রিজভীসিইসির সঙ্গে বৈঠকে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রতিনিধি দলযুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের আগে ভিসার নিয়মকানুন জেনে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে দেশটির দূতাবাসনাগরিক না হয়েও নির্বাচনে ভোট দেয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি যুবকের বিরুদ্ধে মামলারপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

সড়ক নিরাপত্তাহীনতায় সাড়ে সাত বছরে নিহত ৭,৩৬৪ শিক্ষার্থী

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ২৯ জুলাই ২০২৬, ৪:২০ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

দেশে ২০১৯ থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সাড়ে সাত বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ হাজার ৩৬৪ শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৩ হাজার ৮৪১ জন মোটরসাইকেলের চালক বা আরোহী ছিলেন।

মঙ্গলবার রোড সেফটি ফাউন্ডেশন এ তথ্য জানিয়েছে। সংগঠনটির তথ্য অনুযায়ী, নিহত শিক্ষার্থীদের মধ্যে পথচারী হিসেবে প্রাণ হারিয়েছেন ১ হাজার ৯২৩ জন, যানবাহনের যাত্রী হিসেবে ৯২৭, বাইসাইকেল বা রিকশার আরোহী হিসেবে ৫১৯ এবং অটোরিকশার চাকায় ওড়না বা পোশাক পেঁচিয়ে ১৫৪ জন। বয়সভিত্তিক হিসাবে পাঁচ থেকে ১৭ বছর বয়সী স্কুল ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে ৩ হাজার ৩২৮ জন। আর ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সী কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন ৪ হাজার ৩৬ জন।

বছরভিত্তিক হিসাবে ২০১৯ সালে ৬৯৩ জন, ২০২০ সালে ৭১৯, ২০২১ সালে ৯৩৬, ২০২২ সালে ১ হাজার ৩৮৫, ২০২৩ সালে ১ হাজার ১৫৩, ২০২৪ সালে ১ হাজার ৭৩, ২০২৫ সালে ১ হাজার ১৪ এবং ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত ৩৯১ শিক্ষার্থী সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন।

এ ছাড়া একই সময়ে অসাবধানতাবশত রেললাইন পারাপার বা কানে হেডফোন ব্যবহার করে রেললাইন ধরে হাঁটার সময় ট্রেনে কাটা পড়ে আরও ১ হাজার ২৩৭ শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।

আরও পড়ুন

রূপগঞ্জে আড়াই বছর পর প্রবাসীর লাশ উত্তোলন

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের মতে, ত্রুটিপূর্ণ সড়ক, অনিরাপদ যানবাহন, সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতার অভাব, শিক্ষার্থীদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানোর প্রবণতা, ট্রাফিক আইন না জানা ও না মানা এবং সড়ক পরিবহনে শৃঙ্খলার ঘাটতি এসব দুর্ঘটনার প্রধান কারণ। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান কালবেলাকে বলেন, শুধু মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা রোধে বিচ্ছিন্ন পদক্ষেপ নিলেই হবে না, সড়ক পরিবহন আইনের বাধাহীন ও পূর্ণাঙ্গ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। তার মতে, সরকারি পর্যায়ে সচেতনতামূলক প্রচারণার ঘাটতি এবং নিরাপদ ও টেকসই গণপরিবহন ব্যবস্থা (বাস, ট্রেন ও লঞ্চ) পর্যাপ্ত না থাকায় অনেক মানুষ বাধ্য হয়ে মোটরসাইকেল ব্যবহার করছেন, ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ছে।

তিনি বলেন, ২০১৮ সালের নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের পর সরকার একটি যুগোপযোগী সড়ক পরিবহন আইন প্রণয়ন করলেও এর শতভাগ বাস্তবায়ন হয়নি। আইন আংশিকভাবে নয়, পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর করতে হবে।

ভোরের আকাশ/জেআ

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনসড়ক দুর্ঘটনা

শেয়ার করুন: