শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

আজও ফাঁকা ঢাকা

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ৩ এপ্রিল ২০২৫, ২:৪৩ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
আজও ফাঁকা ঢাকা
আজও ফাঁকা ঢাকা

পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে রাজধানী ছেড়ে এখন গ্রামে অবস্থান করছেন কয়েক লাখ মানুষ। ঈদের আগের দিন থেকেই রাজধানীর বেশিরভাগ সড়কই ফাঁকা। প্রধান সড়কগুলোতে বাস চলাচল করছে হাতে গোনা। নেই চিরচেনা যানজট। অলস সময় কাটছে ট্রাফিক পুলিশের। ফাঁকা সড়কগুলো দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা।

ঈদের তৃতীয় দিন বুধবার (২ এপ্রিল) সকাল থেকে রাজধানীর গুলিস্তান, মতিঝিল, শান্তিনগর, কাকরাইল, পল্টন, বাবুবাজার, মালিবাগ, শাহবাগ, ফার্মগেট, বিজয় সরণি, নিউমার্কেট, ধানমন্ডি, রামপুরা, বাড্ডা, কুড়িল, খিলক্ষেত, বিমানবন্দর এবং উত্তরাসহ আশপাশের এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

সরকারি ছুটি অনুযায়ী, আগামী শনিবার (৫ এপ্রিল) পর্যন্ত ছুটি উপভোগ করবেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এই ছুটির মধ্যেই কিছু মানুষ ফিরতে শুরু করেছেন রাজধানীতে। ঈদের তৃতীয় দিন আজ বুধবার সকালে ঢাকা কার্যত ফাঁকাই ছিল। 

এদিন রাজধানীর প্রায় সব সড়কেই যানবাহনের চাপ কম। কিছু বাস চললেও রয়েছে যাত্রী সংকট। নেই চিরচেনা যানজট। ঢাকার স্থায়ী বাসিন্দা ও জরুরি কাজে যারা ঢাকায় রয়ে গেছেন, তাদের অনেকেই পরিবার নিয়ে ঘুরতে বের হচ্ছেন। স্বল্প দূরত্বের কোথাও যেতে তারাও বেছে নিচ্ছেন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা।

উত্তরা থেকে কুড়িলে আসা বাস যাত্রী আলী আরাফাত জানান, অন্য সময়ে উত্তরা হাউজ বিল্ডিংয়ে মোড় থেকে কুড়িল বিশ্বরোড়ে আসতে সময় লাগে এক থেকে দেড় ঘণ্টা। অথচ আজকে মাত্র ১৫ মিনিটেই পৌঁছে গেছি। সব সময় যদি ঢাকার রাস্তা এমন ফাঁকা থাকতো তাহলে জীবনযাত্রা আরও সহজ হতো। ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময়ও বেঁচে যেতো।

বাড্ডা রোড়ের নিয়মিত বাসযাত্রী বাজিত মিয়া বলেন, বাড্ডা থেকে নর্দ্দা আসতে অন্য সময় ৩০ থেকে ৪০ মিনিট লাগতো। কখনো কখনো এক ঘণ্টাও লাগে। অথচ ঈদের তৃতীয় দিন আজকে মাত্র ১০ মিনিটে আসলাম। খুব স্বস্তি লাগছে। ঢাকার চিত্র সব সময় এমন হলে রাজধানীবাসীর জীবনে আরও গতি আসতো। ঢাকা শহরের অসহনীয় যানজট কমানোর বিষয়টি নিয়ে ভাবা উচিত।

গাবতলীতে যাত্রীর জন্য অপেক্ষারত বৈশাখী পরিবহনের চালক রফিকুল ইসলাম বলেন, ঢাকার রাস্তায় যাত্রী নেই বললেই চলে। তবে আজকে কিছুটা বেড়েছে। আশা করছি আগামীকাল থেকে আরও বাড়বে।

সিএনজি চালক সিদ্দীক মিয়া জানান, পুরান ঢাকার দয়াগঞ্জ থেকে যুমনা ফিউচার পার্কে আসতে অন্য দিন আড়াই থেকে তিন ঘণ্টা সময় লাগতো। আজকে মাত্র ৩৩ মিনিটে এসেছি। রাস্তাঘাটে যাত্রীও কম, গাড়িও নেই বললেই চলে।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

শেয়ার করুন: