ভোরের আকাশ ডেস্ক
প্রকাশ : ০৩ এপ্রিল ২০২৫ ১০:৫২ এএম
২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন : প্রেস সচিব
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি জানান, নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি থাকলে চলতি বছরের ডিসেম্বরেই নির্বাচন আয়োজন সম্ভব, তবে রাজনৈতিক দলগুলোর সংস্কার চাহিদার ওপর ভিত্তি করে সময় পরিবর্তিত হতে পারে।
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে বেসরকারি টেলিভিশনের এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রেস সচিব শফিকুল আলম। এ সময় সঙ্গে তার স্ত্রী সাবিনা জাহান লুনাও উপস্থিত ছিলেন। তিনি পেশায় একজন শিক্ষক। এ সময় দুজনই তাদের ঈদের পরিকল্পনা জানান। পরিবারের সবার সঙ্গে ঈদের দিন সময় কাটানোই মূল পরিকল্পনা থাকে বলে জানান প্রেস সচিব।
প্রধান উপদেষ্টার বরাত দিয়ে তিনি বলেন, যদিও স্যার (প্রধান উপদেষ্টা) বলেন, আমরা এখনো একটা যুদ্ধ অবস্থায় আছি। তবে আমরা মনে করি, আগস্টে আমরা যে জায়গায় ছিলাম, সেখান থেকে বড় একটা উত্তরণ হয়েছে।
শফিকুল আলম বলেন, বর্তমান সরকার এখন অনেক গোছানো। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। পুরো রমজানে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল ছিল, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে।
প্রধান উপদেষ্টার বিভিন্ন দেশে সফর নিয়ে প্রেস সচিব বলেন, প্রধান উপদেষ্টা যেখানেই যাচ্ছেন, সেখানে নতুন বাংলাদেশের কথা বলছেন, উনাদের লিডারদের সঙ্গে এবং যেখানেই যাচ্ছেন উনি ওই সব দেশের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলছেন। কেননা তারাই তো এসে বিনিয়োগ করে। যেসব জায়গায় উনি গিয়েছেন, প্রত্যেক জায়গায় উনার মেসেজটা হচ্ছে যে বাংলাদেশ হচ্ছে ‘রেডি ফর বিজনেস’। তোমরা আসো, বিনিয়োগ করো।’ এই ডাকে সাড়াও পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
তিনি বলেন, আমি মনে করি, বাংলাদেশটা একদিন অনেক অনেক বড় হবে। আমি মনে করি, ২০ থেকে ৪০ বছর মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বের একটি ধনী দেশ হবে। খুব সমৃদ্ধ একটি সভ্যতার অংশ হবে।
শফিকুল আলম বলেন, আমার মনে হয়নি। প্রফেসর ইউনূসের সঙ্গে আমার খুব বেশি হৃদ্যতা ছিল, এমনটাও নয়। পেশাগত কারণে আমি তাকে অনেক সময় কাভার করেছি। উনার প্রতি যে অন্যায়-অবিচার চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল, সেটা নিয়ে আমরা কাভার করেছিলাম। সেই সূত্রেই উনি আমাকে চিনতেন। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর হঠাৎ আমি একদিন ফোন পেলাম। জানতে চাওয়া হলো, আমি আগ্রহী কি না?
প্রেস সচিব হিসেবে শফিকুল আলমকে নিয়ে বিভিন্ন সময় আলোচনা-সমালোচনা ও চর্চা হয়। এটির কারণ হিসেবে তিনি বলেন, আগের প্রেস সচিবরা কোনো কাজ করতেন না। আগের কালচারটা ছিল, প্রাইম মিনিস্টারের সঙ্গে যাদের দহরম-মহরম সম্পর্ক ছিল তাদের নিয়োগ দেওয়া হতো। যারা কোনো কাজই করতেন না। কিন্তু আন্তর্জাতিকভাবে প্রেস সচিবের কাজ অনেক। সেগুলোই আমি করে যাচ্ছি। এ জন্য সবার কাছে মনে হচ্ছে, আমি অনেক কাজ করছি। মূলত এটি আমার কাজ।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস সম্পর্কে প্রেস সচিব বলেন, পুরো পৃথিবীতে তো উনি সেলিব্রিটি। এটা আমি আরো জানতে পেরেছি এই গত সাড়ে সাত-আট মাসে। তাকে বাইরে যে মর্যাদার সঙ্গে ট্রিট করা হয়, সেটি অবিশ্বাস্য। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, ডাভোসে আমরা গিয়েছি, ওইখানে গিয়ে আমরা জাস্ট ঢুকছি- এই সময় খবর আসছে যে তার (ড. ইউনূস) সঙ্গে জার্মানির চ্যান্সেলর মানে ওদের প্রাইম মিনিস্টার কথা বলবেন। উনি অ্যাপয়েন্টমেন্ট চাচ্ছেন। উনার যে স্ট্রাকচার এটা তো আনবিলিভেবল।
এদিকে, নিজেদের সম্পর্কে ‘বন্ধুত্বটা’ একটু বেশি জানিয়ে শফিকুল আলমের স্ত্রী সাবিনা জাহান লুনা বলেন, আমরা তো ক্লাসমেট। তাই আমাদের মধ্যে বন্ধুত্বটা একটু বেশি। আমাদের মধ্যে একজন একটু রেগে গেলে অন্য জন চুপ থাকি।
ভাইরাল মাফলার সম্পর্কে প্রেস সচিব বলেন, মাফলারটা আমার স্ত্রীর বোন কানাডা থেকে নিয়ে আসছেন। যে দাম বলা হচ্ছে, সেটির ধারে-কাছেও না; তবে খুব চিপও না। এটা অনেক বছর ধরে ব্যবহার করে আসছি। যখন এটি নিয়ে আলোচনা শুরু হয় তখন লেভেলটা দেখেছি। এটি আমার পছন্দের একটি মাফলার।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় শেষ হয়ে গেলে ‘গন্তব্য’ কী হবে- জানতে চাইলে শফিকুল আলম বলেন, এটি নিয়ে এখনো ভাবিনি। আমাদের এখনো আরো কয়েক মাস তো আছে। মে বি ইলেকশনটা যখন হবে তারপরে আমি ছেড়ে দেব। খুব একান্ত ব্যক্তিগত ইচ্ছা যে বই লেখা কিন্তু এতে তো সংসার চলে না, আমার তো সংসার চলাতে হবে। সেই চিন্তা করে আমার হয়তো জার্নালিজমে আবার ফিরতে হবে। আবার কেউ কেউ বলেন, ভাই- আপনি তো প্রেস কনফারেন্স খুব ভালো করেন, পলিটিকসে আসেন। তবে ওইটাও আমি অতটা দেখি না। দুই-তিনজন বলার কারণে পলিটিকসের বিষয়টি মাথার মধ্যে ঢুকছে, পরে আমি ওয়াইফের সঙ্গে বলছিলাম; তবে সে বলে দিয়েছে, একদম না- কোনোভাবেই এইটা করা যাবে না।
চলতি বছরের ডিসেম্বর থেকে শুরু করে আগামী বছরের ৩০ জুনের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, স্যারের কথা হচ্ছে- ডিসেম্বরে নির্বাচন হবে, যদি রাজনৈতিক দলগুলো কম সংস্কার চায়। নতুবা এটা ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে যেকোনো সময় হতে পারে। সেটি ফেব্রুয়ারি হতে পারে, মার্চে হতে পারে- এটি দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে বোঝা যাবে।
তিনি বলেন, তবে ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করতে নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি আছে বলে ইসির পক্ষ থেকে জানানো হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, নতুন বাংলাদেশে যদি আমি কিছু কন্ট্রিবিউট করতে পারি, সেটাও একটা কাজ হবে। কিন্তু আমার (প্রাইমারি ইচ্ছা আমি) জার্নালিজমে ফিরে যাওয়া, তবে সেটি লোকাল জার্নালিজমে হতে পারে। নিজে যদি কোনো পত্রিকা দিতে পারি, সেটার একটা খুব ইচ্ছা আছে।
ভোরের আকাশ/এসএইচ
ভোরের আকাশ ডেস্ক
প্রকাশ : ১৯ ঘন্টা আগে
আপডেট : ১১ ঘন্টা আগে
২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন : প্রেস সচিব
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি জানান, নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি থাকলে চলতি বছরের ডিসেম্বরেই নির্বাচন আয়োজন সম্ভব, তবে রাজনৈতিক দলগুলোর সংস্কার চাহিদার ওপর ভিত্তি করে সময় পরিবর্তিত হতে পারে।
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে বেসরকারি টেলিভিশনের এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রেস সচিব শফিকুল আলম। এ সময় সঙ্গে তার স্ত্রী সাবিনা জাহান লুনাও উপস্থিত ছিলেন। তিনি পেশায় একজন শিক্ষক। এ সময় দুজনই তাদের ঈদের পরিকল্পনা জানান। পরিবারের সবার সঙ্গে ঈদের দিন সময় কাটানোই মূল পরিকল্পনা থাকে বলে জানান প্রেস সচিব।
প্রধান উপদেষ্টার বরাত দিয়ে তিনি বলেন, যদিও স্যার (প্রধান উপদেষ্টা) বলেন, আমরা এখনো একটা যুদ্ধ অবস্থায় আছি। তবে আমরা মনে করি, আগস্টে আমরা যে জায়গায় ছিলাম, সেখান থেকে বড় একটা উত্তরণ হয়েছে।
শফিকুল আলম বলেন, বর্তমান সরকার এখন অনেক গোছানো। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। পুরো রমজানে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল ছিল, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে।
প্রধান উপদেষ্টার বিভিন্ন দেশে সফর নিয়ে প্রেস সচিব বলেন, প্রধান উপদেষ্টা যেখানেই যাচ্ছেন, সেখানে নতুন বাংলাদেশের কথা বলছেন, উনাদের লিডারদের সঙ্গে এবং যেখানেই যাচ্ছেন উনি ওই সব দেশের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলছেন। কেননা তারাই তো এসে বিনিয়োগ করে। যেসব জায়গায় উনি গিয়েছেন, প্রত্যেক জায়গায় উনার মেসেজটা হচ্ছে যে বাংলাদেশ হচ্ছে ‘রেডি ফর বিজনেস’। তোমরা আসো, বিনিয়োগ করো।’ এই ডাকে সাড়াও পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
তিনি বলেন, আমি মনে করি, বাংলাদেশটা একদিন অনেক অনেক বড় হবে। আমি মনে করি, ২০ থেকে ৪০ বছর মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বের একটি ধনী দেশ হবে। খুব সমৃদ্ধ একটি সভ্যতার অংশ হবে।
শফিকুল আলম বলেন, আমার মনে হয়নি। প্রফেসর ইউনূসের সঙ্গে আমার খুব বেশি হৃদ্যতা ছিল, এমনটাও নয়। পেশাগত কারণে আমি তাকে অনেক সময় কাভার করেছি। উনার প্রতি যে অন্যায়-অবিচার চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল, সেটা নিয়ে আমরা কাভার করেছিলাম। সেই সূত্রেই উনি আমাকে চিনতেন। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর হঠাৎ আমি একদিন ফোন পেলাম। জানতে চাওয়া হলো, আমি আগ্রহী কি না?
প্রেস সচিব হিসেবে শফিকুল আলমকে নিয়ে বিভিন্ন সময় আলোচনা-সমালোচনা ও চর্চা হয়। এটির কারণ হিসেবে তিনি বলেন, আগের প্রেস সচিবরা কোনো কাজ করতেন না। আগের কালচারটা ছিল, প্রাইম মিনিস্টারের সঙ্গে যাদের দহরম-মহরম সম্পর্ক ছিল তাদের নিয়োগ দেওয়া হতো। যারা কোনো কাজই করতেন না। কিন্তু আন্তর্জাতিকভাবে প্রেস সচিবের কাজ অনেক। সেগুলোই আমি করে যাচ্ছি। এ জন্য সবার কাছে মনে হচ্ছে, আমি অনেক কাজ করছি। মূলত এটি আমার কাজ।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস সম্পর্কে প্রেস সচিব বলেন, পুরো পৃথিবীতে তো উনি সেলিব্রিটি। এটা আমি আরো জানতে পেরেছি এই গত সাড়ে সাত-আট মাসে। তাকে বাইরে যে মর্যাদার সঙ্গে ট্রিট করা হয়, সেটি অবিশ্বাস্য। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, ডাভোসে আমরা গিয়েছি, ওইখানে গিয়ে আমরা জাস্ট ঢুকছি- এই সময় খবর আসছে যে তার (ড. ইউনূস) সঙ্গে জার্মানির চ্যান্সেলর মানে ওদের প্রাইম মিনিস্টার কথা বলবেন। উনি অ্যাপয়েন্টমেন্ট চাচ্ছেন। উনার যে স্ট্রাকচার এটা তো আনবিলিভেবল।
এদিকে, নিজেদের সম্পর্কে ‘বন্ধুত্বটা’ একটু বেশি জানিয়ে শফিকুল আলমের স্ত্রী সাবিনা জাহান লুনা বলেন, আমরা তো ক্লাসমেট। তাই আমাদের মধ্যে বন্ধুত্বটা একটু বেশি। আমাদের মধ্যে একজন একটু রেগে গেলে অন্য জন চুপ থাকি।
ভাইরাল মাফলার সম্পর্কে প্রেস সচিব বলেন, মাফলারটা আমার স্ত্রীর বোন কানাডা থেকে নিয়ে আসছেন। যে দাম বলা হচ্ছে, সেটির ধারে-কাছেও না; তবে খুব চিপও না। এটা অনেক বছর ধরে ব্যবহার করে আসছি। যখন এটি নিয়ে আলোচনা শুরু হয় তখন লেভেলটা দেখেছি। এটি আমার পছন্দের একটি মাফলার।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় শেষ হয়ে গেলে ‘গন্তব্য’ কী হবে- জানতে চাইলে শফিকুল আলম বলেন, এটি নিয়ে এখনো ভাবিনি। আমাদের এখনো আরো কয়েক মাস তো আছে। মে বি ইলেকশনটা যখন হবে তারপরে আমি ছেড়ে দেব। খুব একান্ত ব্যক্তিগত ইচ্ছা যে বই লেখা কিন্তু এতে তো সংসার চলে না, আমার তো সংসার চলাতে হবে। সেই চিন্তা করে আমার হয়তো জার্নালিজমে আবার ফিরতে হবে। আবার কেউ কেউ বলেন, ভাই- আপনি তো প্রেস কনফারেন্স খুব ভালো করেন, পলিটিকসে আসেন। তবে ওইটাও আমি অতটা দেখি না। দুই-তিনজন বলার কারণে পলিটিকসের বিষয়টি মাথার মধ্যে ঢুকছে, পরে আমি ওয়াইফের সঙ্গে বলছিলাম; তবে সে বলে দিয়েছে, একদম না- কোনোভাবেই এইটা করা যাবে না।
চলতি বছরের ডিসেম্বর থেকে শুরু করে আগামী বছরের ৩০ জুনের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, স্যারের কথা হচ্ছে- ডিসেম্বরে নির্বাচন হবে, যদি রাজনৈতিক দলগুলো কম সংস্কার চায়। নতুবা এটা ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে যেকোনো সময় হতে পারে। সেটি ফেব্রুয়ারি হতে পারে, মার্চে হতে পারে- এটি দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে বোঝা যাবে।
তিনি বলেন, তবে ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করতে নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি আছে বলে ইসির পক্ষ থেকে জানানো হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, নতুন বাংলাদেশে যদি আমি কিছু কন্ট্রিবিউট করতে পারি, সেটাও একটা কাজ হবে। কিন্তু আমার (প্রাইমারি ইচ্ছা আমি) জার্নালিজমে ফিরে যাওয়া, তবে সেটি লোকাল জার্নালিজমে হতে পারে। নিজে যদি কোনো পত্রিকা দিতে পারি, সেটার একটা খুব ইচ্ছা আছে।
ভোরের আকাশ/এসএইচ