ঈদের ছুটিতে বান্দরবানে পর্যটকদের ভিড়
ঈদের দীর্ঘ ছুটিতে পর্যটকের ভিড়ে মুখরিত হয়ে ওঠেছে পার্বত্য জেলা বান্দরবান। সবুজ পাহাড় আর নীল আকাশ দেখতে প্রকৃতিপ্রেমী মানুষের ঢল নেমেছে বান্দরবানে।রমজানের কারণে দীর্ঘদিন পর্যটনকেন্দ্রগুলো ফাঁকা থাকলে ও এখন পর্যটকদের আনাগোনা বেড়েছে বান্দরবানের সকল পর্যটনকেন্দ্রে। হোটেল-মোটেল আর রির্সোটগুলোতে পর্যটকদের সমাগম বেড়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, জেলার মেঘলা, নীলাচল, শৈলপ্রপাত, চিম্বুক, নীলগিরিসহ বিভিন্ন পর্যটন স্পটগুলোর ব্যাপক ব্যস্ততা। এসব স্পট এখন পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত।
ঢাকা মতিঝিল থেকে আগত মনিরুল ইসলাম বলেন, প্রকৃতির প্রতি আমার টান ছিল। ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতে বান্দরবানে এসেছি। এখানে প্রাকৃতিক পরিবেশ অসাধারণ।
ঢাকা থেকে তিন মেয়ে আর স্ত্রীকে নিয়ে বেড়াতে আসা ডা. মনিরুল জামান জানান, বান্দরবান খুবই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। নীলাচল ঘুরেছি, পরিবারের সবাই খুব মজা করছি।
মেঘলা পর্যটন স্পটে বাবা-মায়ের সঙ্গে ঘুরতে আসা শিশু আরিয়ান বলেন, উঁচু পাহাড় আর আঁকাবাঁকা রাস্তা দেখে একটু ভয় পেয়েছিলাম, কিন্তু মেঘলায় ঝুলন্ত ব্রিজে বাতাসে দুলে দুলে চলার অনুভূতি ছিল অসাধারণ।
জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি জানান, পর্যটন স্পটগুলোতে ট্যুরিস্ট পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বাড়তি ভাড়া রোধে মোবাইল টিম কাজ করছে। বিদেশী পর্যটকদের জন্য অনলাইন সেবাও চালু রয়েছে। তিনি বলেন, এবারের ঈদে পর্যটকরা নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যে সময় কাটাতে পারবেন।
বান্দরবান হোটেল রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, ঈদুল ফিতরের বন্ধে বান্দরবানে পর্যটকের আগমন বেড়েছে এবং বেশিরভাগ হোটেল-মোটেল এখন পর্যটকে পরিপূর্ণ। আমরা প্রতিনিয়ত অ্যাসোসিয়েশনের সব সদস্যদের নিদের্শনা দিয়ে যাচ্ছি, যাতে পর্যটকরা পর্যাপ্ত সেবা পায়।
ভোরের আকাশ/এসএইচ
সংশ্লিষ্ট
"রাখিবো মান হব মহীয়ান" এই স্লোগানকে ধারণ করে ঈদের খুশি সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলায় অসচ্ছল ও নিম্ন আয়ের প্রায় ৪ শত পরিবারের মাঝে ঈদের বাজার ও হুইল চেয়ার বিতরণ করেছেন ঢাকাস্থ ফুলবাড়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ।রোববার দিনব্যাপী ফুলবাড়ী পৌরসহরের সুজাপুর সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে ও ফুলবাড়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ঢাকাস্থ ফুলবাড়ী সমিতির আয়োজনে ঈদের এই উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।এছাড়াও বুধবার দুপুরে উপজেলার খয়ের বাড়ি বালুপাড়া আবাসনে বিশেষ চাহিদা সম্পন্নদের মাঝে হুইল চেয়ার, নগদ অর্থ ও চাল বিতরণ করা হয়।ঈদের উপহার সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি প্রখ্যাত নিউরোসার্জন প্রফেসর ডা. মো. রেজাউল আলম। এসময় উপস্থিত ছিলেন ফুলবাড়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এ এস এম জাফর সাদিক সোহেল, যুগ্ম সম্পাদক পুলিশ সদর দপ্তরে কর্মরত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু জাফর মো. রহমতুল্লাহ দীপ, মো. সালাউদ্দিন রিপন, সদস্য মাসউদ রানা, সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, মিজানুর রহমান প্রমূখ। উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন গণমাধ্যমের নেতৃবৃন্দ। ঢাকাস্ত ফুলবাড়ী সমিতির সভাপতি প্রফেসর ডা. মো. রেজাউল আলম বলেন, ঈদ মানে খুশি, ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে আত্মার পরিশুদ্ধি, ধনী-গরিব উঁচু-নিচু সব ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে সৌহার্দ্য ও সংহতি প্রকাশের এক উদার উৎসব। এই খুশি টুকু নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে আমাদের এই উদ্যোগ।তিনি বলেন, নিম্নআয়ের মানুষের কাছে ফুলবাড়ী সমিতির পক্ষ থেকে এই ঈদ উপহার তুলে দিতে পেরে আমরাও আনন্দ উপভোগ করছি।ফুলবাড়ি সমিতি দল -মত নির্বিশেষে সবার সহঅবস্থান, সবার অংশগ্রহণে এগিয়ে যাবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করে দৈনিক ভোরের আকাশ'র ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এম ডি) ও বেঙ্গল গ্রুপের চেয়ারম্যান মো.জাহের উদ্দিন সরকার বলেন, যে কোন মহতি উদ্যোগকে সাধুবাধ জানাই। আগামীতেও এ ধরনের নির্মোহ মানবিক কাজে আমরা সম্পৃক্ত থাকবো ইনশাল্লাহ।সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এ এস এম জাফর সাদিক সোহেল বলেন, ঈদ মানেই আনন্দ কিন্তু আমাদের আশপাশে এমন কিছু মানুষ আছে যারা ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারে না। ঈদের এই আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে তাদের মুখে একটু হাসি ফোটাতে আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। তিনি বলেন, পিছিয়ে থাকা এই জনগোষ্ঠীকে কি ভাবে এগিয়ে নেয়া যায় ইনশাল্লাহ সে দিকেও আমাদের লক্ষ্য রয়েছে। আগামীতে আমরা একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভরশীল বাংলাদেশ দেখতে চাই।খয়ের বাড়ি বালুপাড়া আবাসনে হুইল চেয়ার বিতরনকালে অর্থ সম্পাদক এ কে এম মাহবুব আলম হীরা বলেন, মানব সেবাই আমাদের মূল লক্ষ্য। এ ধরনের মানবিক কার্যক্রমে সমাজের প্রতিটি মানুষকে এগিয়ে আসা উচিত। বঞ্চিত-অসহায়দের পাশে দাঁড়ানোর মধ্য দিয়ে যে সৃষ্টির প্রকৃত আনন্দ ও আত্মার তৃপ্তি অনুভব করা যায় অন্য কোনভাবেই তা সম্ভব না। তিনি বলেন, আমাদের এই ব্যয় আখিরাতের সঞ্চয়। এই ক্ষুদ্র প্রয়াস একসময় পাহাড়সম হবে। প্রসঙ্গত, ঢাকাস্ত ফুলবাড়ী সমিতির ঈদ উপহার প্যাকেজ বিতরনে ছিল পোলাওয়ের চাল ২ কেজি, সয়াবিন তেল ১লিটার,পাকিস্তানি মুরগি ১টি,সেমাই ১ কেজি, চিনি ১ কেজি, গুড়া দুধের প্যাকেট ৫০০ গ্রাম, মুরগির মসলা, হলুদের গুঁড়া, মরিচের গুড়া, সেমাই মসলা, মুড়ি, আলু, পেঁয়াজ, রসুন ও একটি বাজারের ব্যাগ। এছাড়াও খয়ের বাড়ি বালুপারা আবাসনে বিশেষ চাহিদা সম্পন্নদের মাঝে হুইল চেয়ার নগদ জনপ্রতি ৫০০ টাকা ও ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়। ভোরের আকাশ/এসএইচ
গাজীপুরের শ্রীপুরে মোহনগঞ্জ গামী যাত্রীবাহী ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছ। আজ সকাল ১১টা ৫ মিনিটে ঢাকা ময়মনসিংহ রেল সড়কের সাতখামাইর স্টেসনের কাছে এ ঘটনা ঘটে। ট্রেনের পাওয়ার কারে অগ্নিকান্ডের সৃষ্টি হয়। ওই বগিতে থাকা যাত্রী ও ছাদে থাকা যাত্রীরা আগুন আতংকে ডাক চিৎকার শুরু করে। যাত্রীদের ডাক চিৎকার শুনে ট্রেনের চালক বিষয়টি জানতে পেরে ট্রেনটি থামাতে সক্ষম হন। তবে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।স্থানীয়রা আগুন নেভাতে চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়।খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দু'টি ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্তনে আনে। দুপুর সাড়ে ১২টায় রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সড়কে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। উদ্ধার করা হয়নি ট্রেনটি।ট্রেনের যাত্রী স্থানীয় জনতা ও ট্রেনের একাধিক সূত্রে জানা যায়, সকাল এগারোটার একটু আগে মোহনগঞ্জ গামী মহুয়া কমিউটার ট্রেনটি শ্রীপুর স্টেশন ছাড়ে। কিছুদূর যেতেই ট্রেনের পাওয়ার কারে ধূঁয়া দেখতে পায় যাত্রীরা। তাৎক্ষনিক ট্রেনে আগুন ধরে যায়। পাওয়ার কারে থাকা দশ-বারো জন যাত্রী আগুন আতংকে বাঁচাও বাঁচাও চিৎকার করতে থাকে। এ সময় ছাদে থাকা যাত্রীরা চিৎকার করে চালকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। পরে চালক ট্রেনটির গতি নিয়ন্তন করে সাতখামাইর স্টেশনের প্রবেশ মুখে থামাতে সক্ষম হয়। আতংকিত যাত্রীরা প্রাণ ভয়ে লাফিয়ে পড়ে। তবে কোন হতাহোতের ঘটনা ঘটেনি।পাওয়ার কারে থাকা যাত্রী আলিমউদ্দিন বলেন, পাওয়ার তারে দশ বারোজন যাত্রী ছিলাম। হঠাৎ ধূয়ার সৃষ্টি হয়। পর মহুর্তেই আগুন ধরে যায়। আমরা জীবন বাোচাতে চিৎকার করতে থাকি তখন কেউ শুনতে পাযনি। আগুন বিকট হতে থাকলে অন্য যাত্রীরা দেখে চালককে জানায়। পরে ট্রেন থামলে প্রাণে বাঁচি।গফরগাঁওয়ের যাত্রী রেশমা জানান, ট্রেনে বাড়ি যাচ্ছিলাম। ট্রেনে আগুন দেখে চিৎকার করতে থাকি। ট্রেন থামলে নিরাপদে নামতে পারি।গাড়ির টিটি শহিদুল ইসলাম জানান, আমি অন্য বগিতে ছিলাম। পেছনের বগিতে ধূঁয়া দেখে চালকের সাথে যোগাযোগ করি। পরে ট্রেন থামানো হয়। স্থানীয়দের সাথে নিয়ে পানি বালু দিয়ে আগুন নেভাতে চেষ্টা করি।ট্রেনের লোকোমাষ্টার-১ লুৎফর রহমান জানান, ছয় বগির পেছনে পাওয়ার কারে আগুন লাগে। ট্রেন ছাদে থাকা যাত্রীরা আমাকে চিৎকার করে জানায় ট্রেনে আগুন লেগেছে। পেছনে তাকিয়ে প্রচন্ড ধূয়া দেখতে পাই। তাৎক্ষনিক ট্রেনটি সাতখামাইর স্টেশনে প্রবেশ করার সময় বেলা ১১টা ৫ মিনিটের সময় ট্রেনটি থামাতে সক্ষম হই।ট্রেনের পরিচালক মো. শাহাদাত হোসেন জানান, আগুন লাগার বিষয়টি জানা মাত্রই চালক ট্রেন থামায়। আমরা প্রথমে পাওয়ার কারটিকে ট্রেন থেকে আলাদা করি। এতে আগুন অন্য বগিতে ছড়াতে পারেনি। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রন করে। কেউ হতাহত হয়নি।ফায়ার সার্ভিস গাজীপুরের উপ সহকারী পরিচালক মো. মামুন জানান, এগারোটা এগারো মিনিটে খবর পাই। দ্রুত সময় দু'টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌছে আগুন নিয়ন্তনে আনে। কোন হতাহত হয়নি। আগুনে পুরো টাওয়ার কার পুড়ে গেছে।ভোরের আকাশ/এসএইচ
ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথের সাতখামাইর রেলস্টশন এলাকায় ট্রেনের পাওয়ার কারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (৩ মার্চ) সকাল সোয়া এগারটার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা মোহনগঞ্জগামী মহুয়া কমিউটার ট্রেনের পাওয়ার কারে হঠাৎ করে আগুন লাগে। গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুন তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।তিনি বলেন, মহুয়া কমিউটার ট্রেনের পাওয়ার কার কোচে আগুন লাগে। খবর পেয়ে শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় এখনো কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।গফরগাঁও রেলওয়ে ষ্টেশন মাস্টার হারুন অর রশিদ বলেন, এ ঘটনায় ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথে সাময়িকভাবে ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। তবে এ ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতি বা কোনো যাত্রী আহত হয়েছেন কিনা তা এখন পর্যন্ত জানা যায়নি।ভোরের আকাশ/এসএইচ
ঈদের দীর্ঘ ছুটিতে পর্যটকের ভিড়ে মুখরিত হয়ে ওঠেছে পার্বত্য জেলা বান্দরবান। সবুজ পাহাড় আর নীল আকাশ দেখতে প্রকৃতিপ্রেমী মানুষের ঢল নেমেছে বান্দরবানে।রমজানের কারণে দীর্ঘদিন পর্যটনকেন্দ্রগুলো ফাঁকা থাকলে ও এখন পর্যটকদের আনাগোনা বেড়েছে বান্দরবানের সকল পর্যটনকেন্দ্রে। হোটেল-মোটেল আর রির্সোটগুলোতে পর্যটকদের সমাগম বেড়েছে।সরেজমিনে দেখা গেছে, জেলার মেঘলা, নীলাচল, শৈলপ্রপাত, চিম্বুক, নীলগিরিসহ বিভিন্ন পর্যটন স্পটগুলোর ব্যাপক ব্যস্ততা। এসব স্পট এখন পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত।ঢাকা মতিঝিল থেকে আগত মনিরুল ইসলাম বলেন, প্রকৃতির প্রতি আমার টান ছিল। ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতে বান্দরবানে এসেছি। এখানে প্রাকৃতিক পরিবেশ অসাধারণ।ঢাকা থেকে তিন মেয়ে আর স্ত্রীকে নিয়ে বেড়াতে আসা ডা. মনিরুল জামান জানান, বান্দরবান খুবই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। নীলাচল ঘুরেছি, পরিবারের সবাই খুব মজা করছি।মেঘলা পর্যটন স্পটে বাবা-মায়ের সঙ্গে ঘুরতে আসা শিশু আরিয়ান বলেন, উঁচু পাহাড় আর আঁকাবাঁকা রাস্তা দেখে একটু ভয় পেয়েছিলাম, কিন্তু মেঘলায় ঝুলন্ত ব্রিজে বাতাসে দুলে দুলে চলার অনুভূতি ছিল অসাধারণ।জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি জানান, পর্যটন স্পটগুলোতে ট্যুরিস্ট পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বাড়তি ভাড়া রোধে মোবাইল টিম কাজ করছে। বিদেশী পর্যটকদের জন্য অনলাইন সেবাও চালু রয়েছে। তিনি বলেন, এবারের ঈদে পর্যটকরা নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যে সময় কাটাতে পারবেন।বান্দরবান হোটেল রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, ঈদুল ফিতরের বন্ধে বান্দরবানে পর্যটকের আগমন বেড়েছে এবং বেশিরভাগ হোটেল-মোটেল এখন পর্যটকে পরিপূর্ণ। আমরা প্রতিনিয়ত অ্যাসোসিয়েশনের সব সদস্যদের নিদের্শনা দিয়ে যাচ্ছি, যাতে পর্যটকরা পর্যাপ্ত সেবা পায়।ভোরের আকাশ/এসএইচ
ঈদের ছুটিতে বান্দরবানে পর্যটকদের ভিড়
ঈদের দীর্ঘ ছুটিতে পর্যটকের ভিড়ে মুখরিত হয়ে ওঠেছে পার্বত্য জেলা বান্দরবান। সবুজ পাহাড় আর নীল আকাশ দেখতে প্রকৃতিপ্রেমী মানুষের ঢল নেমেছে বান্দরবানে।রমজানের কারণে দীর্ঘদিন পর্যটনকেন্দ্রগুলো ফাঁকা থাকলে ও এখন পর্যটকদের আনাগোনা বেড়েছে বান্দরবানের সকল পর্যটনকেন্দ্রে। হোটেল-মোটেল আর রির্সোটগুলোতে পর্যটকদের সমাগম বেড়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, জেলার মেঘলা, নীলাচল, শৈলপ্রপাত, চিম্বুক, নীলগিরিসহ বিভিন্ন পর্যটন স্পটগুলোর ব্যাপক ব্যস্ততা। এসব স্পট এখন পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত।
ঢাকা মতিঝিল থেকে আগত মনিরুল ইসলাম বলেন, প্রকৃতির প্রতি আমার টান ছিল। ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতে বান্দরবানে এসেছি। এখানে প্রাকৃতিক পরিবেশ অসাধারণ।
ঢাকা থেকে তিন মেয়ে আর স্ত্রীকে নিয়ে বেড়াতে আসা ডা. মনিরুল জামান জানান, বান্দরবান খুবই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। নীলাচল ঘুরেছি, পরিবারের সবাই খুব মজা করছি।
মেঘলা পর্যটন স্পটে বাবা-মায়ের সঙ্গে ঘুরতে আসা শিশু আরিয়ান বলেন, উঁচু পাহাড় আর আঁকাবাঁকা রাস্তা দেখে একটু ভয় পেয়েছিলাম, কিন্তু মেঘলায় ঝুলন্ত ব্রিজে বাতাসে দুলে দুলে চলার অনুভূতি ছিল অসাধারণ।
জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি জানান, পর্যটন স্পটগুলোতে ট্যুরিস্ট পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বাড়তি ভাড়া রোধে মোবাইল টিম কাজ করছে। বিদেশী পর্যটকদের জন্য অনলাইন সেবাও চালু রয়েছে। তিনি বলেন, এবারের ঈদে পর্যটকরা নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যে সময় কাটাতে পারবেন।
বান্দরবান হোটেল রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, ঈদুল ফিতরের বন্ধে বান্দরবানে পর্যটকের আগমন বেড়েছে এবং বেশিরভাগ হোটেল-মোটেল এখন পর্যটকে পরিপূর্ণ। আমরা প্রতিনিয়ত অ্যাসোসিয়েশনের সব সদস্যদের নিদের্শনা দিয়ে যাচ্ছি, যাতে পর্যটকরা পর্যাপ্ত সেবা পায়।
ভোরের আকাশ/এসএইচ
সংশ্লিষ্ট
"রাখিবো মান হব মহীয়ান" এই স্লোগানকে ধারণ করে ঈদের খুশি সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলায় অসচ্ছল ও নিম্ন আয়ের প্রায় ৪ শত পরিবারের মাঝে ঈদের বাজার ও হুইল চেয়ার বিতরণ করেছেন ঢাকাস্থ ফুলবাড়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ।রোববার দিনব্যাপী ফুলবাড়ী পৌরসহরের সুজাপুর সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে ও ফুলবাড়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ঢাকাস্থ ফুলবাড়ী সমিতির আয়োজনে ঈদের এই উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।এছাড়াও বুধবার দুপুরে উপজেলার খয়ের বাড়ি বালুপাড়া আবাসনে বিশেষ চাহিদা সম্পন্নদের মাঝে হুইল চেয়ার, নগদ অর্থ ও চাল বিতরণ করা হয়।ঈদের উপহার সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি প্রখ্যাত নিউরোসার্জন প্রফেসর ডা. মো. রেজাউল আলম। এসময় উপস্থিত ছিলেন ফুলবাড়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এ এস এম জাফর সাদিক সোহেল, যুগ্ম সম্পাদক পুলিশ সদর দপ্তরে কর্মরত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু জাফর মো. রহমতুল্লাহ দীপ, মো. সালাউদ্দিন রিপন, সদস্য মাসউদ রানা, সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, মিজানুর রহমান প্রমূখ। উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন গণমাধ্যমের নেতৃবৃন্দ। ঢাকাস্ত ফুলবাড়ী সমিতির সভাপতি প্রফেসর ডা. মো. রেজাউল আলম বলেন, ঈদ মানে খুশি, ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে আত্মার পরিশুদ্ধি, ধনী-গরিব উঁচু-নিচু সব ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে সৌহার্দ্য ও সংহতি প্রকাশের এক উদার উৎসব। এই খুশি টুকু নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে আমাদের এই উদ্যোগ।তিনি বলেন, নিম্নআয়ের মানুষের কাছে ফুলবাড়ী সমিতির পক্ষ থেকে এই ঈদ উপহার তুলে দিতে পেরে আমরাও আনন্দ উপভোগ করছি।ফুলবাড়ি সমিতি দল -মত নির্বিশেষে সবার সহঅবস্থান, সবার অংশগ্রহণে এগিয়ে যাবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করে দৈনিক ভোরের আকাশ'র ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এম ডি) ও বেঙ্গল গ্রুপের চেয়ারম্যান মো.জাহের উদ্দিন সরকার বলেন, যে কোন মহতি উদ্যোগকে সাধুবাধ জানাই। আগামীতেও এ ধরনের নির্মোহ মানবিক কাজে আমরা সম্পৃক্ত থাকবো ইনশাল্লাহ।সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এ এস এম জাফর সাদিক সোহেল বলেন, ঈদ মানেই আনন্দ কিন্তু আমাদের আশপাশে এমন কিছু মানুষ আছে যারা ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারে না। ঈদের এই আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে তাদের মুখে একটু হাসি ফোটাতে আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। তিনি বলেন, পিছিয়ে থাকা এই জনগোষ্ঠীকে কি ভাবে এগিয়ে নেয়া যায় ইনশাল্লাহ সে দিকেও আমাদের লক্ষ্য রয়েছে। আগামীতে আমরা একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভরশীল বাংলাদেশ দেখতে চাই।খয়ের বাড়ি বালুপাড়া আবাসনে হুইল চেয়ার বিতরনকালে অর্থ সম্পাদক এ কে এম মাহবুব আলম হীরা বলেন, মানব সেবাই আমাদের মূল লক্ষ্য। এ ধরনের মানবিক কার্যক্রমে সমাজের প্রতিটি মানুষকে এগিয়ে আসা উচিত। বঞ্চিত-অসহায়দের পাশে দাঁড়ানোর মধ্য দিয়ে যে সৃষ্টির প্রকৃত আনন্দ ও আত্মার তৃপ্তি অনুভব করা যায় অন্য কোনভাবেই তা সম্ভব না। তিনি বলেন, আমাদের এই ব্যয় আখিরাতের সঞ্চয়। এই ক্ষুদ্র প্রয়াস একসময় পাহাড়সম হবে। প্রসঙ্গত, ঢাকাস্ত ফুলবাড়ী সমিতির ঈদ উপহার প্যাকেজ বিতরনে ছিল পোলাওয়ের চাল ২ কেজি, সয়াবিন তেল ১লিটার,পাকিস্তানি মুরগি ১টি,সেমাই ১ কেজি, চিনি ১ কেজি, গুড়া দুধের প্যাকেট ৫০০ গ্রাম, মুরগির মসলা, হলুদের গুঁড়া, মরিচের গুড়া, সেমাই মসলা, মুড়ি, আলু, পেঁয়াজ, রসুন ও একটি বাজারের ব্যাগ। এছাড়াও খয়ের বাড়ি বালুপারা আবাসনে বিশেষ চাহিদা সম্পন্নদের মাঝে হুইল চেয়ার নগদ জনপ্রতি ৫০০ টাকা ও ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়। ভোরের আকাশ/এসএইচ
গাজীপুরের শ্রীপুরে মোহনগঞ্জ গামী যাত্রীবাহী ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছ। আজ সকাল ১১টা ৫ মিনিটে ঢাকা ময়মনসিংহ রেল সড়কের সাতখামাইর স্টেসনের কাছে এ ঘটনা ঘটে। ট্রেনের পাওয়ার কারে অগ্নিকান্ডের সৃষ্টি হয়। ওই বগিতে থাকা যাত্রী ও ছাদে থাকা যাত্রীরা আগুন আতংকে ডাক চিৎকার শুরু করে। যাত্রীদের ডাক চিৎকার শুনে ট্রেনের চালক বিষয়টি জানতে পেরে ট্রেনটি থামাতে সক্ষম হন। তবে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।স্থানীয়রা আগুন নেভাতে চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়।খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দু'টি ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্তনে আনে। দুপুর সাড়ে ১২টায় রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সড়কে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। উদ্ধার করা হয়নি ট্রেনটি।ট্রেনের যাত্রী স্থানীয় জনতা ও ট্রেনের একাধিক সূত্রে জানা যায়, সকাল এগারোটার একটু আগে মোহনগঞ্জ গামী মহুয়া কমিউটার ট্রেনটি শ্রীপুর স্টেশন ছাড়ে। কিছুদূর যেতেই ট্রেনের পাওয়ার কারে ধূঁয়া দেখতে পায় যাত্রীরা। তাৎক্ষনিক ট্রেনে আগুন ধরে যায়। পাওয়ার কারে থাকা দশ-বারো জন যাত্রী আগুন আতংকে বাঁচাও বাঁচাও চিৎকার করতে থাকে। এ সময় ছাদে থাকা যাত্রীরা চিৎকার করে চালকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। পরে চালক ট্রেনটির গতি নিয়ন্তন করে সাতখামাইর স্টেশনের প্রবেশ মুখে থামাতে সক্ষম হয়। আতংকিত যাত্রীরা প্রাণ ভয়ে লাফিয়ে পড়ে। তবে কোন হতাহোতের ঘটনা ঘটেনি।পাওয়ার কারে থাকা যাত্রী আলিমউদ্দিন বলেন, পাওয়ার তারে দশ বারোজন যাত্রী ছিলাম। হঠাৎ ধূয়ার সৃষ্টি হয়। পর মহুর্তেই আগুন ধরে যায়। আমরা জীবন বাোচাতে চিৎকার করতে থাকি তখন কেউ শুনতে পাযনি। আগুন বিকট হতে থাকলে অন্য যাত্রীরা দেখে চালককে জানায়। পরে ট্রেন থামলে প্রাণে বাঁচি।গফরগাঁওয়ের যাত্রী রেশমা জানান, ট্রেনে বাড়ি যাচ্ছিলাম। ট্রেনে আগুন দেখে চিৎকার করতে থাকি। ট্রেন থামলে নিরাপদে নামতে পারি।গাড়ির টিটি শহিদুল ইসলাম জানান, আমি অন্য বগিতে ছিলাম। পেছনের বগিতে ধূঁয়া দেখে চালকের সাথে যোগাযোগ করি। পরে ট্রেন থামানো হয়। স্থানীয়দের সাথে নিয়ে পানি বালু দিয়ে আগুন নেভাতে চেষ্টা করি।ট্রেনের লোকোমাষ্টার-১ লুৎফর রহমান জানান, ছয় বগির পেছনে পাওয়ার কারে আগুন লাগে। ট্রেন ছাদে থাকা যাত্রীরা আমাকে চিৎকার করে জানায় ট্রেনে আগুন লেগেছে। পেছনে তাকিয়ে প্রচন্ড ধূয়া দেখতে পাই। তাৎক্ষনিক ট্রেনটি সাতখামাইর স্টেশনে প্রবেশ করার সময় বেলা ১১টা ৫ মিনিটের সময় ট্রেনটি থামাতে সক্ষম হই।ট্রেনের পরিচালক মো. শাহাদাত হোসেন জানান, আগুন লাগার বিষয়টি জানা মাত্রই চালক ট্রেন থামায়। আমরা প্রথমে পাওয়ার কারটিকে ট্রেন থেকে আলাদা করি। এতে আগুন অন্য বগিতে ছড়াতে পারেনি। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রন করে। কেউ হতাহত হয়নি।ফায়ার সার্ভিস গাজীপুরের উপ সহকারী পরিচালক মো. মামুন জানান, এগারোটা এগারো মিনিটে খবর পাই। দ্রুত সময় দু'টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌছে আগুন নিয়ন্তনে আনে। কোন হতাহত হয়নি। আগুনে পুরো টাওয়ার কার পুড়ে গেছে।ভোরের আকাশ/এসএইচ
ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথের সাতখামাইর রেলস্টশন এলাকায় ট্রেনের পাওয়ার কারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (৩ মার্চ) সকাল সোয়া এগারটার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা মোহনগঞ্জগামী মহুয়া কমিউটার ট্রেনের পাওয়ার কারে হঠাৎ করে আগুন লাগে। গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুন তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।তিনি বলেন, মহুয়া কমিউটার ট্রেনের পাওয়ার কার কোচে আগুন লাগে। খবর পেয়ে শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় এখনো কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।গফরগাঁও রেলওয়ে ষ্টেশন মাস্টার হারুন অর রশিদ বলেন, এ ঘটনায় ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথে সাময়িকভাবে ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। তবে এ ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতি বা কোনো যাত্রী আহত হয়েছেন কিনা তা এখন পর্যন্ত জানা যায়নি।ভোরের আকাশ/এসএইচ
ঈদের দীর্ঘ ছুটিতে পর্যটকের ভিড়ে মুখরিত হয়ে ওঠেছে পার্বত্য জেলা বান্দরবান। সবুজ পাহাড় আর নীল আকাশ দেখতে প্রকৃতিপ্রেমী মানুষের ঢল নেমেছে বান্দরবানে।রমজানের কারণে দীর্ঘদিন পর্যটনকেন্দ্রগুলো ফাঁকা থাকলে ও এখন পর্যটকদের আনাগোনা বেড়েছে বান্দরবানের সকল পর্যটনকেন্দ্রে। হোটেল-মোটেল আর রির্সোটগুলোতে পর্যটকদের সমাগম বেড়েছে।সরেজমিনে দেখা গেছে, জেলার মেঘলা, নীলাচল, শৈলপ্রপাত, চিম্বুক, নীলগিরিসহ বিভিন্ন পর্যটন স্পটগুলোর ব্যাপক ব্যস্ততা। এসব স্পট এখন পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত।ঢাকা মতিঝিল থেকে আগত মনিরুল ইসলাম বলেন, প্রকৃতির প্রতি আমার টান ছিল। ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতে বান্দরবানে এসেছি। এখানে প্রাকৃতিক পরিবেশ অসাধারণ।ঢাকা থেকে তিন মেয়ে আর স্ত্রীকে নিয়ে বেড়াতে আসা ডা. মনিরুল জামান জানান, বান্দরবান খুবই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। নীলাচল ঘুরেছি, পরিবারের সবাই খুব মজা করছি।মেঘলা পর্যটন স্পটে বাবা-মায়ের সঙ্গে ঘুরতে আসা শিশু আরিয়ান বলেন, উঁচু পাহাড় আর আঁকাবাঁকা রাস্তা দেখে একটু ভয় পেয়েছিলাম, কিন্তু মেঘলায় ঝুলন্ত ব্রিজে বাতাসে দুলে দুলে চলার অনুভূতি ছিল অসাধারণ।জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি জানান, পর্যটন স্পটগুলোতে ট্যুরিস্ট পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বাড়তি ভাড়া রোধে মোবাইল টিম কাজ করছে। বিদেশী পর্যটকদের জন্য অনলাইন সেবাও চালু রয়েছে। তিনি বলেন, এবারের ঈদে পর্যটকরা নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যে সময় কাটাতে পারবেন।বান্দরবান হোটেল রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, ঈদুল ফিতরের বন্ধে বান্দরবানে পর্যটকের আগমন বেড়েছে এবং বেশিরভাগ হোটেল-মোটেল এখন পর্যটকে পরিপূর্ণ। আমরা প্রতিনিয়ত অ্যাসোসিয়েশনের সব সদস্যদের নিদের্শনা দিয়ে যাচ্ছি, যাতে পর্যটকরা পর্যাপ্ত সেবা পায়।ভোরের আকাশ/এসএইচ
মন্তব্য করুন