এই মুহূর্তে পরীক্ষা পেছানোর কোনো সুযোগ নেই: শিক্ষা বোর্ড
আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের সমন্বয়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার বলেছেন, ইতোমধ্যে পরীক্ষার সব প্রস্তুতি শেষ। সকল কেন্দ্রে পরীক্ষার সরঞ্জামাদি পাঠানো শেষ।এই মুহূর্তে পরীক্ষা পেছানোর কোনো সুযোগ নেই।
বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে আন্ত:শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের সমন্বয়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার গণমাধ্যমকে বলেন, ইতোমধ্যে পরীক্ষার সব প্রস্তুতি শেষ। সব কেন্দ্রে পরীক্ষার সরঞ্জামাদি পাঠানো শেষ। এই মুহূর্তে পরীক্ষা পেছানোর কোনো সুযোগ নেই। পরীক্ষা পেছানোর যেসব দাবি করেছে সেগুলোর কোনো যৌক্তিকতা নেই। তাদের এসব দাবি আমাদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।
তিনি আরো বলেন, আমাদের কাছে যে তথ্য রয়েছে তাতে প্রায় সব শিক্ষার্থী পরীক্ষা দেওয়ার পক্ষে। শিক্ষার্থী নামধারী কিছু কিছু ব্যক্তি ফেসবুকের মাধ্যমে পরীক্ষা পেছানোর ষড়যন্ত্র করছে। তিনি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের গুজবে কান না দিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে অনুরোধ করেন।
পরীক্ষা পেছানোর দাবি উড়িয়ে দিয়ে বোর্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি না হলে নির্ধারিত সময়েই পরীক্ষা হবে। তাই পরীক্ষার্থীদের এখনই চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ভোরের আকাশ/এসএইচ
সংশ্লিষ্ট
আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের সমন্বয়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার বলেছেন, ইতোমধ্যে পরীক্ষার সব প্রস্তুতি শেষ। সকল কেন্দ্রে পরীক্ষার সরঞ্জামাদি পাঠানো শেষ।এই মুহূর্তে পরীক্ষা পেছানোর কোনো সুযোগ নেই।বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে আন্ত:শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের সমন্বয়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার গণমাধ্যমকে বলেন, ইতোমধ্যে পরীক্ষার সব প্রস্তুতি শেষ। সব কেন্দ্রে পরীক্ষার সরঞ্জামাদি পাঠানো শেষ। এই মুহূর্তে পরীক্ষা পেছানোর কোনো সুযোগ নেই। পরীক্ষা পেছানোর যেসব দাবি করেছে সেগুলোর কোনো যৌক্তিকতা নেই। তাদের এসব দাবি আমাদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।তিনি আরো বলেন, আমাদের কাছে যে তথ্য রয়েছে তাতে প্রায় সব শিক্ষার্থী পরীক্ষা দেওয়ার পক্ষে। শিক্ষার্থী নামধারী কিছু কিছু ব্যক্তি ফেসবুকের মাধ্যমে পরীক্ষা পেছানোর ষড়যন্ত্র করছে। তিনি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের গুজবে কান না দিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে অনুরোধ করেন।পরীক্ষা পেছানোর দাবি উড়িয়ে দিয়ে বোর্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি না হলে নির্ধারিত সময়েই পরীক্ষা হবে। তাই পরীক্ষার্থীদের এখনই চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।ভোরের আকাশ/এসএইচ
পরিবর্তিত সূচি অনুযায়ী আগামী ১০ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাচ্ছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। তবে পরীক্ষা এক মাস পেছানোসহ দুই দাবিতে সারা দেশে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছে শিক্ষার্থীরা। দুই দাবি নিয়ে এ আন্দোলনের ডাক দেয় শিক্ষার্থীরা। তাদের দুই দাবি হলো- পরীক্ষা এক মাস পেছানো এবং সব পরীক্ষায় তিন থেকে চার দিন বন্ধ দেওয়া।বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) ‘এসএসসি পরীক্ষার্থী ২০২৫’-এর পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এসব দাবি-দাওয়া তুলে ধরেন পরীক্ষার্থীরা।দাবির যৌক্তিকতা হিসেবে পরীক্ষার্থীরা জানিয়েছে, রমজান মাসে রোজা রেখে ভালোভাবে পরীক্ষার প্রস্তুতি নেয়া সম্ভব হয়নি। এছাড়া ঈদের পরপরই পরীক্ষা হওয়ায় পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নেয়া সম্ভব হচ্ছে না। তাই একমাস সময় দিলে ভালোভাবে প্রস্তুতি নেয়া যাবে।তারা আরও জানিয়েছে, গরমে একটানা পরীক্ষা দেয়া সম্ভব নয়। গরমে একটানা পরীক্ষা দিলে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে পড়বে। এছাড়া বেশিরভাগ শিক্ষার্থীর পরীক্ষার কেন্দ্রও দূরে। তাই প্রত্যেক পরীক্ষায় তিন-চার দিন বন্ধ দিতে হবে।শিক্ষা বোর্ডগুলোর প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী- আগামী ১০ এপ্রিল থেকে এসএসসি, দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষার লিখিত বা তত্ত্বীয়অংশ শেষ হবে ১৩ মে। আর মাদরাসা বোর্ডের অধীনে দাখিলের লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে ১৫ মে। এরপর ২২ মে পর্যন্ত চলবে ব্যবহারিক পরীক্ষা।ভোরের আকাশ/এসএইচ
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হবে আগামী ১২ এপ্রিল। শুক্রবার বুয়েটের ছাত্রকল্যাণ পরিদপ্তর পরিচালক অধ্যাপক ড. এ কে এম মাসুদের সই করা বিশেষ জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মেধা, অধ্যবসায় ও শ্রমের ফলশ্রুতিতে তীব্র এক প্রতিযোগিতামূলক ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির যোগ্যতা অর্জন করায় ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের নবাগত শিক্ষার্থীদের আন্তরিক অভিনন্দন। সবার অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীসহ বুয়েটের সব স্নাতক শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ক্লাস আগামী ১২ এপ্রিল (শনিবার) শুরু হবে।এতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মানুযায়ী প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে কোনো একটি আবাসিক হলে আবাসিক অথবা অনাবাসিক (সংযুক্ত) শিক্ষার্থী হিসেবে ভর্তি হতে হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলসমূহে সিটের (আসন) তীব্র সংকট রয়েছে। এ কারণে (২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষসহ পাঁচটি ব্যাচের শিক্ষার্থী থাকবে) প্রথমবর্ষের শিক্ষার্থীদের ক্লাসের শুরুতে হলে সিট স্বল্পতার কারণে কোনো হলেই আবাসনের ব্যবস্থা করা সম্ভব না-ও হতে পারে।বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলসমূহের তত্ত্বাবধান, শিক্ষর্থীদের শারীরিক ও মানসিক উৎকর্ষের জন্য খেলাধুলা, শরীরচর্চা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান প্রভৃতি সহপাঠ্য কার্যক্রম আয়োজন ও পরিচালনা এবং শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা সুবিধা প্রদানের দায়িত্ব ছাত্রকল্যাণ পরিদপ্তরের ওপর ন্যস্ত।শিক্ষার্থীদের উপযুক্ত প্রকৌশলী, স্থপতি, পরিকল্পনাবিদ; সর্বোপরি একজন সুনাগরিক ও পরিপূর্ণ মানুষরূপে গড়ে তুলতে সব প্রকার সহযোগিতার জন্য ছাত্রকল্যাণ পরিদপ্তর সবসময় সচেষ্ট। এসব সুযোগ-সুবিধার সদ্ব্যবহার করার জন্য নবাগত শিক্ষার্থীরা এগিয়ে আসবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে আশা করা হয়।ভোরের আকাশ/এসএইচ
আগামী ১০ এপ্রিল থেকে শুরু হবে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনের দাখিল পরীক্ষা। পরীক্ষা শুরু আগে দুটি বিষয়ের সময়সূচি (রুটিন) সংশোধন করে শিক্ষাবোর্ড। নতুন সংশোধিত রুটিনে বাংলা প্রথমপত্র ও উচ্চতর গণিত পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। বুধবার (২৬ মার্চ) মাদ্রাসা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসানের সই করা সংশোধিত সময়সূচি প্রকাশ করা হয়।নতুন রুটিনে বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২১ এপ্রিল। আগের রুটিনে এ পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল ২০ এপ্রিল। আর উচ্চতর গণিতের পরীক্ষা নতুন রুটিনে অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৫ মে। আগের রুটিনে এ পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল ১৩ মে। ব্যবহারিক পরীক্ষার তারিখও পরিবর্তন করা হয়েছে।এর আগে ১৬ মার্চ এক বিজ্ঞপ্তি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছিল, ১৩ এপ্রিলের আরবি প্রথম পত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৩ মে। এবার বাংলা প্রথম পত্র ও উচ্চতর গণিত পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করা হলো।দাখিল পরীক্ষা ১০ এপ্রিল থেকে শুরু, শেষ হবে ১৫ মে। আগের রুটিন পরীক্ষা ১৩ মে শেষ হওয়ার কথা ছিল। ব্যবহারিক পরীক্ষার তারিখ বদলে গেছে। এখন ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৬ থেকে ২০ মে পর্যন্ত।ভোরের আকাশ/এসএইচ
এই মুহূর্তে পরীক্ষা পেছানোর কোনো সুযোগ নেই: শিক্ষা বোর্ড
আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের সমন্বয়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার বলেছেন, ইতোমধ্যে পরীক্ষার সব প্রস্তুতি শেষ। সকল কেন্দ্রে পরীক্ষার সরঞ্জামাদি পাঠানো শেষ।এই মুহূর্তে পরীক্ষা পেছানোর কোনো সুযোগ নেই।
বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে আন্ত:শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের সমন্বয়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার গণমাধ্যমকে বলেন, ইতোমধ্যে পরীক্ষার সব প্রস্তুতি শেষ। সব কেন্দ্রে পরীক্ষার সরঞ্জামাদি পাঠানো শেষ। এই মুহূর্তে পরীক্ষা পেছানোর কোনো সুযোগ নেই। পরীক্ষা পেছানোর যেসব দাবি করেছে সেগুলোর কোনো যৌক্তিকতা নেই। তাদের এসব দাবি আমাদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।
তিনি আরো বলেন, আমাদের কাছে যে তথ্য রয়েছে তাতে প্রায় সব শিক্ষার্থী পরীক্ষা দেওয়ার পক্ষে। শিক্ষার্থী নামধারী কিছু কিছু ব্যক্তি ফেসবুকের মাধ্যমে পরীক্ষা পেছানোর ষড়যন্ত্র করছে। তিনি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের গুজবে কান না দিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে অনুরোধ করেন।
পরীক্ষা পেছানোর দাবি উড়িয়ে দিয়ে বোর্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি না হলে নির্ধারিত সময়েই পরীক্ষা হবে। তাই পরীক্ষার্থীদের এখনই চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ভোরের আকাশ/এসএইচ
সংশ্লিষ্ট
আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের সমন্বয়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার বলেছেন, ইতোমধ্যে পরীক্ষার সব প্রস্তুতি শেষ। সকল কেন্দ্রে পরীক্ষার সরঞ্জামাদি পাঠানো শেষ।এই মুহূর্তে পরীক্ষা পেছানোর কোনো সুযোগ নেই।বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে আন্ত:শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের সমন্বয়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার গণমাধ্যমকে বলেন, ইতোমধ্যে পরীক্ষার সব প্রস্তুতি শেষ। সব কেন্দ্রে পরীক্ষার সরঞ্জামাদি পাঠানো শেষ। এই মুহূর্তে পরীক্ষা পেছানোর কোনো সুযোগ নেই। পরীক্ষা পেছানোর যেসব দাবি করেছে সেগুলোর কোনো যৌক্তিকতা নেই। তাদের এসব দাবি আমাদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।তিনি আরো বলেন, আমাদের কাছে যে তথ্য রয়েছে তাতে প্রায় সব শিক্ষার্থী পরীক্ষা দেওয়ার পক্ষে। শিক্ষার্থী নামধারী কিছু কিছু ব্যক্তি ফেসবুকের মাধ্যমে পরীক্ষা পেছানোর ষড়যন্ত্র করছে। তিনি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের গুজবে কান না দিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে অনুরোধ করেন।পরীক্ষা পেছানোর দাবি উড়িয়ে দিয়ে বোর্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি না হলে নির্ধারিত সময়েই পরীক্ষা হবে। তাই পরীক্ষার্থীদের এখনই চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।ভোরের আকাশ/এসএইচ
পরিবর্তিত সূচি অনুযায়ী আগামী ১০ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাচ্ছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। তবে পরীক্ষা এক মাস পেছানোসহ দুই দাবিতে সারা দেশে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছে শিক্ষার্থীরা। দুই দাবি নিয়ে এ আন্দোলনের ডাক দেয় শিক্ষার্থীরা। তাদের দুই দাবি হলো- পরীক্ষা এক মাস পেছানো এবং সব পরীক্ষায় তিন থেকে চার দিন বন্ধ দেওয়া।বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) ‘এসএসসি পরীক্ষার্থী ২০২৫’-এর পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এসব দাবি-দাওয়া তুলে ধরেন পরীক্ষার্থীরা।দাবির যৌক্তিকতা হিসেবে পরীক্ষার্থীরা জানিয়েছে, রমজান মাসে রোজা রেখে ভালোভাবে পরীক্ষার প্রস্তুতি নেয়া সম্ভব হয়নি। এছাড়া ঈদের পরপরই পরীক্ষা হওয়ায় পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নেয়া সম্ভব হচ্ছে না। তাই একমাস সময় দিলে ভালোভাবে প্রস্তুতি নেয়া যাবে।তারা আরও জানিয়েছে, গরমে একটানা পরীক্ষা দেয়া সম্ভব নয়। গরমে একটানা পরীক্ষা দিলে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে পড়বে। এছাড়া বেশিরভাগ শিক্ষার্থীর পরীক্ষার কেন্দ্রও দূরে। তাই প্রত্যেক পরীক্ষায় তিন-চার দিন বন্ধ দিতে হবে।শিক্ষা বোর্ডগুলোর প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী- আগামী ১০ এপ্রিল থেকে এসএসসি, দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষার লিখিত বা তত্ত্বীয়অংশ শেষ হবে ১৩ মে। আর মাদরাসা বোর্ডের অধীনে দাখিলের লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে ১৫ মে। এরপর ২২ মে পর্যন্ত চলবে ব্যবহারিক পরীক্ষা।ভোরের আকাশ/এসএইচ
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হবে আগামী ১২ এপ্রিল। শুক্রবার বুয়েটের ছাত্রকল্যাণ পরিদপ্তর পরিচালক অধ্যাপক ড. এ কে এম মাসুদের সই করা বিশেষ জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মেধা, অধ্যবসায় ও শ্রমের ফলশ্রুতিতে তীব্র এক প্রতিযোগিতামূলক ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির যোগ্যতা অর্জন করায় ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের নবাগত শিক্ষার্থীদের আন্তরিক অভিনন্দন। সবার অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীসহ বুয়েটের সব স্নাতক শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ক্লাস আগামী ১২ এপ্রিল (শনিবার) শুরু হবে।এতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মানুযায়ী প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে কোনো একটি আবাসিক হলে আবাসিক অথবা অনাবাসিক (সংযুক্ত) শিক্ষার্থী হিসেবে ভর্তি হতে হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলসমূহে সিটের (আসন) তীব্র সংকট রয়েছে। এ কারণে (২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষসহ পাঁচটি ব্যাচের শিক্ষার্থী থাকবে) প্রথমবর্ষের শিক্ষার্থীদের ক্লাসের শুরুতে হলে সিট স্বল্পতার কারণে কোনো হলেই আবাসনের ব্যবস্থা করা সম্ভব না-ও হতে পারে।বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলসমূহের তত্ত্বাবধান, শিক্ষর্থীদের শারীরিক ও মানসিক উৎকর্ষের জন্য খেলাধুলা, শরীরচর্চা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান প্রভৃতি সহপাঠ্য কার্যক্রম আয়োজন ও পরিচালনা এবং শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা সুবিধা প্রদানের দায়িত্ব ছাত্রকল্যাণ পরিদপ্তরের ওপর ন্যস্ত।শিক্ষার্থীদের উপযুক্ত প্রকৌশলী, স্থপতি, পরিকল্পনাবিদ; সর্বোপরি একজন সুনাগরিক ও পরিপূর্ণ মানুষরূপে গড়ে তুলতে সব প্রকার সহযোগিতার জন্য ছাত্রকল্যাণ পরিদপ্তর সবসময় সচেষ্ট। এসব সুযোগ-সুবিধার সদ্ব্যবহার করার জন্য নবাগত শিক্ষার্থীরা এগিয়ে আসবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে আশা করা হয়।ভোরের আকাশ/এসএইচ
আগামী ১০ এপ্রিল থেকে শুরু হবে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনের দাখিল পরীক্ষা। পরীক্ষা শুরু আগে দুটি বিষয়ের সময়সূচি (রুটিন) সংশোধন করে শিক্ষাবোর্ড। নতুন সংশোধিত রুটিনে বাংলা প্রথমপত্র ও উচ্চতর গণিত পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। বুধবার (২৬ মার্চ) মাদ্রাসা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসানের সই করা সংশোধিত সময়সূচি প্রকাশ করা হয়।নতুন রুটিনে বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২১ এপ্রিল। আগের রুটিনে এ পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল ২০ এপ্রিল। আর উচ্চতর গণিতের পরীক্ষা নতুন রুটিনে অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৫ মে। আগের রুটিনে এ পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল ১৩ মে। ব্যবহারিক পরীক্ষার তারিখও পরিবর্তন করা হয়েছে।এর আগে ১৬ মার্চ এক বিজ্ঞপ্তি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছিল, ১৩ এপ্রিলের আরবি প্রথম পত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৩ মে। এবার বাংলা প্রথম পত্র ও উচ্চতর গণিত পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করা হলো।দাখিল পরীক্ষা ১০ এপ্রিল থেকে শুরু, শেষ হবে ১৫ মে। আগের রুটিন পরীক্ষা ১৩ মে শেষ হওয়ার কথা ছিল। ব্যবহারিক পরীক্ষার তারিখ বদলে গেছে। এখন ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৬ থেকে ২০ মে পর্যন্ত।ভোরের আকাশ/এসএইচ
মন্তব্য করুন