যত্রতত্র আবর্জনা ফেলায় বাড়ছে ডেঙ্গুর ঝুঁকি

দিন দিন বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। এডিস মশার কামড়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হচ্ছেন অনেক মানুষ। আর এই মশার বংশবিস্তারের অন্যতম অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয় জমে থাকা পানিতে। তাই ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখাও জরুরি।
আমাদের দৈনন্দিন জীবনের ছোট ছোট অসচেতনতা অনেক সময় ডেঙ্গুর ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। ধরুন, রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময় ফাস্টফুডের দোকান থেকে কিছু খাবার কিনে খেলেন। খাবার শেষে খালি প্যাকেটটি যদি রাস্তার পাশে ফেলে দেওয়া হয়, সেখান থেকেই শুরু হতে পারে পরিবেশ দূষণের আরেকটি ধাপ।
অনেকে মনে করেন, একটি প্যাকেট বা সামান্য আবর্জনা ফেলে দিলে তেমন কোনো সমস্যা হবে না। কিন্তু একজনকে দেখে আরও অনেকে একই কাজ করলে অল্প সময়ের মধ্যেই সেখানে বড় ধরনের ময়লার স্তূপ তৈরি হয়। যত্রতত্র ফেলে রাখা প্লাস্টিক ও অন্যান্য আবর্জনা নালা-নর্দমা বা ড্রেনের পানি চলাচলে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। ফলে বৃষ্টির পানি জমে তৈরি হতে পারে এডিস মশার প্রজননস্থল।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে তাই শুধু প্রশাসনের উদ্যোগের দিকে তাকিয়ে থাকলে হবে না। প্রত্যেক নাগরিককে নিজের বাড়ি, আঙিনা, কর্মস্থল ও আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। বিশেষ করে কোথাও পানি জমে আছে কি না, তা নিয়মিত খেয়াল করতে হবে।
নিজেদের সচেতনতা ও দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমেই ডেঙ্গুর ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। অন্যের অসচেতনতা অনুসরণ না করে ভালো অভ্যাস গড়ে তোলাই হোক সবার লক্ষ্য। রাস্তায় ময়লা-আবর্জনা না ফেলে নির্দিষ্ট স্থান বা ডাস্টবিনে ফেলার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। পরিচ্ছন্ন পরিবেশই পারে ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে।
মোঃ আমির হামজা
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি
ভোরের আকাশ/জেআ