ছবি- সংগৃহীত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় একাত্তর হলের ক্যান্টিনে অগ্নিকান্ডের লাগার ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার (২৪ নভেম্বর) ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিটের প্রচেষ্টায় সন্ধ্যা ৬টা ২৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, হলসংলগ্ন খাবারের দোকানের সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকে এ আগুনের সূত্রপাত হয়।
ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুম জানিয়েছে, সন্ধ্যা ৬টা ১৩ মিনিটে আগুন খবর আসে। ৬টা ২৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু হয়। ফায়ার সার্ভিসের পলাশী এবং সিদ্দিক বাজার ফায়ার স্টেশনের চারটি ইউনিটের চেষ্টায় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় আগুন পুরোপুরি নেভানো সম্ভব হয়।
রান্নাঘরে গ্যাস সিলিন্ডার থেকে এই আগুন লেগেছে বলেও জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ভোরের আকাশ/এসএইচ
সংশ্লিষ্ট
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনের নির্ধারিত তারিখ ঘোষণা হলেও এখন পর্যন্ত আটকে আছে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) চূড়ান্ত বার্তার অপেক্ষায়। আগামী ৬ জানুয়ারি নির্বাচনকে ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন তাদের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।এরই মধ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইসিকে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হলেও নিরাপত্তা নিশ্চিতের বিষয়ে ঢাকা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে কোনো নির্দেশনা পাওয়া যায়নি।নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট কোনো বার্তা না পাওয়ায় উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রোববার (৪ জানুয়ারী) বিকেল তিনটায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একটি জরুরি সিন্ডিকেট সভা আহ্বান করেছে। ওই সভায় জকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক সিন্ডিকেট সদস্য জানিয়েছেন, নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে বড় কোনো বাস্তব বাধা নেই। তাদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা চাইলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) তা দিতে বাধ্য।বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. শেখ গিয়াস উদ্দিন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে নির্বাচন আয়োজনের জন্য আমরা সিএসসি বরাবর আবেদন করেছি। সিএসসি থেকে ঢাকা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। পরবর্তীতে তারা নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ডিএমপি কমিশনারের কাছে আবেদন করেছেন।সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম বলেন, ‘জকসু নির্বাচন আয়োজনের ব্যাপারে আমরা সম্পূর্ণ আশাবাদী। নির্বাচন নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের চাপ বা প্রতিবন্ধকতা অনুভব করছি না। নির্বাচন কমিশন ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।’ তিনি এই নির্বাচনে সকল শিক্ষার্থী ও প্রার্থীদের সহযোগিতা কামনা করেছেন।এদিকে উদ্ভূত পরিস্থিতির বিষয়ে কথা বলতে ঢাকা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা শরফুদ্দীন আহমেদ চৌধুরীর সঙ্গে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জকসু নির্বাচনের নিরাপত্তার বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।ভোরের আকাশ/তা.কা
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষমোড় এলাকার স্থানীয়দের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ঈশা খাঁ হলের ৪ জন ও মাওলানা ভাসানী হলের ১ জন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছেন।বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) রাত ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ঈশা খাঁ হলের শিক্ষার্থীরা শেষমোড়ের দিকে রাতের খাবার খেতে গেলে এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।আহত শিক্ষার্থীরা হলেন ঈশা খাঁ হলের পশুপালন অনুষদের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সিয়াম, ভেটেরিনারি অনুষদের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী অন্তর ও ইমন, কৃষি অনুষদের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী তানভীর।এ ছাড়া মাওলানা ভাসানী হলের কৃষি অর্থনীতি অনুষদের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী প্রিয় আহত হন।জানা যায়, ঘটনার সূত্রপাত হয় সকাল ১১টার দিকে। সে সময় কয়েকজন বহিরাগত হল প্রাঙ্গণে প্রবেশ করলে শিক্ষার্থীরা চোর সন্দেহে তাদের আটক করেন।একপর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে হল কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে শিক্ষার্থীরা ওই বহিরাগতদের ছেড়ে দেন। এরই জেরে রাত ১১টার দিকে শেষমোড় এলাকায় গেলে শিক্ষার্থীদের বাধা দেওয়া হয়। একপর্যায়ে বহিরাগতরা শিক্ষার্থীদের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে।একপর্যায়ে বহিরাগতদের লোহার পাইপের আঘাতে এক শিক্ষার্থীর মাথা ফেটে যায় এবং অন্য একজন শিক্ষার্থীর নাক ফেটে যায়। পরে ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়লে ঈশা খাঁ হলসহ অন্যান্য হলের শিক্ষার্থীরা বের হয়ে আসেন। পরে রাত ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।হামলায় আহত শিক্ষার্থীদের প্রাথমিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের হেলথ কেয়ার সেন্টারে নেওয়া হয়। পরে তাদের ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এক শিক্ষার্থী জানান, রাতের খাবার খেতে আমরা শেষমোড়ের দিকে যাচ্ছিলাম। হলের কাছাকাছি হওয়ায় প্রতিদিনের মতো আজও যেতে গেলে কয়েকজন স্থানীয় আমাদের বাধা দেয়। কারণ জানতে চাইলে তারা উত্তেজিত হয়ে পড়ে। একপর্যায়ে ইট ছোড়া শুরু করে তারা। আমার দুইজন সিনিয়র ভাই সামনে আগাতে গেলে একজনকে লোহার পাইপ দিয়ে আঘাত করা হয়। এতে সঙ্গে সঙ্গে তার মাথা ফেটে যায়।ঘটনার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলীম বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শহর (ময়মনসিংহ কোতোয়ালি থানা) থেকে পুলিশ আসছে। পুলিশের কিছুটা দেরি হওয়ায় তারা বর্তমানে এলাকায় অভিযান পরিচালনা করছে। যারা শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করেছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং আমরা তাদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছি।ভোরের আকাশ/মো.আ.
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ সহজ করতে ডাকসুর পক্ষ থেকে ১০টি বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে।মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ডাকসুর ছাত্র পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।তিনি জানান, বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বাদ জোহর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে ডাকসুর বাস সার্ভিস থেকে মোট ১০টি বাস বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে ক্যাম্পাস থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে।বাসগুলোর মধ্যে ৫টি বাস ভিসি চত্বর থেকে, ৩টি বাস কার্জন হল এলাকা থেকে, ২টি বাস টিএসসি থেকে যাত্রা করবে বলে জানান তিনিভোরের আকাশ/তা.কা
ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুরে বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) সম্মানজনক আচরণ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিতকরণে সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ শাকিল পারভেজ অডিটরিয়ামে যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধ কমিটির আয়োজনে “সম্মানজনক আচরণ ও নিরাপদ পরিবেশ: যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন প্রতিরোধে সচেতনতা” শীর্ষক শিরোনামে এ সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন। তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও পারস্পরিকশ্রদ্ধাবোধ চর্চা করা হয়। যৌন হয়রানি ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হলে সচেতনতা, প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ এবং সম্মিলিত দায়িত্ববোধ অপরিহার্য।’ তিনি আরও বলেন,‘নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ নিশ্চিত করাই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অঙ্গীকার। সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’উপাচার্য জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার উদ্ধৃতি দিয়ে সমাজে নারী ও পুরুষের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি নিরাপদ, সম্মানজনক ও বৈষম্যহীন পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং এটি বজায় রাখতে সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি এ ধরনের সচেতনতামূলক উদ্যোগকে নিয়মিত ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।এ সময় তিনি সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে শপথ বাক্য পাঠ করান।বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার বলেন, ‘যৌন হয়রানি প্রতিরোধে নীতিমালার আলোকে কার্যকর বাস্তবায়ন, অভিযোগ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা এবং ভুক্তভোগীদেরপ্রতি সহমর্মিতা জরুরি।’ তিনি শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) অধ্যাপক ড. উৎপল কুমার দাস, গাজীপুরের প্রমোটিং অল্টারনেটিভ রিসোর্সেস ফর একটিভ সোসাইটি-এরনির্বাহী পরিচালক ফয়জুন্নেসা। ডুয়েটের যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মোছা. নাসরিন আখতারের সভাপতিত্বে সেমিনারে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন কমিটিরসদস্য-সচিব ও যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. খুরশিদা শারমিন।সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর মেটেরিয়ালস এন্ড মেটালার্জিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. তাকিয়ান ফখরুল এবং শিক্ষামন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপসচিব লিউজা-উল- জান্নাহ।সেমিনারে ড. তাকিয়ান ফখরুল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তুলতে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতি ও আচরণগত পরিবর্তনের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। লিউজা-উল-জান্নাহ তাঁর বক্তব্যে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে নীতিমালা, আইনি কাঠামো এবং উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে বিদ্যমান নির্দেশনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। এছাড়া, ভুক্তভোগীরা যেন নির্ভয়ে অভিযোগ জানাতে পারেন এবং ন্যায় বিচার নিশ্চিত হয়, তার বিভিন্ন দিক সেমিনারে তুলে ধরা হয়।অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও ইন্সটিটিউটের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী অংশগ্রহণ করেন। আলোচনা পর্বে অংশগ্রহণকারীরা মতবিনিময় করেন এবং একটি নিরাপদ,সম্মানজনক ও বৈষম্যহীন পরিবেশ গড়ে তুলতে সম্মিলিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।ভোরের আকাশ/মো.আ.