বাংলাদেশের তারকা খেলোয়াড় মোস্তাফিজুর রহমানকে কলকাতা নাইট রাইডার্স দল থেকে বাদ দেওয়ায় ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগের (আইপিএল) সব খেলা এবং অনুষ্ঠান প্রচার/সম্প্রচার বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে সরকার।সোমবার (৫ ডিসেম্বর) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব ফিরোজ খানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।এতে বলা হয়, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড কর্তৃক আগামী ২৬ মার্চ থেকে অনুষ্ঠেয় ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) ক্রিকেট খেলায় বাংলাদেশের তারকা খেলোয়াড় মোস্তাফিজুর রহমানকে কলকাতা নাইট রাইডার্স দল থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দৃষ্টিগোচর হয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের এমন সিদ্ধান্তের কোনো যৌক্তিক কারণ জানা নেই এবং এমন সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের জনগণকে ব্যথিত, মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ করেছে।এ অবস্থায়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) সব খেলা এবং অনুষ্ঠান প্রচার বা সম্প্রচার বন্ধ রাখার জন্য টেলিভিশন চ্যানেলের শীর্ষ নির্বাহীদের নির্দেশনা দেওয়া হয় চিঠিতে। ভোরের আকাশ/মো.আ.
২ সপ্তাহ আগে
বাংলাদেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ তথ্য অবকাঠামো আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূনের সঙ্গে জাপানভিত্তিক তথ্য-নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান সাইফার কোর লিমিটেড (Cipher Core Co. Ltd.)-এর একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৈঠকে নেতৃত্ব দেন জাপানের পুরস্কারপ্রাপ্ত তথ্য-নিরাপত্তা বিজ্ঞানী ও এমআইটি-ভিত্তিক গবেষক প্রফেসর তাকাতোশি নাকামুরা, যিনি কমপ্লিট সাইফার কোর লিমিটেড-এর উদ্ভাবক। আলোচনায় জাতীয় তথ্য-নিরাপত্তা কাঠামো জোরদারকরণ, সরকারি ডিজিটাল সিস্টেমের সুরক্ষা এবং কোয়ান্টাম-প্রতিরোধী প্রযুক্তির গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।এছাড়া কমিউনিটি পর্যায়ে ডিজিটাল ক্যাশ ব্যবস্থার সম্ভাবনা, মানবসম্পদ উন্নয়ন, বাংলাদেশ–জাপান দক্ষ জনশক্তি সহযোগিতা এবং চামড়া শিল্পে ক্রমবর্ধমান প্রযুক্তিনির্ভর সম্ভাবনা নিয়েও মতবিনিময় হয়।উভয়পক্ষ একটি নিরাপদ, প্রযুক্তিনির্ভর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার বিষয়ে পারস্পরিক আগ্রহ প্রকাশ করেন।বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন জাপানে বাংলাদেশের মাননীয় রাষ্ট্রদূত দাউদ আলী, জাপানের সাবেক অর্থ প্রতিমন্ত্রী মোতোইউকি ওদাচি, সাইফার কোর লিমিটেড-এর চেয়ারম্যান আপেল মাহমুদ এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মাহী ইসলাম। এই প্রতিনিধিদলটি ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে ডিজিটাল ফাইন্যান্সিং ও আর্থিক তথ্য-নিরাপত্তা নিয়ে ধারাবাহিক আলোচনা করেছে।ভোরের আকাশ/মো.আ.
২ সপ্তাহ আগে
বাংলা ভাষার জন্য এই প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম ‘কাগজ ডট এআই (kagoj.ai)’ চালু করা হয়েছে। একই সঙ্গে উন্মোচন করা হয়েছে নতুন বাংলা ফন্ট ‘জুলাই’।সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ দুটি প্রযুক্তির উদ্বোধন করেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী।প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব বলেন, ‘গত দুই সপ্তাহে চার হাজার মানুষ এটি পরীক্ষামূলক ব্যবহার করেছেন। তারা ভালো ফল পেয়েছেন। বাংলা ভাষাকে সবার জন্য উন্মুক্ত করে দিতে এর এপিআই উন্মুক্ত করে দেওয়া হচ্ছে। সাইবার সুরক্ষা নিশ্চিত করে সোর্স কোডও উন্মুক্ত করা হবে।’তিনি আরো বলেন, “বাংলা ভাষাভিত্তিক লেখালেখি, দাপ্তরিক নথি তৈরি, ভাষা প্রক্রিয়াকরণ ও কনটেন্ট তৈরিতে এআইয়ের ব্যবহার নিশ্চিত করবে ‘কাগজ ডট এআই’।”ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব বলেন, ‘ভাষার স্থানীয় সাংস্কৃতিক ধারা অক্ষুণ্ন রাখতে অচিরেই প্রতিটি নৃগোষ্ঠীর ভাষার ১০ হাজার ওরাল মিনিট সংগ্রহ করা হবে। তৈরি করা হবে বাংলা এলএমএল। ডেভেলপমেন্ট জার্নি এবং এই ইকো সিস্টেমের মধ্যে নিয়ে আসতে পারলে ভাষাগুলোকে সাইবার স্পেসে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব হবে।বর্তমানে যে টুলগুলো নিয়ে কাজ করছি আপনারা আমাদের কাছে এপিআই চাইবেন। এই টুলগুলো ব্যবহার করতে শুরু করবেন।’অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ‘কাগজ ডট এআই’ বাংলা ভাষাভিত্তিক লেখালেখি, দাপ্তরিক নথি প্রস্তুত, ভাষা প্রক্রিয়াকরণ ও কনটেন্ট তৈরিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিশ্চিত করবে, যা বাংলা ভাষার ডিজিটাল অগ্রযাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।পাশাপাশি নতুন বাংলা ফন্ট ‘জুলাই’ তৈরি করা হয়েছে দাপ্তরিক ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবহারের কথা মাথায় রেখে। কম্পিউটারনির্ভর বাংলা লেখায় যে প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা দীর্ঘদিন ধরে ছিল, তা কাটাতে এই ফন্ট সহায়ক হবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব বলেন, ‘জুলাই ফন্ট কম্পিউটারনির্ভর বাংলা লেখার ক্ষেত্রে বিদ্যমান নানা সীমাবদ্ধতা দূর করতে সহায়ক হবে। বাংলা ভাষা অনলাইনে লিখতে যুক্তাক্ষরকেন্দ্রিক কিছু ত্রুটি দেখা যায়, নতুন ফন্টে সেই ত্রুটি নেই।’ভোরের আকাশ/মো.আ.
১ মাস আগে
সারা দেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য মোবাইল ফোনের দোকান বন্ধ রেখে আন্দোলনে নেমেছেন ব্যবসায়ীরা। রোববার (৭ ডিসেম্বর) সকাল থেকে কর্মসূচিটি শুরু হয়। ঢাকায় অধিকাংশ মোবাইল ফোনের দোকান বন্ধ থাকতে দেখা গেছে।আগামী ১৬ ডিসেম্বর চালু হতে যাওয়া ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) সংস্কার, সিন্ডিকেট প্রথা বিলোপ এবং মোবাইল ফোন আমদানির সুযোগ উন্মুক্তকরণসহ কয়েকটি দাবি তুলে ধরে এ কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।একই সঙ্গে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছে, দাবি না মানা হলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) কার্যালয় ঘেরাও করা হবে।শনিবার (৬ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে মোবাইল ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি (এমবিসিবি) এ কর্মসূচির ঘোষণা দেয়। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আবু সায়ীদ পিয়াস বলেন, রোববার সকাল থেকেই সারাদেশে দোকান বন্ধ রাখা হয়েছে। ব্যবসায়ীরা বিটিআরসির সামনে জড়ো হচ্ছেন এবং সেখানে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে।ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, এনইআইআর বাস্তবায়িত হলে লাখো ব্যবসায়ী ও তাদের পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাদের দাবি, এ ব্যবস্থার মাধ্যমে কেবল একটি বিশেষ গোষ্ঠী সুবিধা পাবে এবং করের বোঝা বাড়ায় গ্রাহক পর্যায়েও মোবাইল ফোনের দাম বৃদ্ধি পাবে।ব্যবসায়ীরা বলেন, দেশের মোবাইল ফোন ব্যবসার ৭০ শতাংশের বেশি মার্কেট শেয়ার যাদের হাতে, তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেই এনইআইআর চালু করা উচিত। তারা এনইআইআরের বিরোধী নন—তবে কিছু সংস্কার, ন্যায্য করনীতি, সিন্ডিকেট বিলোপ এবং মুক্ত প্রতিযোগিতার স্বার্থে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি রয়েছে। কিন্তু কর্তৃপক্ষ তাদের মতামত না শুনেই একতরফাভাবে এনইআইআর চালুর উদ্যোগ নিচ্ছে।তাদের অভিযোগ, কোনো পরামর্শ ছাড়া হঠাৎ এনইআইআর বাস্তবায়নের ঘোষণা বাজারে অস্থিরতা তৈরি করেছে। এর ফলে প্রায় ২৫ হাজার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং ২০ লাখেরও বেশি মানুষের জীবিকা হুমকিতে পড়েছে। বৈধ ব্যবসা পরিচালনা করে ব্যাংক থেকে শত শত কোটি টাকা ঋণ নিয়েছেন তারা—এবং বর্তমানে তাদের স্টকে কোটি কোটি টাকার হ্যান্ডসেট রয়েছে। ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে এত বিপুল সংখ্যক অবিক্রিত হ্যান্ডসেট বিক্রি করা সম্ভব নয়। দাবি না মেনে কিছু ব্যবসায়ীকে একচেটিয়া সুযোগ দেওয়া হলে তারা পথে বসবেন বলেও দাবি করেন।এমবিসিবির নেতারা জানান, এনইআইআরের বর্তমান কাঠামো অপরিবর্তিত থাকলে শুল্ক ৫৭ শতাংশ হোক কিংবা শূন্য শতাংশ—কোনোভাবেই বৈধ উপায়ে মোবাইল ফোন আমদানি সম্ভব হবে না। কারণ বিটিআরসির নীতিমালায় বলা আছে, কোনো বিদেশি ব্র্যান্ড যদি স্থানীয়ভাবে পণ্য সংযোজন করে, তবে সেই ব্র্যান্ডের কোনো মডেল অন্য প্রতিষ্ঠান আমদানি করতে পারবে না।ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, এই নীতিমালা বাজারে মনোপলি ব্যবসার পথ খুলে দিচ্ছে। এতে প্রতিযোগিতা কমে যাবে এবং প্রায় ১৮ কোটি মানুষের মোবাইল ফোন বাজারের নিয়ন্ত্রণ গুটিকয়েক প্রতিষ্ঠানের হাতে চলে যাবে। একই সঙ্গে স্মার্টফোনের দাম বেড়ে গিয়ে সাধারণ গ্রাহক ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।ভোরের আকাশ/মো.আ.
১ মাস আগে