পরিস্থিতি বুঝে জোটবদ্ধ নির্বাচন করতে বাঁধা নেই: আখতার হোসেন
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন জানিয়েছেন, রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় তখনকার মতো করে কর্মসূচি বা আদর্শের যদি মিল থাকে এবং যদি প্রয়োজন হয়, বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতির স্বার্থে, বাংলাদেশের স্বার্থে, অন্য কোনো দলের সঙ্গে তাদের জোট হলেও হতে পারে এনসিপি।
তিনি বলেন, জোট হওয়ার বাস্তবতাকে আমরা একেবারেই নাকচ করছি না। আবার জোট বাধ্যতামূলক এমন নিশ্চয়তাও দিচ্ছি না। বুধবার (২ এপ্রিল) রাতে রংপুরের পীরগাছা বাজারে গণসংযোগকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
আখতার হোসেন বলেন, নির্বাচনের সময় যখন ঘনিয়ে আসবে, তখন দীর্ঘদিনের ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর সঙ্গে আমাদের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও আদর্শের মিল থাকলে আলোচনা করে জোটবদ্ধ নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে এখনই এ নিয়ে চূড়ান্ত কিছু ভাবছি না।
তিনি আরো বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ফরমাল ও ইনফরমাল যোগাযোগ চলছে এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী যেকোনো পক্ষের সঙ্গে একযোগে কাজ করতে তারা প্রস্তুত।
বুধবার দুপুর থেকে আখতার হোসেন এনসিপির নেতাকর্মীদের নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রংপুর মহানগরের আহ্বায়ক ইমতিয়াজ আহমেদ ইমতি, এনসিপির পীরগাছা উপজেলার সংগঠক শামীম হোসেন, ফারদিন এহসান মাহিম, সোহেল তানভীর, ডা. একরামুল ইসলাম প্রমুখ।
ভোরের আকাশ/এসএইচ
সংশ্লিষ্ট
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত জাতীয় নাগরিক পার্টি। এমন চ্যালেঞ্জ নিতে আমরা অভ্যস্ত। জাতীয় নাগরিক পার্টি এক মাস হয়েছে আত্মপ্রকাশ করেছে। আমরা আমাদের জায়গা থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো যেন সৎ, যোগ্য ও দেশপ্রেমিক প্রার্থীদের মনোনয়ন দেওয়া যায়। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) রংপুর নগরীর কেরামতিয়া মসজিদে জুমার নামাজ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সারজিস আলম এসব কথা বলেন।সারজিস আলম বলেন, রাজনৈতিক দল হিসেবে মাত্র এক মাসের দল এনসিপি। তাই সারাদেশে প্রার্থী মনোনয়নে অবশ্যই চ্যালেঞ্জ রয়েছে। আমাদের লক্ষ্য ৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়া। আমরা সেই লক্ষ্য নিয়েই কাজ করছি।তিনি বলেন, এক যুগ ধরে রাজনীতি গণমুখী ছিল না। টাকার বিনিময়ে মনোনয়ন কেনা, দিনের ভোট রাতে করা, অনির্বাচিত হয়েও সংসদে যাওয়া, এমন রাজনীতি হয়েছে।তিনি আরো বলেন, আমরা নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে জনগণের কাছে ফিরে যেতে চাই। সরাসরি জনগণের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে সংসদে যেতে চাই। আজ থেকে সেই সাংগঠনিক সফর শুরু হয়েছে। এই সফরের মধ্যদিয়ে মাঠে-ঘাটে অলিগলিতে মানুষের কাছে যেতে চাই। আমাদের প্রত্যাশা তুলে ধরতে চাই। আমরা জনগণের কাছে জানতে চাই, তারা কি চায়? জনগণের চাওয়া-পাওয়া নিয়ে, তাদের ভোটের মাধ্যমে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করাই আমাদের লক্ষ্য।সারজিস আলম বলেন, যারা নতুন বাংলাদেশ প্রত্যাশা করে, তরুণদের নেতৃত্ব যারা পছন্দ করে, যারা সৎ, যোগ্য এমন মানুষকেই আমরা মনোনয়ন দিতে চাই। সেই লক্ষ্য নিয়ে ঈদ পরবর্তী সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে আজ থেকে। আমরা সব ধরনের চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত রয়েছি।শেখ হাসিনার শাসনামলের কথা তুলে ধরে সারজিস আলম বলেন, বিগত এক যুগ ধরে আমরা ডমিনেন্স ফিল করে এসেছি। এই সম্পর্কে কেউ যদি কারো জায়গা থেকে ডমিনেট করার চেষ্টা করে আমরা সেই চোখ রাঙানি আর দেখবো না। আমি মনে করি বাংলাদেশের সাথে ভারত, চায়না, আমেরিকা, রাশিয়াসহ যে কোনো দেশের সমতার সম্পর্ক থাকবে। আমরা পারস্পারিক শ্রদ্ধাবোধের সম্পর্কের ভিত্তিতে সামনে এগিয়ে যাব।এ সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রংপুর জেলা কমিটির আহ্বায়ক ইমরান আহমেদ, মহানগর কমিটির আহ্বায়ক ইমতিয়াজ ইমতি, সদস্য সচিত রহমত আলীসহ আরও অনেক উপস্থিত ছিলেন।ভোরের আকাশ/এসএইচ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন জানিয়েছেন, রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় তখনকার মতো করে কর্মসূচি বা আদর্শের যদি মিল থাকে এবং যদি প্রয়োজন হয়, বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতির স্বার্থে, বাংলাদেশের স্বার্থে, অন্য কোনো দলের সঙ্গে তাদের জোট হলেও হতে পারে এনসিপি। তিনি বলেন, জোট হওয়ার বাস্তবতাকে আমরা একেবারেই নাকচ করছি না। আবার জোট বাধ্যতামূলক এমন নিশ্চয়তাও দিচ্ছি না। বুধবার (২ এপ্রিল) রাতে রংপুরের পীরগাছা বাজারে গণসংযোগকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।আখতার হোসেন বলেন, নির্বাচনের সময় যখন ঘনিয়ে আসবে, তখন দীর্ঘদিনের ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর সঙ্গে আমাদের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও আদর্শের মিল থাকলে আলোচনা করে জোটবদ্ধ নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে এখনই এ নিয়ে চূড়ান্ত কিছু ভাবছি না।তিনি আরো বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ফরমাল ও ইনফরমাল যোগাযোগ চলছে এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী যেকোনো পক্ষের সঙ্গে একযোগে কাজ করতে তারা প্রস্তুত।বুধবার দুপুর থেকে আখতার হোসেন এনসিপির নেতাকর্মীদের নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রংপুর মহানগরের আহ্বায়ক ইমতিয়াজ আহমেদ ইমতি, এনসিপির পীরগাছা উপজেলার সংগঠক শামীম হোসেন, ফারদিন এহসান মাহিম, সোহেল তানভীর, ডা. একরামুল ইসলাম প্রমুখ।ভোরের আকাশ/এসএইচ
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ‘পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্য পরীক্ষা’ শুরু করেছেন লন্ডন ক্লিনিকের চিকিৎসকরা। লন্ডনে অবস্থানরত বিএনপি চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন বুধবার (২ এপ্রিল) গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।তিনি বলেন, আগামী চারদিন তার (খালেদা জিয়া) বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা হবে, ডাক্তাররা (লন্ডন ক্লিনিক) বাসায় তাকে দেখতে আসবেন।কিছু পরীক্ষার জন্য হয়তো উনাকে (খালেদা জিয়া) লন্ডন ক্লিনিকেও নিয়ে যাওয়া হবে। আগামী কয়েকটি দিন বেশ কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা আছে যা চিকিৎসকদের পরামর্শে করা হচ্ছে।কবে নাগাদ খালেদা জিয়া দেশে ফিরতে পারেন জানতে চাইলে জাহিদ বলেন, ডাক্তাররা যেসব পরীক্ষা করতে বলেছেন সেগুলোর রিপোর্ট পর্যালোচনা করে ডাক্তাররা পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেবেন…. কত দ্রুত উনাকে ছুটি দেওয়ার মতো অবস্থায় যেতে পারবেন।খালেদা জিয়া এখন কেমন আছেন- জানতে চাইলে অধ্যাপক জাহিদ বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, ম্যাডামের মানসিক ও শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল। মানসিকভাবে উনি আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি ভালো। মাচ বেটার।এবার লন্ডনে তারেকের বাসায় দুই ছেলের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঈদ উদযাপন করেন খালেদা জিয়া। লন্ডনে আছেন তারেক রহমান ও প্রয়াত ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর পরিবারের সদস্যরা। খালেদা জিয়ার লন্ডনে এটি তৃতীয় ঈদ উদযাপন। এবার আট বছরের মাথায় তারেক রহমানের বাসায় ঈদ পালন করছেন তিনি।ভোরের আকাশ/এসএইচ
প্রায় আট বছর পর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মুক্তভাবে লন্ডনে ঈদ করলেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। ঈদের দিন লন্ডন থেকে দেশে থাকা নেতাকর্মীদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি মতবিনিময়ও করেছেন তিনি। এবার ছেলে তারেক রহমান মাকে নিয়ে লন্ডনে পার্কে ঘুরেছেন।ঈদের দিনের আনন্দ ভাগাভাগির সে ছবিও স্যোশাল মিডিয়ায় দেখা গেছে। সেই ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। পারিবারিক ছবিতে বড় ছেলে তারেক রহমান, তারেক রহমানের সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান ও বড় নাতনি জাইমা রহমানের সঙ্গে খালেদা জিয়াকে দেখা যায়।এরইমধ্যে প্রকাশ্যে এলো একটি ভিডিও। বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্ট করা ভিডিওটিতে দেখা যায় লন্ডনের পার্কে মা খালেদা জিয়াকে নিয়ে হাঁটছেন তারেক রহমান।এতে দেখা যায়, হুইল চেয়ারে বসে পার্কে ঘুরছেন খালেদা জিয়া এবং তার পাশে হাঁটছেন তারেক রহমানসহ অন্যারা।গত ৮ জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়া হয়। রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, তিনি (খালেদা জিয়া) লন্ডনে এখন বেটার আছেন। আট বছর পর তিনি পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্যাপন করছেন। খালেদা জিয়া কবে আসবেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ম্যাডাম সম্ভবত যতটুকু শুনেছি আমি, ফাইনাল নিশ্চিত নয়...এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে তিনি দেশে ফিরবেন।ভোরের আকাশ/এসএইচ
পরিস্থিতি বুঝে জোটবদ্ধ নির্বাচন করতে বাঁধা নেই: আখতার হোসেন
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন জানিয়েছেন, রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় তখনকার মতো করে কর্মসূচি বা আদর্শের যদি মিল থাকে এবং যদি প্রয়োজন হয়, বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতির স্বার্থে, বাংলাদেশের স্বার্থে, অন্য কোনো দলের সঙ্গে তাদের জোট হলেও হতে পারে এনসিপি।
তিনি বলেন, জোট হওয়ার বাস্তবতাকে আমরা একেবারেই নাকচ করছি না। আবার জোট বাধ্যতামূলক এমন নিশ্চয়তাও দিচ্ছি না। বুধবার (২ এপ্রিল) রাতে রংপুরের পীরগাছা বাজারে গণসংযোগকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
আখতার হোসেন বলেন, নির্বাচনের সময় যখন ঘনিয়ে আসবে, তখন দীর্ঘদিনের ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর সঙ্গে আমাদের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও আদর্শের মিল থাকলে আলোচনা করে জোটবদ্ধ নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে এখনই এ নিয়ে চূড়ান্ত কিছু ভাবছি না।
তিনি আরো বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ফরমাল ও ইনফরমাল যোগাযোগ চলছে এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী যেকোনো পক্ষের সঙ্গে একযোগে কাজ করতে তারা প্রস্তুত।
বুধবার দুপুর থেকে আখতার হোসেন এনসিপির নেতাকর্মীদের নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রংপুর মহানগরের আহ্বায়ক ইমতিয়াজ আহমেদ ইমতি, এনসিপির পীরগাছা উপজেলার সংগঠক শামীম হোসেন, ফারদিন এহসান মাহিম, সোহেল তানভীর, ডা. একরামুল ইসলাম প্রমুখ।
ভোরের আকাশ/এসএইচ
সংশ্লিষ্ট
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত জাতীয় নাগরিক পার্টি। এমন চ্যালেঞ্জ নিতে আমরা অভ্যস্ত। জাতীয় নাগরিক পার্টি এক মাস হয়েছে আত্মপ্রকাশ করেছে। আমরা আমাদের জায়গা থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো যেন সৎ, যোগ্য ও দেশপ্রেমিক প্রার্থীদের মনোনয়ন দেওয়া যায়। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) রংপুর নগরীর কেরামতিয়া মসজিদে জুমার নামাজ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সারজিস আলম এসব কথা বলেন।সারজিস আলম বলেন, রাজনৈতিক দল হিসেবে মাত্র এক মাসের দল এনসিপি। তাই সারাদেশে প্রার্থী মনোনয়নে অবশ্যই চ্যালেঞ্জ রয়েছে। আমাদের লক্ষ্য ৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়া। আমরা সেই লক্ষ্য নিয়েই কাজ করছি।তিনি বলেন, এক যুগ ধরে রাজনীতি গণমুখী ছিল না। টাকার বিনিময়ে মনোনয়ন কেনা, দিনের ভোট রাতে করা, অনির্বাচিত হয়েও সংসদে যাওয়া, এমন রাজনীতি হয়েছে।তিনি আরো বলেন, আমরা নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে জনগণের কাছে ফিরে যেতে চাই। সরাসরি জনগণের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে সংসদে যেতে চাই। আজ থেকে সেই সাংগঠনিক সফর শুরু হয়েছে। এই সফরের মধ্যদিয়ে মাঠে-ঘাটে অলিগলিতে মানুষের কাছে যেতে চাই। আমাদের প্রত্যাশা তুলে ধরতে চাই। আমরা জনগণের কাছে জানতে চাই, তারা কি চায়? জনগণের চাওয়া-পাওয়া নিয়ে, তাদের ভোটের মাধ্যমে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করাই আমাদের লক্ষ্য।সারজিস আলম বলেন, যারা নতুন বাংলাদেশ প্রত্যাশা করে, তরুণদের নেতৃত্ব যারা পছন্দ করে, যারা সৎ, যোগ্য এমন মানুষকেই আমরা মনোনয়ন দিতে চাই। সেই লক্ষ্য নিয়ে ঈদ পরবর্তী সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে আজ থেকে। আমরা সব ধরনের চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত রয়েছি।শেখ হাসিনার শাসনামলের কথা তুলে ধরে সারজিস আলম বলেন, বিগত এক যুগ ধরে আমরা ডমিনেন্স ফিল করে এসেছি। এই সম্পর্কে কেউ যদি কারো জায়গা থেকে ডমিনেট করার চেষ্টা করে আমরা সেই চোখ রাঙানি আর দেখবো না। আমি মনে করি বাংলাদেশের সাথে ভারত, চায়না, আমেরিকা, রাশিয়াসহ যে কোনো দেশের সমতার সম্পর্ক থাকবে। আমরা পারস্পারিক শ্রদ্ধাবোধের সম্পর্কের ভিত্তিতে সামনে এগিয়ে যাব।এ সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রংপুর জেলা কমিটির আহ্বায়ক ইমরান আহমেদ, মহানগর কমিটির আহ্বায়ক ইমতিয়াজ ইমতি, সদস্য সচিত রহমত আলীসহ আরও অনেক উপস্থিত ছিলেন।ভোরের আকাশ/এসএইচ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন জানিয়েছেন, রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় তখনকার মতো করে কর্মসূচি বা আদর্শের যদি মিল থাকে এবং যদি প্রয়োজন হয়, বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতির স্বার্থে, বাংলাদেশের স্বার্থে, অন্য কোনো দলের সঙ্গে তাদের জোট হলেও হতে পারে এনসিপি। তিনি বলেন, জোট হওয়ার বাস্তবতাকে আমরা একেবারেই নাকচ করছি না। আবার জোট বাধ্যতামূলক এমন নিশ্চয়তাও দিচ্ছি না। বুধবার (২ এপ্রিল) রাতে রংপুরের পীরগাছা বাজারে গণসংযোগকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।আখতার হোসেন বলেন, নির্বাচনের সময় যখন ঘনিয়ে আসবে, তখন দীর্ঘদিনের ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর সঙ্গে আমাদের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও আদর্শের মিল থাকলে আলোচনা করে জোটবদ্ধ নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে এখনই এ নিয়ে চূড়ান্ত কিছু ভাবছি না।তিনি আরো বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ফরমাল ও ইনফরমাল যোগাযোগ চলছে এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী যেকোনো পক্ষের সঙ্গে একযোগে কাজ করতে তারা প্রস্তুত।বুধবার দুপুর থেকে আখতার হোসেন এনসিপির নেতাকর্মীদের নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রংপুর মহানগরের আহ্বায়ক ইমতিয়াজ আহমেদ ইমতি, এনসিপির পীরগাছা উপজেলার সংগঠক শামীম হোসেন, ফারদিন এহসান মাহিম, সোহেল তানভীর, ডা. একরামুল ইসলাম প্রমুখ।ভোরের আকাশ/এসএইচ
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ‘পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্য পরীক্ষা’ শুরু করেছেন লন্ডন ক্লিনিকের চিকিৎসকরা। লন্ডনে অবস্থানরত বিএনপি চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন বুধবার (২ এপ্রিল) গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।তিনি বলেন, আগামী চারদিন তার (খালেদা জিয়া) বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা হবে, ডাক্তাররা (লন্ডন ক্লিনিক) বাসায় তাকে দেখতে আসবেন।কিছু পরীক্ষার জন্য হয়তো উনাকে (খালেদা জিয়া) লন্ডন ক্লিনিকেও নিয়ে যাওয়া হবে। আগামী কয়েকটি দিন বেশ কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা আছে যা চিকিৎসকদের পরামর্শে করা হচ্ছে।কবে নাগাদ খালেদা জিয়া দেশে ফিরতে পারেন জানতে চাইলে জাহিদ বলেন, ডাক্তাররা যেসব পরীক্ষা করতে বলেছেন সেগুলোর রিপোর্ট পর্যালোচনা করে ডাক্তাররা পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেবেন…. কত দ্রুত উনাকে ছুটি দেওয়ার মতো অবস্থায় যেতে পারবেন।খালেদা জিয়া এখন কেমন আছেন- জানতে চাইলে অধ্যাপক জাহিদ বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, ম্যাডামের মানসিক ও শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল। মানসিকভাবে উনি আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি ভালো। মাচ বেটার।এবার লন্ডনে তারেকের বাসায় দুই ছেলের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঈদ উদযাপন করেন খালেদা জিয়া। লন্ডনে আছেন তারেক রহমান ও প্রয়াত ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর পরিবারের সদস্যরা। খালেদা জিয়ার লন্ডনে এটি তৃতীয় ঈদ উদযাপন। এবার আট বছরের মাথায় তারেক রহমানের বাসায় ঈদ পালন করছেন তিনি।ভোরের আকাশ/এসএইচ
প্রায় আট বছর পর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মুক্তভাবে লন্ডনে ঈদ করলেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। ঈদের দিন লন্ডন থেকে দেশে থাকা নেতাকর্মীদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি মতবিনিময়ও করেছেন তিনি। এবার ছেলে তারেক রহমান মাকে নিয়ে লন্ডনে পার্কে ঘুরেছেন।ঈদের দিনের আনন্দ ভাগাভাগির সে ছবিও স্যোশাল মিডিয়ায় দেখা গেছে। সেই ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। পারিবারিক ছবিতে বড় ছেলে তারেক রহমান, তারেক রহমানের সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান ও বড় নাতনি জাইমা রহমানের সঙ্গে খালেদা জিয়াকে দেখা যায়।এরইমধ্যে প্রকাশ্যে এলো একটি ভিডিও। বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্ট করা ভিডিওটিতে দেখা যায় লন্ডনের পার্কে মা খালেদা জিয়াকে নিয়ে হাঁটছেন তারেক রহমান।এতে দেখা যায়, হুইল চেয়ারে বসে পার্কে ঘুরছেন খালেদা জিয়া এবং তার পাশে হাঁটছেন তারেক রহমানসহ অন্যারা।গত ৮ জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়া হয়। রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, তিনি (খালেদা জিয়া) লন্ডনে এখন বেটার আছেন। আট বছর পর তিনি পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্যাপন করছেন। খালেদা জিয়া কবে আসবেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ম্যাডাম সম্ভবত যতটুকু শুনেছি আমি, ফাইনাল নিশ্চিত নয়...এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে তিনি দেশে ফিরবেন।ভোরের আকাশ/এসএইচ
মন্তব্য করুন