গ্রাহক হয়রানি বন্ধে বিদ্যুতের ডিজিটাল প্রিপেইড মিটার বাতিলের দাবি

উন্নত প্রযুক্তির নামে বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাধ্যমে গ্রাহকদের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বক্তারা। একই সঙ্গে গ্রাহক হয়রানি বন্ধে বিদ্যুতের ডিজিটাল প্রিপেইড মিটার বাতিলের দাবি জানিয়েছেন তারা।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে গাইবান্ধা শহরের ডিবি রোডে গানাসাস মার্কেটের সামনে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে এ দাবি জানানো হয়।
ডিজিটাল প্রিপেইড মিটার প্রতিরোধ কমিটি ও বিদ্যুৎ গ্রাহক অধিকার রক্ষা জাতীয় কমিটি, গাইবান্ধা জেলা শাখা যৌথভাবে এ সমাবেশের আয়োজন করে।
বিদ্যুৎ গ্রাহক অধিকার রক্ষা জাতীয় কমিটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক ও জেলা শাখার আহ্বায়ক গোলাম রব্বানী মুসার সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মিহির ঘোষ, গাইবান্ধা পরিবেশ আন্দোলনের আহ্বায়ক ওয়াজিউর রহমান রাফেল, গাইবান্ধা জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও নাগরিক নেতা অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম বাবু, জেলা সিপিবির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মুরাদজামান রব্বানী, কমিউনিস্ট নেতা রেবতী মোহন বর্মন, গাইবান্ধা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক রজতকান্তি বর্মন, নাট্যকর্মী শাহ আলম বাবলু, জেলা উদীচীর সাধারণ সম্পাদক শিরিন আকতার, মানবাধিকারকর্মী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী প্রামাণিক, এ.কে.এম. মনির হোসেন সুইট, কাজী আব্দুল খালেক, বিশিষ্ট আইনজীবী অ্যাডভোকেট কুশলাশীষ চক্রবর্তী ও রবিদাস ফোরামের খিলন রবিদাস।
সমাবেশটি সঞ্চালনা করেন গাইবান্ধা বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য অ্যাডভোকেট ফারুক কবীর।
বক্তারা বলেন, আধুনিক ও উন্নত প্রযুক্তির কথা বলে বিদ্যুতের ডিজিটাল প্রিপেইড মিটার চালু করা হলেও এতে গ্রাহকদের অতিরিক্ত ব্যয় বহন করতে হচ্ছে। পাশাপাশি মিটার ব্যবহারে বিভিন্ন ধরনের জটিলতা ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন গ্রাহকেরা। তাই জনস্বার্থে প্রিপেইড মিটার বাতিল করে গ্রাহকবান্ধব বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
সমাবেশ থেকে গ্রাহক শোষণ ও হয়রানির অভিযোগে গণবিরোধী প্রিপেইড মিটার বাতিল, সাশ্রয়ী মূল্যে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, বিদ্যুৎখাত বেসরকারিকরণের তৎপরতা বন্ধ, বিদ্যুৎ সংকটের জনবান্ধব সমাধান এবং বিদ্যুৎখাতে দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবি জানানো হয়।
এ ছাড়া বিদ্যুৎ গ্রাহকদের নামে হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারেরও দাবি জানান সমাবেশে অংশ নেওয়া বক্তারা।
ভোরের আকাশ/ইউএম