আজও ফাঁকা ঢাকা
পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে রাজধানী ছেড়ে এখন গ্রামে অবস্থান করছেন কয়েক লাখ মানুষ। ঈদের আগের দিন থেকেই রাজধানীর বেশিরভাগ সড়কই ফাঁকা। প্রধান সড়কগুলোতে বাস চলাচল করছে হাতে গোনা। নেই চিরচেনা যানজট। অলস সময় কাটছে ট্রাফিক পুলিশের। ফাঁকা সড়কগুলো দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা।
ঈদের তৃতীয় দিন বুধবার (২ এপ্রিল) সকাল থেকে রাজধানীর গুলিস্তান, মতিঝিল, শান্তিনগর, কাকরাইল, পল্টন, বাবুবাজার, মালিবাগ, শাহবাগ, ফার্মগেট, বিজয় সরণি, নিউমার্কেট, ধানমন্ডি, রামপুরা, বাড্ডা, কুড়িল, খিলক্ষেত, বিমানবন্দর এবং উত্তরাসহ আশপাশের এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরকারি ছুটি অনুযায়ী, আগামী শনিবার (৫ এপ্রিল) পর্যন্ত ছুটি উপভোগ করবেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এই ছুটির মধ্যেই কিছু মানুষ ফিরতে শুরু করেছেন রাজধানীতে। ঈদের তৃতীয় দিন আজ বুধবার সকালে ঢাকা কার্যত ফাঁকাই ছিল।
এদিন রাজধানীর প্রায় সব সড়কেই যানবাহনের চাপ কম। কিছু বাস চললেও রয়েছে যাত্রী সংকট। নেই চিরচেনা যানজট। ঢাকার স্থায়ী বাসিন্দা ও জরুরি কাজে যারা ঢাকায় রয়ে গেছেন, তাদের অনেকেই পরিবার নিয়ে ঘুরতে বের হচ্ছেন। স্বল্প দূরত্বের কোথাও যেতে তারাও বেছে নিচ্ছেন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা।
উত্তরা থেকে কুড়িলে আসা বাস যাত্রী আলী আরাফাত জানান, অন্য সময়ে উত্তরা হাউজ বিল্ডিংয়ে মোড় থেকে কুড়িল বিশ্বরোড়ে আসতে সময় লাগে এক থেকে দেড় ঘণ্টা। অথচ আজকে মাত্র ১৫ মিনিটেই পৌঁছে গেছি। সব সময় যদি ঢাকার রাস্তা এমন ফাঁকা থাকতো তাহলে জীবনযাত্রা আরও সহজ হতো। ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময়ও বেঁচে যেতো।
বাড্ডা রোড়ের নিয়মিত বাসযাত্রী বাজিত মিয়া বলেন, বাড্ডা থেকে নর্দ্দা আসতে অন্য সময় ৩০ থেকে ৪০ মিনিট লাগতো। কখনো কখনো এক ঘণ্টাও লাগে। অথচ ঈদের তৃতীয় দিন আজকে মাত্র ১০ মিনিটে আসলাম। খুব স্বস্তি লাগছে। ঢাকার চিত্র সব সময় এমন হলে রাজধানীবাসীর জীবনে আরও গতি আসতো। ঢাকা শহরের অসহনীয় যানজট কমানোর বিষয়টি নিয়ে ভাবা উচিত।
গাবতলীতে যাত্রীর জন্য অপেক্ষারত বৈশাখী পরিবহনের চালক রফিকুল ইসলাম বলেন, ঢাকার রাস্তায় যাত্রী নেই বললেই চলে। তবে আজকে কিছুটা বেড়েছে। আশা করছি আগামীকাল থেকে আরও বাড়বে।
সিএনজি চালক সিদ্দীক মিয়া জানান, পুরান ঢাকার দয়াগঞ্জ থেকে যুমনা ফিউচার পার্কে আসতে অন্য দিন আড়াই থেকে তিন ঘণ্টা সময় লাগতো। আজকে মাত্র ৩৩ মিনিটে এসেছি। রাস্তাঘাটে যাত্রীও কম, গাড়িও নেই বললেই চলে।
ভোরের আকাশ/এসএইচ
সংশ্লিষ্ট
মুসলিমদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে টানা ৯ দিনের ছুটির ফাঁদে পড়েছে দেশ। সরকারি ছুটি অনুযায়ী, আগামী শনিবার (৫ এপ্রিল) পর্যন্ত ছুটি উপভোগ করবেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।এই ছুটির মধ্যেই কিছু মানুষ ফিরতে শুরু করেছেন মেগা সিটি ঢাকায়। তবে সেটি সংখ্যায় খুবই সামান্য। ফলে গতকাল বুধবার সকালেও ঢাকা কার্যত ফাঁকাই ছিল। রাজধানীর সড়কে বাড়তে শুরু করেছে গণপরিবহন ও সাধারণ মানুষের চলাচল। তবে সেটি যানজটের পর্যায়ে পৌঁছায়নি। এর ফলে দ্রুত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পেরে উচ্ছ্বসিত নগরবাসী। কিন্তু মন খারাপ পরিবহন শ্রমিকদের।যাত্রীরা বলছেন, তারা ১ থেকে দেড় ঘণ্টার পথ পাড়ি দিতে পারছেন ১৫ মিনিটের মধ্যেই। এমন ঢাকা সব সময় থাকলে ভালোই হতো। অন্যদিকে পরিবহন শ্রমিকরা বলছেন, যে পরিমাণ যাত্রী পাচ্ছেন তাতে তেলের খরচই উঠবে না।গতকাল বুধবার সকালে রাজধানীর বেশ কয়েকটি সড়ক ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।রাজধানীর মোহাম্মদপুর, কল্যাণপুর, শ্যামলী, কলেজগেট, আসাদ গেট, ধানমন্ডি, কারওয়ান বাজার ও বাংলামোটর এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, গত দুই দিনের তুলনায় রাজধানীর সড়কে বৃদ্ধি পেয়েছে সাধারণ মানুষের চলাচল ও যানবাহনের সংখ্যা। তবে অধিকাংশ গণপরিবহনে থাকছে আসন ফাঁকা। কর্মদিবসের ঢাকার মতো নেই যানজট। সেই সঙ্গে গণপরিবহনে গেটে যাত্রী ঝোলার চিত্রও দেখা মেলেনি।এছাড়াও বাস স্টপেজগুলোতে এসে যাত্রীর অপেক্ষায় থাকা যানবাহনের শ্রমিকদের যাত্রী খোঁজার চিত্র ছিল চোখে পড়ার মতো। যাত্রীর অভাবে গণপরিবহনগুলো রাজধানীর বিভিন্ন স্টপেজে এসে কিছু সময়ের জন্য অপেক্ষায় থাকতেও দেখা যায়। এছাড়া সড়কের কোথাও যানজটের চিত্র দেখা মেলেনি।উল্লেখ্য, প্রথমে ঈদ উপলক্ষ্যে পাঁচ দিন ছুটি ঘোষণা করেছিল সরকার। পরে সেখানে নির্বাহী আদেশে ৩ এপ্রিলও ছুটি ঘোষণা করা হয়। এর ফলে এবার ২৮ মার্চ থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত টানা নয় দিন ছুটি পাচ্ছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।ভোরের আকাশ/এসএইচ
ঈদ উপলক্ষে ৯ দিন বন্ধ থাকার পর আগামী রোববার (৬ এপ্রিল) আবার শুরু হচ্ছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) ও খাদ্য অধিদপ্তরের সাশ্রয়ী দামে পণ্য বিক্রি কার্যক্রম।সংস্থাটি স্মার্ট পরিবার কার্ডের মাধ্যমে পরিবেশক বা সরবরাহকারীর দোকানের মাধ্যমে এসব পণ্য বিক্রি করে। আবার স্মার্ট কার্ড ছাড়া সর্বসাধারণের জন্য ট্রাকে করেও তেল, ডাল, চিনি বিক্রি করে সংস্থাটি।অন্যদিকে খোলাবাজারে বিক্রি বা ওএমএস কর্মসূচির আওতায় ট্রাকে করে সাশ্রয়ী দামে চাল ও আটা বিক্রি করে খাদ্য অধিদপ্তর। ট্রাকের পাশাপাশি নির্ধারিত পরিবেশকের দোকানের মাধ্যমেও চাল-আটা বিক্রি করে সংস্থাটি।সরকারি এই দুটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা জানান, ঈদের আগে সর্বশেষ গত ২৭ মার্চ পর্যন্ত সাশ্রয়ী দামে পণ্য বিক্রি কার্যক্রম চালিয়েছিলেন তারা। সরকারি ছুটি শেষে ৬ এপ্রিল আবার এ কার্যক্রম শুরু হবে।ভোরের আকাশ/এসএইচ
পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে রাজধানী ছেড়ে এখন গ্রামে অবস্থান করছেন কয়েক লাখ মানুষ। ঈদের আগের দিন থেকেই রাজধানীর বেশিরভাগ সড়কই ফাঁকা। প্রধান সড়কগুলোতে বাস চলাচল করছে হাতে গোনা। নেই চিরচেনা যানজট। অলস সময় কাটছে ট্রাফিক পুলিশের। ফাঁকা সড়কগুলো দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা।ঈদের তৃতীয় দিন বুধবার (২ এপ্রিল) সকাল থেকে রাজধানীর গুলিস্তান, মতিঝিল, শান্তিনগর, কাকরাইল, পল্টন, বাবুবাজার, মালিবাগ, শাহবাগ, ফার্মগেট, বিজয় সরণি, নিউমার্কেট, ধানমন্ডি, রামপুরা, বাড্ডা, কুড়িল, খিলক্ষেত, বিমানবন্দর এবং উত্তরাসহ আশপাশের এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।সরকারি ছুটি অনুযায়ী, আগামী শনিবার (৫ এপ্রিল) পর্যন্ত ছুটি উপভোগ করবেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এই ছুটির মধ্যেই কিছু মানুষ ফিরতে শুরু করেছেন রাজধানীতে। ঈদের তৃতীয় দিন আজ বুধবার সকালে ঢাকা কার্যত ফাঁকাই ছিল। এদিন রাজধানীর প্রায় সব সড়কেই যানবাহনের চাপ কম। কিছু বাস চললেও রয়েছে যাত্রী সংকট। নেই চিরচেনা যানজট। ঢাকার স্থায়ী বাসিন্দা ও জরুরি কাজে যারা ঢাকায় রয়ে গেছেন, তাদের অনেকেই পরিবার নিয়ে ঘুরতে বের হচ্ছেন। স্বল্প দূরত্বের কোথাও যেতে তারাও বেছে নিচ্ছেন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা।উত্তরা থেকে কুড়িলে আসা বাস যাত্রী আলী আরাফাত জানান, অন্য সময়ে উত্তরা হাউজ বিল্ডিংয়ে মোড় থেকে কুড়িল বিশ্বরোড়ে আসতে সময় লাগে এক থেকে দেড় ঘণ্টা। অথচ আজকে মাত্র ১৫ মিনিটেই পৌঁছে গেছি। সব সময় যদি ঢাকার রাস্তা এমন ফাঁকা থাকতো তাহলে জীবনযাত্রা আরও সহজ হতো। ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময়ও বেঁচে যেতো।বাড্ডা রোড়ের নিয়মিত বাসযাত্রী বাজিত মিয়া বলেন, বাড্ডা থেকে নর্দ্দা আসতে অন্য সময় ৩০ থেকে ৪০ মিনিট লাগতো। কখনো কখনো এক ঘণ্টাও লাগে। অথচ ঈদের তৃতীয় দিন আজকে মাত্র ১০ মিনিটে আসলাম। খুব স্বস্তি লাগছে। ঢাকার চিত্র সব সময় এমন হলে রাজধানীবাসীর জীবনে আরও গতি আসতো। ঢাকা শহরের অসহনীয় যানজট কমানোর বিষয়টি নিয়ে ভাবা উচিত।গাবতলীতে যাত্রীর জন্য অপেক্ষারত বৈশাখী পরিবহনের চালক রফিকুল ইসলাম বলেন, ঢাকার রাস্তায় যাত্রী নেই বললেই চলে। তবে আজকে কিছুটা বেড়েছে। আশা করছি আগামীকাল থেকে আরও বাড়বে।সিএনজি চালক সিদ্দীক মিয়া জানান, পুরান ঢাকার দয়াগঞ্জ থেকে যুমনা ফিউচার পার্কে আসতে অন্য দিন আড়াই থেকে তিন ঘণ্টা সময় লাগতো। আজকে মাত্র ৩৩ মিনিটে এসেছি। রাস্তাঘাটে যাত্রীও কম, গাড়িও নেই বললেই চলে।ভোরের আকাশ/এসএইচ
পর্যটন মৌসুম শেষ হবার আগেই শুরু হয় পবিত্র রমজান মাস। ফলে, পুরো রমজানে জনশূন্য থেকেছে কক্সবাজারের বেলাভূমি। কিন্তু সোমবার (৩১ মার্চ) ঈদুল ফিতরের ছুটির বদৌলতে কক্সবাজারে পর্যটক সমাগম শুরু হয়েছে।ঈদের দ্বিতীয় দিন (মঙ্গলবার) উল্লেখ করার মতো বেড়েছে পর্যটক ও দর্শনার্থী উপস্থিতি। আগামী ৫ এপ্রিল পর্যন্ত এমন বিচরণ থাকবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।সরেজমিনে দেখা যায়, গরম উপেক্ষা করে কক্সবাজার সৈকতের লাবণী, সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্টে সকাল-দুপুর-সন্ধ্যায় লোকসমাগম বাড়তে থাকে। রমাজানের সুনসান নীরবতা থাকা হোটেল-মোটেল জোনে অটোরিকশার বিচরণ, খাবার ও সৌখিন পণ্যের দোকানগুলো পালা করে খুলছেন ব্যবসায়ীরা। বেড়েছে ফুটপাতের বেচাকেনাও। সৈকতে বেড়েছে বিনোদন সঙ্গী ঘোড়া, বীচ বাইক, জেট স্কিসহ অন্যান্য অনুষঙ্গ।ঢাকা থেকে আগত পর্যটক তাসনিম বলেন, ইদের ছুটিতে পরিবার নিয়ে কক্সবাজারে এসেছি। অনেক ভালো লাগছে। তবে প্রচণ্ড গরম। তারপরও সৈকতের নোনাজলে পা ভেজাতে পেরে আমরা অনেক খুশি।কুমিল্লা থেকে আগত পর্যটক উর্মি বলেন, প্রথমবার কক্সবাজারে আসছি। তবে হোটেল বুকিং দিয়ে আসিনি। সকাল থেকে রুম খুঁজছি। ভালো মানের হোটেল ৪-৫ হাজারের নিচে পাচ্ছি না। এত বাজেট নেই। আমাদের বাজেট ২ থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত।ঢাকা মিরপুর থেকে আগত পর্যটক রাজ্জাক বলেন, ছুটি কাটাতে পরিবার নিয়ে কক্সবাজারে আসছি। সাগরের গর্জন শুনে ভনটা ভরে গেলেও হোটেল ভাড়াটা একটু বেশি বলে অভিযোগ করেন এই পর্যটক।কক্সবাজার আবাসিক হোটেল, মোটেল, গেস্ট হাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার বলেন, ঈদের পরের দিন সকাল থেকে পর্যটকরা আসতে শুরু করেছে। এই মুহূর্তে তারকা মানের হোটেলগুলো প্রায় বুকিং রয়েছে। তবে কিছু অসাধু ব্যাবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরি করে হোটেল ভাড়া বেশি নিচ্ছে।টুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার রিজিয়নের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মহমুদ বলেন, কক্সবাজারে বেড়াতে আসা পর্যটকদের নিরাপত্তায় ট্যুরিস্ট পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে। পর্যটকদের সুবিধার জন্য সৈকতের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট গুলোতে হেল্প ডেস্ক স্থাপন করা হয়েছে। এ ছাড়া জেলা পুলিশের সহযোগিতায় পর্যটন এলাকায় টহল জোরদার করা হয়েছে।পর্যটকেরা কক্সবাজার ভ্রমণ শেষে নিরাপদে বাড়িতে ফিরতে পারেন সে জন্য যা যা করার প্রয়োজন সব কিছু করতে ট্যুরিস্ট পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে বলে তিনি জানান।ভোরের আকাশ/এসএইচ
আজও ফাঁকা ঢাকা
পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে রাজধানী ছেড়ে এখন গ্রামে অবস্থান করছেন কয়েক লাখ মানুষ। ঈদের আগের দিন থেকেই রাজধানীর বেশিরভাগ সড়কই ফাঁকা। প্রধান সড়কগুলোতে বাস চলাচল করছে হাতে গোনা। নেই চিরচেনা যানজট। অলস সময় কাটছে ট্রাফিক পুলিশের। ফাঁকা সড়কগুলো দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা।
ঈদের তৃতীয় দিন বুধবার (২ এপ্রিল) সকাল থেকে রাজধানীর গুলিস্তান, মতিঝিল, শান্তিনগর, কাকরাইল, পল্টন, বাবুবাজার, মালিবাগ, শাহবাগ, ফার্মগেট, বিজয় সরণি, নিউমার্কেট, ধানমন্ডি, রামপুরা, বাড্ডা, কুড়িল, খিলক্ষেত, বিমানবন্দর এবং উত্তরাসহ আশপাশের এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরকারি ছুটি অনুযায়ী, আগামী শনিবার (৫ এপ্রিল) পর্যন্ত ছুটি উপভোগ করবেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এই ছুটির মধ্যেই কিছু মানুষ ফিরতে শুরু করেছেন রাজধানীতে। ঈদের তৃতীয় দিন আজ বুধবার সকালে ঢাকা কার্যত ফাঁকাই ছিল।
এদিন রাজধানীর প্রায় সব সড়কেই যানবাহনের চাপ কম। কিছু বাস চললেও রয়েছে যাত্রী সংকট। নেই চিরচেনা যানজট। ঢাকার স্থায়ী বাসিন্দা ও জরুরি কাজে যারা ঢাকায় রয়ে গেছেন, তাদের অনেকেই পরিবার নিয়ে ঘুরতে বের হচ্ছেন। স্বল্প দূরত্বের কোথাও যেতে তারাও বেছে নিচ্ছেন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা।
উত্তরা থেকে কুড়িলে আসা বাস যাত্রী আলী আরাফাত জানান, অন্য সময়ে উত্তরা হাউজ বিল্ডিংয়ে মোড় থেকে কুড়িল বিশ্বরোড়ে আসতে সময় লাগে এক থেকে দেড় ঘণ্টা। অথচ আজকে মাত্র ১৫ মিনিটেই পৌঁছে গেছি। সব সময় যদি ঢাকার রাস্তা এমন ফাঁকা থাকতো তাহলে জীবনযাত্রা আরও সহজ হতো। ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময়ও বেঁচে যেতো।
বাড্ডা রোড়ের নিয়মিত বাসযাত্রী বাজিত মিয়া বলেন, বাড্ডা থেকে নর্দ্দা আসতে অন্য সময় ৩০ থেকে ৪০ মিনিট লাগতো। কখনো কখনো এক ঘণ্টাও লাগে। অথচ ঈদের তৃতীয় দিন আজকে মাত্র ১০ মিনিটে আসলাম। খুব স্বস্তি লাগছে। ঢাকার চিত্র সব সময় এমন হলে রাজধানীবাসীর জীবনে আরও গতি আসতো। ঢাকা শহরের অসহনীয় যানজট কমানোর বিষয়টি নিয়ে ভাবা উচিত।
গাবতলীতে যাত্রীর জন্য অপেক্ষারত বৈশাখী পরিবহনের চালক রফিকুল ইসলাম বলেন, ঢাকার রাস্তায় যাত্রী নেই বললেই চলে। তবে আজকে কিছুটা বেড়েছে। আশা করছি আগামীকাল থেকে আরও বাড়বে।
সিএনজি চালক সিদ্দীক মিয়া জানান, পুরান ঢাকার দয়াগঞ্জ থেকে যুমনা ফিউচার পার্কে আসতে অন্য দিন আড়াই থেকে তিন ঘণ্টা সময় লাগতো। আজকে মাত্র ৩৩ মিনিটে এসেছি। রাস্তাঘাটে যাত্রীও কম, গাড়িও নেই বললেই চলে।
ভোরের আকাশ/এসএইচ
সংশ্লিষ্ট
মুসলিমদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে টানা ৯ দিনের ছুটির ফাঁদে পড়েছে দেশ। সরকারি ছুটি অনুযায়ী, আগামী শনিবার (৫ এপ্রিল) পর্যন্ত ছুটি উপভোগ করবেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।এই ছুটির মধ্যেই কিছু মানুষ ফিরতে শুরু করেছেন মেগা সিটি ঢাকায়। তবে সেটি সংখ্যায় খুবই সামান্য। ফলে গতকাল বুধবার সকালেও ঢাকা কার্যত ফাঁকাই ছিল। রাজধানীর সড়কে বাড়তে শুরু করেছে গণপরিবহন ও সাধারণ মানুষের চলাচল। তবে সেটি যানজটের পর্যায়ে পৌঁছায়নি। এর ফলে দ্রুত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পেরে উচ্ছ্বসিত নগরবাসী। কিন্তু মন খারাপ পরিবহন শ্রমিকদের।যাত্রীরা বলছেন, তারা ১ থেকে দেড় ঘণ্টার পথ পাড়ি দিতে পারছেন ১৫ মিনিটের মধ্যেই। এমন ঢাকা সব সময় থাকলে ভালোই হতো। অন্যদিকে পরিবহন শ্রমিকরা বলছেন, যে পরিমাণ যাত্রী পাচ্ছেন তাতে তেলের খরচই উঠবে না।গতকাল বুধবার সকালে রাজধানীর বেশ কয়েকটি সড়ক ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।রাজধানীর মোহাম্মদপুর, কল্যাণপুর, শ্যামলী, কলেজগেট, আসাদ গেট, ধানমন্ডি, কারওয়ান বাজার ও বাংলামোটর এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, গত দুই দিনের তুলনায় রাজধানীর সড়কে বৃদ্ধি পেয়েছে সাধারণ মানুষের চলাচল ও যানবাহনের সংখ্যা। তবে অধিকাংশ গণপরিবহনে থাকছে আসন ফাঁকা। কর্মদিবসের ঢাকার মতো নেই যানজট। সেই সঙ্গে গণপরিবহনে গেটে যাত্রী ঝোলার চিত্রও দেখা মেলেনি।এছাড়াও বাস স্টপেজগুলোতে এসে যাত্রীর অপেক্ষায় থাকা যানবাহনের শ্রমিকদের যাত্রী খোঁজার চিত্র ছিল চোখে পড়ার মতো। যাত্রীর অভাবে গণপরিবহনগুলো রাজধানীর বিভিন্ন স্টপেজে এসে কিছু সময়ের জন্য অপেক্ষায় থাকতেও দেখা যায়। এছাড়া সড়কের কোথাও যানজটের চিত্র দেখা মেলেনি।উল্লেখ্য, প্রথমে ঈদ উপলক্ষ্যে পাঁচ দিন ছুটি ঘোষণা করেছিল সরকার। পরে সেখানে নির্বাহী আদেশে ৩ এপ্রিলও ছুটি ঘোষণা করা হয়। এর ফলে এবার ২৮ মার্চ থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত টানা নয় দিন ছুটি পাচ্ছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।ভোরের আকাশ/এসএইচ
ঈদ উপলক্ষে ৯ দিন বন্ধ থাকার পর আগামী রোববার (৬ এপ্রিল) আবার শুরু হচ্ছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) ও খাদ্য অধিদপ্তরের সাশ্রয়ী দামে পণ্য বিক্রি কার্যক্রম।সংস্থাটি স্মার্ট পরিবার কার্ডের মাধ্যমে পরিবেশক বা সরবরাহকারীর দোকানের মাধ্যমে এসব পণ্য বিক্রি করে। আবার স্মার্ট কার্ড ছাড়া সর্বসাধারণের জন্য ট্রাকে করেও তেল, ডাল, চিনি বিক্রি করে সংস্থাটি।অন্যদিকে খোলাবাজারে বিক্রি বা ওএমএস কর্মসূচির আওতায় ট্রাকে করে সাশ্রয়ী দামে চাল ও আটা বিক্রি করে খাদ্য অধিদপ্তর। ট্রাকের পাশাপাশি নির্ধারিত পরিবেশকের দোকানের মাধ্যমেও চাল-আটা বিক্রি করে সংস্থাটি।সরকারি এই দুটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা জানান, ঈদের আগে সর্বশেষ গত ২৭ মার্চ পর্যন্ত সাশ্রয়ী দামে পণ্য বিক্রি কার্যক্রম চালিয়েছিলেন তারা। সরকারি ছুটি শেষে ৬ এপ্রিল আবার এ কার্যক্রম শুরু হবে।ভোরের আকাশ/এসএইচ
পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে রাজধানী ছেড়ে এখন গ্রামে অবস্থান করছেন কয়েক লাখ মানুষ। ঈদের আগের দিন থেকেই রাজধানীর বেশিরভাগ সড়কই ফাঁকা। প্রধান সড়কগুলোতে বাস চলাচল করছে হাতে গোনা। নেই চিরচেনা যানজট। অলস সময় কাটছে ট্রাফিক পুলিশের। ফাঁকা সড়কগুলো দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা।ঈদের তৃতীয় দিন বুধবার (২ এপ্রিল) সকাল থেকে রাজধানীর গুলিস্তান, মতিঝিল, শান্তিনগর, কাকরাইল, পল্টন, বাবুবাজার, মালিবাগ, শাহবাগ, ফার্মগেট, বিজয় সরণি, নিউমার্কেট, ধানমন্ডি, রামপুরা, বাড্ডা, কুড়িল, খিলক্ষেত, বিমানবন্দর এবং উত্তরাসহ আশপাশের এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।সরকারি ছুটি অনুযায়ী, আগামী শনিবার (৫ এপ্রিল) পর্যন্ত ছুটি উপভোগ করবেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এই ছুটির মধ্যেই কিছু মানুষ ফিরতে শুরু করেছেন রাজধানীতে। ঈদের তৃতীয় দিন আজ বুধবার সকালে ঢাকা কার্যত ফাঁকাই ছিল। এদিন রাজধানীর প্রায় সব সড়কেই যানবাহনের চাপ কম। কিছু বাস চললেও রয়েছে যাত্রী সংকট। নেই চিরচেনা যানজট। ঢাকার স্থায়ী বাসিন্দা ও জরুরি কাজে যারা ঢাকায় রয়ে গেছেন, তাদের অনেকেই পরিবার নিয়ে ঘুরতে বের হচ্ছেন। স্বল্প দূরত্বের কোথাও যেতে তারাও বেছে নিচ্ছেন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা।উত্তরা থেকে কুড়িলে আসা বাস যাত্রী আলী আরাফাত জানান, অন্য সময়ে উত্তরা হাউজ বিল্ডিংয়ে মোড় থেকে কুড়িল বিশ্বরোড়ে আসতে সময় লাগে এক থেকে দেড় ঘণ্টা। অথচ আজকে মাত্র ১৫ মিনিটেই পৌঁছে গেছি। সব সময় যদি ঢাকার রাস্তা এমন ফাঁকা থাকতো তাহলে জীবনযাত্রা আরও সহজ হতো। ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময়ও বেঁচে যেতো।বাড্ডা রোড়ের নিয়মিত বাসযাত্রী বাজিত মিয়া বলেন, বাড্ডা থেকে নর্দ্দা আসতে অন্য সময় ৩০ থেকে ৪০ মিনিট লাগতো। কখনো কখনো এক ঘণ্টাও লাগে। অথচ ঈদের তৃতীয় দিন আজকে মাত্র ১০ মিনিটে আসলাম। খুব স্বস্তি লাগছে। ঢাকার চিত্র সব সময় এমন হলে রাজধানীবাসীর জীবনে আরও গতি আসতো। ঢাকা শহরের অসহনীয় যানজট কমানোর বিষয়টি নিয়ে ভাবা উচিত।গাবতলীতে যাত্রীর জন্য অপেক্ষারত বৈশাখী পরিবহনের চালক রফিকুল ইসলাম বলেন, ঢাকার রাস্তায় যাত্রী নেই বললেই চলে। তবে আজকে কিছুটা বেড়েছে। আশা করছি আগামীকাল থেকে আরও বাড়বে।সিএনজি চালক সিদ্দীক মিয়া জানান, পুরান ঢাকার দয়াগঞ্জ থেকে যুমনা ফিউচার পার্কে আসতে অন্য দিন আড়াই থেকে তিন ঘণ্টা সময় লাগতো। আজকে মাত্র ৩৩ মিনিটে এসেছি। রাস্তাঘাটে যাত্রীও কম, গাড়িও নেই বললেই চলে।ভোরের আকাশ/এসএইচ
পর্যটন মৌসুম শেষ হবার আগেই শুরু হয় পবিত্র রমজান মাস। ফলে, পুরো রমজানে জনশূন্য থেকেছে কক্সবাজারের বেলাভূমি। কিন্তু সোমবার (৩১ মার্চ) ঈদুল ফিতরের ছুটির বদৌলতে কক্সবাজারে পর্যটক সমাগম শুরু হয়েছে।ঈদের দ্বিতীয় দিন (মঙ্গলবার) উল্লেখ করার মতো বেড়েছে পর্যটক ও দর্শনার্থী উপস্থিতি। আগামী ৫ এপ্রিল পর্যন্ত এমন বিচরণ থাকবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।সরেজমিনে দেখা যায়, গরম উপেক্ষা করে কক্সবাজার সৈকতের লাবণী, সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্টে সকাল-দুপুর-সন্ধ্যায় লোকসমাগম বাড়তে থাকে। রমাজানের সুনসান নীরবতা থাকা হোটেল-মোটেল জোনে অটোরিকশার বিচরণ, খাবার ও সৌখিন পণ্যের দোকানগুলো পালা করে খুলছেন ব্যবসায়ীরা। বেড়েছে ফুটপাতের বেচাকেনাও। সৈকতে বেড়েছে বিনোদন সঙ্গী ঘোড়া, বীচ বাইক, জেট স্কিসহ অন্যান্য অনুষঙ্গ।ঢাকা থেকে আগত পর্যটক তাসনিম বলেন, ইদের ছুটিতে পরিবার নিয়ে কক্সবাজারে এসেছি। অনেক ভালো লাগছে। তবে প্রচণ্ড গরম। তারপরও সৈকতের নোনাজলে পা ভেজাতে পেরে আমরা অনেক খুশি।কুমিল্লা থেকে আগত পর্যটক উর্মি বলেন, প্রথমবার কক্সবাজারে আসছি। তবে হোটেল বুকিং দিয়ে আসিনি। সকাল থেকে রুম খুঁজছি। ভালো মানের হোটেল ৪-৫ হাজারের নিচে পাচ্ছি না। এত বাজেট নেই। আমাদের বাজেট ২ থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত।ঢাকা মিরপুর থেকে আগত পর্যটক রাজ্জাক বলেন, ছুটি কাটাতে পরিবার নিয়ে কক্সবাজারে আসছি। সাগরের গর্জন শুনে ভনটা ভরে গেলেও হোটেল ভাড়াটা একটু বেশি বলে অভিযোগ করেন এই পর্যটক।কক্সবাজার আবাসিক হোটেল, মোটেল, গেস্ট হাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার বলেন, ঈদের পরের দিন সকাল থেকে পর্যটকরা আসতে শুরু করেছে। এই মুহূর্তে তারকা মানের হোটেলগুলো প্রায় বুকিং রয়েছে। তবে কিছু অসাধু ব্যাবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরি করে হোটেল ভাড়া বেশি নিচ্ছে।টুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার রিজিয়নের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মহমুদ বলেন, কক্সবাজারে বেড়াতে আসা পর্যটকদের নিরাপত্তায় ট্যুরিস্ট পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে। পর্যটকদের সুবিধার জন্য সৈকতের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট গুলোতে হেল্প ডেস্ক স্থাপন করা হয়েছে। এ ছাড়া জেলা পুলিশের সহযোগিতায় পর্যটন এলাকায় টহল জোরদার করা হয়েছে।পর্যটকেরা কক্সবাজার ভ্রমণ শেষে নিরাপদে বাড়িতে ফিরতে পারেন সে জন্য যা যা করার প্রয়োজন সব কিছু করতে ট্যুরিস্ট পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে বলে তিনি জানান।ভোরের আকাশ/এসএইচ
মন্তব্য করুন