বিমসটেক সম্মেলন: থাইল্যান্ডে পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডে পৌঁছেছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) তিনি থাইল্যান্ডের বিমানবন্দর গিয়ে পৌছান।
এর আগে, সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ব্যাংককের উদ্দেশে তিনি ঢাকা ছাড়েন।
এরইমধ্যে থাইল্যান্ডে বিমসটেকের মন্ত্রী পর্যায়ের আলোচনা শুরু হয়েছে। আলোচনায় যোগ দিয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। সই হয়েছে মেরিটাইম ট্রান্সপোর্টেশন সহযোগিতা চুক্তি।এই চুক্তিতে সই করেছেন ৭ সদস্য রাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রীরা।
ভোরের আকাশ/এসএইচ
সংশ্লিষ্ট
দুর্নীতি প্রতিরোধ ও দমনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং থাইল্যান্ডের ন্যাশনাল অ্যান্টি-করাপশন কমিশন (এনএসিসি) একটি সমঝোতা স্মারক সই করেছে।শুক্রবার (৪ এপ্রিল) থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে অনুষ্ঠিত বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোটের (বিমসটেক) শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে এই সমঝোতা স্মারক সই হয়।বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন ও থাইল্যান্ডের ন্যাশনাল অ্যান্টি-করাপশন কমিশনের (এনএসিসি) প্রেসিডেন্ট সুচার্ত ত্রাকুলকাসেমসুক নিজ নিজ সংস্থার পক্ষে এ সমঝোতা স্মারকে সই করেন।অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পাইতংতার্ন সিনাওয়াত্রা উপস্থিত ছিলেন।দুদক চেয়ারম্যান ড. আবদুল মোমেন আশা প্রকাশ করেন, এই সমঝোতা স্মারক উভয় দেশকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আরও কার্যকরভাবে লড়াই করতে সহায়তা করবে। তিনি বলেন, অনেক বাংলাদেশি দুর্নীতিবাজ প্রতিবেশী কিছু দেশে আশ্রয় নিয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি এই সমঝোতা স্মারক তাদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনতে সহায়ক হবে।এই সমঝোতা স্মারক জাতিসংঘের দুর্নীতিবিরোধী কনভেনশনের ৪৮ নম্বর অনুচ্ছেদের আলোকে স্বাক্ষরিত হয়েছে। যেখানে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতার জন্য রাষ্ট্রগুলোকে উৎসাহিত করা হয়েছে।সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ড দুর্নীতি প্রতিরোধে প্রাসঙ্গিক প্রাথমিক তথ্য আদান-প্রদান, তথ্য সংগ্রহে সেরা পদ্ধতির শেয়ারিং, তথ্য বিনিময়, যৌথ প্রকল্প গ্রহণ, গবেষণা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।ভোরের আকাশ/এসএইচ
অন্তর্বতী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা।শুক্রবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে ষষ্ঠ বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।স্থানীয় সময় মধ্যাহ্নের পর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা তাদের বৈঠক শুরু করেন।প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এই বৈঠকের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।ভোরের আকাশ/এসএইচ
বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বৈঠক করেছেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত ৬ষ্ঠ বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে সাইডলাইনে এ বৈঠক করেন তারা। দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাতে একটি আলোকচিত্র উপহার দেন প্রধান উপদেষ্টা।প্রধান উপদেষ্টার উইং জানায়, ব্যাংককে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সময় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে একটি ছবি উপহার দেন। ছবিটিতে ২০১৫ সালের ৩ জানুয়ারি ভারতের মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত ১০২তম ভারতীয় বিজ্ঞান কংগ্রেসে অধ্যাপক ইউনূসকে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্বর্ণপদক দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির বৈঠক এই বৈঠক হলো।ভোরের আকাশ/এসএইচ
অ্যাসোসিয়েশন অব সাউথইস্ট এশিয়ান নেশনসের (আসিয়ান) যোগদানের প্রচেষ্টায় থাইল্যান্ডের অভিজাত ব্যক্তিদের সমর্থন চান প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ব্যাংককের একটি হোটেলে থাই বিশিষ্টজনদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ সমর্থন কামনা করেন।সরকার প্রধান বলেন, বাংলাদেশ বহুপাক্ষিকতায় বিশ্বাস করে এবং আমরা সার্ক ও বিমসটেকের গর্বিত সদস্য। আঞ্চলিক গোষ্ঠীগুলো অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্ক জোরদারে আরও বেশি উদ্যোগ নেওয়া উচিত।বৈঠকে থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী অভিজিৎ ভেজ্জাজীবা, সাবেক এক উপ-প্রধানমন্ত্রী, শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতারা, ব্যাংকার, শিক্ষাবিদ এবং নাগরিক সমাজের নেতারাও অংশ নেন।তিনি বলেন, বাংলাদেশ আশা করছে আসিয়ানের সদস্যপদ অর্জনে থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়াসহ আসিয়ানের শীর্ষ দেশগুলোর সমর্থন পাওয়া যাবে।ড. ইউনূস বলেন, আমাদের আরও সহযোগিতা দরকার। আমরা একটি নতুন ব্যবসায়িক মডেল নিয়ে ভাবতে পারি কী-না সে বিষয়ে প্রশ্ন রাখেন তিনি।প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিবর্তন এবং ছাত্র-নেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থানের কথা তুলে ধরে বলেন, এই অভ্যুত্থান একজন নিষ্ঠুর স্বৈরশাসককে উৎখাত করে দেশে একটি নতুন যুগের সূচনা করেছে।বৈঠকে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন, প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মূখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ এবং পররাষ্ট্র সচিব মো. জসিম উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।ভোরের আকাশ/এসএইচ
বিমসটেক সম্মেলন: থাইল্যান্ডে পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডে পৌঁছেছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) তিনি থাইল্যান্ডের বিমানবন্দর গিয়ে পৌছান।
এর আগে, সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ব্যাংককের উদ্দেশে তিনি ঢাকা ছাড়েন।
এরইমধ্যে থাইল্যান্ডে বিমসটেকের মন্ত্রী পর্যায়ের আলোচনা শুরু হয়েছে। আলোচনায় যোগ দিয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। সই হয়েছে মেরিটাইম ট্রান্সপোর্টেশন সহযোগিতা চুক্তি।এই চুক্তিতে সই করেছেন ৭ সদস্য রাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রীরা।
ভোরের আকাশ/এসএইচ
সংশ্লিষ্ট
দুর্নীতি প্রতিরোধ ও দমনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং থাইল্যান্ডের ন্যাশনাল অ্যান্টি-করাপশন কমিশন (এনএসিসি) একটি সমঝোতা স্মারক সই করেছে।শুক্রবার (৪ এপ্রিল) থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে অনুষ্ঠিত বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোটের (বিমসটেক) শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে এই সমঝোতা স্মারক সই হয়।বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন ও থাইল্যান্ডের ন্যাশনাল অ্যান্টি-করাপশন কমিশনের (এনএসিসি) প্রেসিডেন্ট সুচার্ত ত্রাকুলকাসেমসুক নিজ নিজ সংস্থার পক্ষে এ সমঝোতা স্মারকে সই করেন।অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পাইতংতার্ন সিনাওয়াত্রা উপস্থিত ছিলেন।দুদক চেয়ারম্যান ড. আবদুল মোমেন আশা প্রকাশ করেন, এই সমঝোতা স্মারক উভয় দেশকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আরও কার্যকরভাবে লড়াই করতে সহায়তা করবে। তিনি বলেন, অনেক বাংলাদেশি দুর্নীতিবাজ প্রতিবেশী কিছু দেশে আশ্রয় নিয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি এই সমঝোতা স্মারক তাদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনতে সহায়ক হবে।এই সমঝোতা স্মারক জাতিসংঘের দুর্নীতিবিরোধী কনভেনশনের ৪৮ নম্বর অনুচ্ছেদের আলোকে স্বাক্ষরিত হয়েছে। যেখানে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতার জন্য রাষ্ট্রগুলোকে উৎসাহিত করা হয়েছে।সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ড দুর্নীতি প্রতিরোধে প্রাসঙ্গিক প্রাথমিক তথ্য আদান-প্রদান, তথ্য সংগ্রহে সেরা পদ্ধতির শেয়ারিং, তথ্য বিনিময়, যৌথ প্রকল্প গ্রহণ, গবেষণা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।ভোরের আকাশ/এসএইচ
অন্তর্বতী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা।শুক্রবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে ষষ্ঠ বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।স্থানীয় সময় মধ্যাহ্নের পর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা তাদের বৈঠক শুরু করেন।প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এই বৈঠকের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।ভোরের আকাশ/এসএইচ
বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বৈঠক করেছেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত ৬ষ্ঠ বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে সাইডলাইনে এ বৈঠক করেন তারা। দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাতে একটি আলোকচিত্র উপহার দেন প্রধান উপদেষ্টা।প্রধান উপদেষ্টার উইং জানায়, ব্যাংককে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সময় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে একটি ছবি উপহার দেন। ছবিটিতে ২০১৫ সালের ৩ জানুয়ারি ভারতের মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত ১০২তম ভারতীয় বিজ্ঞান কংগ্রেসে অধ্যাপক ইউনূসকে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্বর্ণপদক দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির বৈঠক এই বৈঠক হলো।ভোরের আকাশ/এসএইচ
অ্যাসোসিয়েশন অব সাউথইস্ট এশিয়ান নেশনসের (আসিয়ান) যোগদানের প্রচেষ্টায় থাইল্যান্ডের অভিজাত ব্যক্তিদের সমর্থন চান প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ব্যাংককের একটি হোটেলে থাই বিশিষ্টজনদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ সমর্থন কামনা করেন।সরকার প্রধান বলেন, বাংলাদেশ বহুপাক্ষিকতায় বিশ্বাস করে এবং আমরা সার্ক ও বিমসটেকের গর্বিত সদস্য। আঞ্চলিক গোষ্ঠীগুলো অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্ক জোরদারে আরও বেশি উদ্যোগ নেওয়া উচিত।বৈঠকে থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী অভিজিৎ ভেজ্জাজীবা, সাবেক এক উপ-প্রধানমন্ত্রী, শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতারা, ব্যাংকার, শিক্ষাবিদ এবং নাগরিক সমাজের নেতারাও অংশ নেন।তিনি বলেন, বাংলাদেশ আশা করছে আসিয়ানের সদস্যপদ অর্জনে থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়াসহ আসিয়ানের শীর্ষ দেশগুলোর সমর্থন পাওয়া যাবে।ড. ইউনূস বলেন, আমাদের আরও সহযোগিতা দরকার। আমরা একটি নতুন ব্যবসায়িক মডেল নিয়ে ভাবতে পারি কী-না সে বিষয়ে প্রশ্ন রাখেন তিনি।প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিবর্তন এবং ছাত্র-নেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থানের কথা তুলে ধরে বলেন, এই অভ্যুত্থান একজন নিষ্ঠুর স্বৈরশাসককে উৎখাত করে দেশে একটি নতুন যুগের সূচনা করেছে।বৈঠকে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন, প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মূখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ এবং পররাষ্ট্র সচিব মো. জসিম উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।ভোরের আকাশ/এসএইচ
মন্তব্য করুন