রাজধানীর নয়াপল্টনে ‘শারমিন একাডেমি’ নামের একটি স্কুলে শিশু নির্যাতনের ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি ও স্কুলটির ব্যবস্থাপক পবিত্র কুমার বড়ুয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাতে মিরপুর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ হারুন হুসাইন মুহাম্মদ ফারাবী গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পল্টন থানার পুলিশের আরেকটি দল আরেকজন আসামি শারমিন জাহানকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে।এর আগে, শিশুকে টেনেহিঁচড়ে অফিস কক্ষে নিয়ে মারধরের এক ঘটনায় ঢাকার পল্টন থানায় মামলা হয়। এ ঘটনার একটি ভিডিও ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়।ভিডিওতে দেখা যায়, স্কুলের পোশাক পরা শিশুকে টেনেহিঁচড়ে অফিস কক্ষে নিয়ে যান এক নারী। তিনি শিশুটিকে চড় মারেন। এরপর অফিস কক্ষে থাকা এক পুরুষ কখনো শিশুটির গলা চেপে ধরেন, কখনো মুখ চেপে ধরেন। ভয়ে শিশুটি কাঁদছিল। ওই নারী হাত ধরে তাকে আটকে রাখছিলেন। একপর্যায়ে পুরুষটি একটি স্ট্যাপলার হাতে শিশুটির কাছে এগিয়ে গিয়ে তার মুখ স্ট্যাপল করার ভঙ্গি করেন।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল একটি ভিডিওতে দেখা যায় এমন দৃশ্য। পরে জানা যায়, এর ঘটনাস্থল রাজধানীর পল্টনের শারমিন একাডেমি নামে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ভিডিও ফুটেজে থাকা নারী একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক শারমিন জাহান এবং পুরুষটি হলেন স্কুলের ব্যবস্থাপক পবিত্র কুমার।বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মধ্যে গতকাল এ নিয়ে পল্টন থানায় একটি মামলা হয়েছে। থানার ওসি মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল খান বলেন, শিশুটির মা বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার শিশু অধিকার আইনে একটি মামলা করেছেন। মামলায় পবিত্র ও শারমিনকে আসামি করা হয়েছে। স্কুলটিও বন্ধ রয়েছে।জানা যায়, নির্যাতনের ঘটনাটি গত ১৮ জানুয়ারি দুপুর ১টার দিকের। ৪ মিনিট ১৩ সেকেন্ডের ভিডিওটি শেয়ার দিয়ে অনেকেই এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।ভোরের আকাশ/মো.আ.
২২ ঘন্টা আগে
পবিত্র রমজান মাসে স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) এ রিট করেছেন আইনজীবী ইলিয়াছ আলী মন্ডল। বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের বেঞ্চে এ আবেদনের ওপর শুনানি হতে পারে।এর আগে ৫ জানুয়ারি সরকারকে আইনি নোটিশ দিয়েছিলেন এই আইনজীবী।নোটিশে বলা হয়, বাংলাদেশের অধিকাংশ নাগরিক মুসলমান। বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে রমজান মাসে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে—এটিই আইন, প্রথা ও নীতি এবং ওইভাবে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রমজান মাসে বন্ধ থাকে। সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, আইন ছাড়া কিছুই করা যাবে না, অনুচ্ছেদ ১৫২(১) অনুযায়ী আইন অর্থ বাংলাদেশে আইনের ক্ষমতা সম্পন্ন যেকোনো প্রথা ও রীতি। তাই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় রমজান মাসে খোলা রাখার সরকারের তর্কিত সিদ্ধান্ত অসাংবিধানিক।নোটিশে আরও বলা হয়, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলের কোমলমতি শিশু-কিশোররা সারাদিন স্কুলে যাতায়াত করে, ক্লাস করে ক্লান্ত হয়ে রোজা রাখতে কষ্টের সম্মুখীন হয়ে রোজা রাখবার অভ্যাস হতে দূরে থাকার আশঙ্কা দেখা দেয়। যা ধর্মীয় আচার চর্চার অন্তরায়।এ ছাড়া রমজান মাসে স্কুল চালু রাখলে শহরগুলোতে তীব্র যানযটের সৃষ্টি হয়, যাতে নগরবাসীকে চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয় যা কারও কাম্য নয়।তাই রমজান মাসে স্কুল বন্ধ রাখার অনুরোধ করা হয়।ভোরের আকাশ/মো.আ.
২ দিন আগে
রাজধানীর উত্তরায় বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় ৩৬টি অপারেশন ও দীর্ঘ ৬ মাস চিকিৎসাধীন থেকে অবশেষে ঘরে ফিরলো মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের দগ্ধ শিক্ষার্থী আবিদুর রহিম (১২)। বর্তমানে সে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী।বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের কনফারেন্স রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক অধ্যাপক নাসির উদ্দিন।মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী আব্দুর রহিম ২০২৫ সালের ২১ জুলাই প্রতিষ্ঠানটির উত্তরা শাখায় ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় গুরুতর দগ্ধ হয়। দীর্ঘ ছয় মাসের নিবিড় চিকিৎসা শেষে আজ দুপুরে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পায়।এর আগে গতকাল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) এনআইবিপিএস-এর আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, ‘বুধবার দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে আমরা মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ দুর্ঘটনার শেষ আহত রোগীকে ছাড়পত্র দেব।’রহিমের ছাড়পত্রের মধ্যদিয়ে ওই দুর্ঘটনায় আহত মোট ৩৬ জন রোগীর সবাই চিকিৎসা শেষে বার্ন ইনস্টিটিউট থেকে ছাড়পত্র পাচ্ছেন।উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ২১ জুলাই দুপুর ১টার দিকে উড্ডয়নের কয়েক মিনিট পর বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি ফাইটার জেট মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের দুই তলা ভবনে বিধ্বস্ত হয়।স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, ওই দুর্ঘটনায় পাইলটসহ মোট ৩৫ জন নিহত হন।ভোরের আকাশ/মো.আ.
২ দিন আগে
হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ উপেক্ষা করে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচন নির্ধারিত দিনে আয়োজনের দাবি নিয়ে উত্তাল হয়ে উঠেছে শাবি ক্যাম্পাস।ভোট আয়োজনের দাবিতে বিক্ষুব্ধ প্রার্থী ও শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের প্রধান দরজা তালা দিয়ে উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, রেজিস্ট্রারসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তাদের অফিসে প্রবেশে বাধা দিয়েছেন। পাশাপাশি তারা সিলেট-সুনামগঞ্জ মহাসড়কও অবরোধ করেন। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে প্রশাসনিক ভবনে তালা দেওয়া হয়। প্রশাসনিক ভবন ঘিরে অবস্থান নিয়ে স্লোগান-মিছিলে বিক্ষোভ করেন প্রার্থী ও শিক্ষার্থীরা। একই সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়ক অবরোধ করেও বিক্ষোভ করতে থাকেন শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভ ও অবরোধে ওই সড়কে যানজট দেখা গেছে। গাড়িগুলো ধীর গতিতে চলছে।বিক্ষুব্ধদের মধ্যে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল, ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত স্বতন্ত্র প্রার্থী, স্বতন্ত্র প্রার্থী ঐক্যবদ্ধ প্যানেল এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ঘটনাস্থলে দেখা গেছে। তাদের কয়েকজনের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, মঙ্গলবার নির্ধারিত সময়েই ভোট হতে হবে। এটা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তারা বিক্ষোভ চালিয়ে যাবেন।এদিকে, আজ দুপুরে নতুন সামাজিক ভবনের শিক্ষক মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক আশরাফ উদ্দিন সংবাদ সম্মেলনে জানান, বিএনপিপন্থী আট জন শিক্ষক নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। বিপরীতে অপর এক সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন ইউনিভার্সিটি টিচারস লিংক-ইউটিএল’র বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্যসচিব অধ্যাপক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম মঙ্গলবার নির্বাচনের দাবি জানান। পাশাপাশি নির্বাচন সুষ্ঠু ও সফল করতে সর্বোচ্চ সহায়তারও প্রতিশ্রুতি দেন। ভোরের আকাশ/এনএস
৪ দিন আগে