শিরোনাম
দ্বিতীয় দিনে ৩ জাহাজে সেন্টমার্টিন যাচ্ছেন ১৫৫৪ পর্যটকঅধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে আজিমপুর সড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভসংসদ ভবন এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধজামিনে বাড়ি ফেরার পথে ফের গ্রেপ্তার সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মামাতো ভাইফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভ, গ্রেপ্তার ৪৪৮ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৪৪টানা তৃতীয় দফায় স্বর্ণের দাম বাড়ল ১২০৭২ টাকা৫৪৮ জনের মৃত্যুদণ্ড মওকুফ করলেন ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নরদ্বিতীয় দিনে ৩ জাহাজে সেন্টমার্টিন যাচ্ছেন ১৫৫৪ পর্যটকঅধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে আজিমপুর সড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভসংসদ ভবন এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধজামিনে বাড়ি ফেরার পথে ফের গ্রেপ্তার সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মামাতো ভাইফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভ, গ্রেপ্তার ৪৪৮ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৪৪টানা তৃতীয় দফায় স্বর্ণের দাম বাড়ল ১২০৭২ টাকা৫৪৮ জনের মৃত্যুদণ্ড মওকুফ করলেন ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর

কমলনগরে রাতের আঁধারে উধাও সড়ক সুরক্ষার বেরিগেট

রামগতি-কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৬ নভেম্বর ২০২৬, ১১:২৪ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার ৭ নং হাজিরহাট ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ সড়ক সুরক্ষার জন্য দেওয়া লোহার বেরিগেট রাতের আঁধারে কেটে বা খুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। এলাকাবাসী অবিলম্বে এই প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সড়কে নতুন করে বেরিগেট বা ভারী যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয় সূত্র ও এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ছাগল ব্যাপারীর গোজ থেকে মিয়া পড়া যাওয়া পর্যন্ত এই সড়কটি দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল করলে অল্পদিনেই তা ভেঙে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েবে। এই জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কটিকে রক্ষা করার জন্য সাবেক কমলনগর উপজেলা প্রকৌশলী নিজ উদ্যোগে ওই পয়েন্টে একটি লোহার বেরিগেট বা প্রতিবন্ধক স্থাপন করেছিলেন। এর ফলে ভারী ও ঝুঁকিপূর্ণ যান চলাচল বন্ধ ছিল এবং সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে সুরক্ষিত ছিল।

কিন্তু সম্প্রতি একদল প্রভাবশালী ব্যক্তি রাতের আঁধারে কোনো নিয়মকানুনের তোয়াক্কা না করে ওই বেরিগেটের অধিকাংশ অংশ কেটে সরিয়ে ফেলে। বর্তমানে সেখানে শুধু একটিমাত্র খুঁটি কঙ্কালের মতো দাঁড়িয়ে রয়েছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ,  রাতের আধারে এই সরকারি বা জনকল্যাণমূলক স্থাপনা অপসারণ করার পেছনে ওই এলাকার কোনো স্বার্থান্বেষী বা প্রভাবশালী মহলের হাত রয়েছে। তারা নিজেদের ব্যক্তিস্বার্থ বা অবৈধ ভারী যানবাহন চলাচলের সুবিধা পাওয়ার জন্য এই কাজটি করেছে। বেরিগেট না থাকায় এখন যেকোনো সময় ভারী যানবাহন চলাচল শুরু হবে এবং গ্রামীণ এই সড়কটি পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যাবে।

আরও পড়ুন

ভুটানকে হারিয়ে সাফের শুভ সূচনা বাংলাদেশের

ভুক্তভোগী ও সাধারণ এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "সড়কটি রক্ষা করার জন্যই প্রকৌশলী সাহেব বেরিগেটটি দিয়েছিলেন। রাতের আঁধারে প্রভাবশালীরা এটি সরিয়ে ফেলায় আমরা চরম দুশ্চিন্তায় আছি। সড়কটি নষ্ট হয়ে গেলে আমাদেরই যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হবে।

এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল ও এলাকাবাসী দ্রুত উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। রাতের আঁধারে সরকারি বা জনকল্যাণমূলক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্তকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা এবং সড়ক সুরক্ষায় পুনরায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

ভোরের আকাশ/ইউএম
 

লক্ষ্মীপুর

শেয়ার করুন: