৬ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল জাপান
মিয়ানমার-থাইল্যান্ডের পর এবার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে জাপান। ওসুমি উপদ্বীপের পূর্ব উপকূলে ৬ মাত্রার এ ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে বলে জানিয়েছে দেশটির আবহাওয়া সংস্থা। সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে।
জাপানের আবহাওয়া সংস্থা (জেএমএ) জানিয়েছে, বুধবার স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৪ মিনিটে মিয়াজাকি প্রিফেকচারের দক্ষিণ অংশে ৪০ কিলোমিটার গভীরে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। যার তীব্রতা ছিল রিখটার স্কেলে ৬ মাত্রার।
এর আগে মিয়ানমারে ২৮ মার্চ সাগাইং শহরের উত্তর-পশ্চিমে ৭.৭ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হানে। এরপর বেশ কয়েকটি আফটারশক অনুভূত হয়, যার মধ্যে একটি ছিল ৬.৪ মাত্রার। এর ফলে অনেক এলাকার ভবন ধসে পড়ে, রাস্তাঘাট ভেঙে পড়ে, সেতু ভেঙে পড়ে এবং বাঁধ ভেঙে যায়। ফলে অনেক মানুষ ধ্বংসস্তূপের মাঝে চাপা পড়ে।
একই সময় থাইল্যান্ডে ভূমিকম্প হয়। যাতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭ জনে। তারা সবাই রাজধানী ব্যাংককের বাসিন্দা। বেশিরভাগই একটি বহুতল ভবন ধসে মারা গেছেন। সেখানে এখনও নিখোঁজ রয়েছেন ৮০ জন। ৩০ তলা এই ভবনটি নির্মাণাধীন থাকায় বহু নির্মাণ কর্মী ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকা পড়েছেন। বড় বড় খনন যন্ত্র, কুকুর ও থার্মাল ইমেজিং ড্রোনের মাধ্যমে আটকে পড়াদের সন্ধান ও উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছেন উদ্ধার কর্মীরা।
ভোরের আকাশ/এসএইচ
সংশ্লিষ্ট
মিয়ানমার-থাইল্যান্ডের পর এবার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে জাপান। ওসুমি উপদ্বীপের পূর্ব উপকূলে ৬ মাত্রার এ ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে বলে জানিয়েছে দেশটির আবহাওয়া সংস্থা। সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে।জাপানের আবহাওয়া সংস্থা (জেএমএ) জানিয়েছে, বুধবার স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৪ মিনিটে মিয়াজাকি প্রিফেকচারের দক্ষিণ অংশে ৪০ কিলোমিটার গভীরে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। যার তীব্রতা ছিল রিখটার স্কেলে ৬ মাত্রার।এর আগে মিয়ানমারে ২৮ মার্চ সাগাইং শহরের উত্তর-পশ্চিমে ৭.৭ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হানে। এরপর বেশ কয়েকটি আফটারশক অনুভূত হয়, যার মধ্যে একটি ছিল ৬.৪ মাত্রার। এর ফলে অনেক এলাকার ভবন ধসে পড়ে, রাস্তাঘাট ভেঙে পড়ে, সেতু ভেঙে পড়ে এবং বাঁধ ভেঙে যায়। ফলে অনেক মানুষ ধ্বংসস্তূপের মাঝে চাপা পড়ে।একই সময় থাইল্যান্ডে ভূমিকম্প হয়। যাতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭ জনে। তারা সবাই রাজধানী ব্যাংককের বাসিন্দা। বেশিরভাগই একটি বহুতল ভবন ধসে মারা গেছেন। সেখানে এখনও নিখোঁজ রয়েছেন ৮০ জন। ৩০ তলা এই ভবনটি নির্মাণাধীন থাকায় বহু নির্মাণ কর্মী ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকা পড়েছেন। বড় বড় খনন যন্ত্র, কুকুর ও থার্মাল ইমেজিং ড্রোনের মাধ্যমে আটকে পড়াদের সন্ধান ও উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছেন উদ্ধার কর্মীরা।ভোরের আকাশ/এসএইচ
ফিলিস্তিনের গাজা শহরের তুফাহ এলাকায় অবস্থিত তিনটি স্কুলে মিসাইল হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে কমপক্ষে ৩৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১০০ জনেরও বেশি আহত হয়েছে। স্কুলগুলো বাস্তুচ্যুতদের আবাসস্থল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল।গাজার স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাতে আলজাজিরা জানায়, বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) দার আল-আরকাম স্কুলের আশ্রয়কেন্দ্রে ইসরায়েলি বিমান হামলায় ১৮ শিশুসহ ২৯ জন নিহত এবং ১০০ জনেরও বেশি আহত হয়েছে।সূত্র জানিয়েছে, অন্য চার ব্যক্তি নিহত হয়েছেন ফাহাদ স্কুলে হামলার ঘটনায়। তুহফা এলাকায় অবস্থিত এই স্কুলটিও বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার হচ্ছিল।তুহফা এলাকায় হামলার শিকার অন্য একটি স্কুলের নাম শাবান আলরাইয়েস স্কুল। তবে সেখানে কতজন লোক হতাহত হয়েছেন তাৎক্ষণিক তা জানা যায়নি।এদিকে, বরাবরের মতো এবারও ইসরায়েলি বাহিনী দাবি করেছে, তারা গাজার সিটিতে হামাসের একটি ‘কমান্ড সেন্টারে’ হামলা চালিয়েছে। তাছাড়া আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত এসব স্কুলের সঙ্গে তাদের হামলার সম্পর্ক কী, সেটাও স্পষ্ট করেনি তারা।এদিকে, গত ১৮ মার্চ থেকে গাজায় নতুন করে ইসরায়েলি হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে ১১৫০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। ফলে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ইসরায়েলের ‘গণহত্যামূলক আগ্রাসনে’ অবরুদ্ধ ভূখণ্ডটিতে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫০ হাজার ৫২৩ জনে পৌঁছেছে।ভোরের আকাশ/এসএইচ
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে তার পদ থেকে অপসারণ করেছেন দেশটির সাংবিধানিক আদালত। এর ফলে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে দেশটিতে নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) দেশটির সাংবিধানিক আদালত এই রায় দেয়। ততদিন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী হান ডাক-সু ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করবেন।আল জাজিরা বলছে, গত বছরের ৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ইউন সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য সামরিক আইন ঘোষণা করেন। সেইসময় তিনি দাবি করেছিলেন, রাষ্ট্রবিরোধী এবং উত্তর কোরিয়ার শক্তি সরকারে অনুপ্রবেশ করেছে।কিন্তু দেশটির জাতীয় পরিষদ বন্ধ করে দেওয়ার জন্য পাঠানো ঊর্ধ্বতন সামরিক ও পুলিশ কর্মকর্তারা সাক্ষ্য দিয়েছেন যে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ইউন তার প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনীতিবিদদের আটক করতে এবং তার সামরিক শাসনের আদেশ প্রত্যাহারের জন্য সংসদকে ভোটদান থেকে বিরত রাখতে নির্দেশ দিয়েছিলেন।গত ১৪ ডিসেম্বর দেশটির জাতীয় পরিষদ ইউনকে অভিশংসনের পক্ষে ভোট দেয়। কিন্তু তার অপসারণ আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন করার সাংবিধানিক আদালতের অনুমোদন দরকার ছিল। অবশেষে শুক্রবার এটি কার্যকর হলো।আল জাজিরা বলছে, এখন দেশটিকে আগামী দুই মাসের মধ্যে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আয়োজন করতে হবে এবং ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হান ডাক-সু সেই সময় পর্যন্ত তার এই পদে দায়িত্বে থাকবেন।ভোরের আকাশ/এসএইচ
গাজার বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ১১২ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে অধিকাংশই নারী ও শিশু। গাজার তিনটি আলাদা স্কুলে আশ্রয় নেয়া মানুষদের ওপর এই হামলা চালানো হয়, যার ফলে ৩৩ জন নারী ও শিশু প্রাণ হারান।গাজার দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা থেকে আরও ফিলিস্তিনিকে জোরপূর্বক উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েল। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, ১৮ মার্চ ইসরায়েল গাজায় যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করার পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার ফিলিস্তিনি জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। খবর আলজাজিরার।ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে ১৫ জন চিকিৎসাকর্মী ও জরুরি সেবাকর্মীর সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ড – যা যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে – এটিকে 'গাজায় চলমান যুদ্ধের অন্যতম অন্ধকারতম মুহূর্ত' হিসেবে বর্ণনা করেছেন প্যালেস্টাইন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সভাপতি।এদিকে, গাজা সিটির তুফ্ফাতে গণহত্যা চালিয়েছে দখলদার ইসরায়েল। বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) আশ্রয়কেন্দ্রে পরিণত হওয়া একটি স্কুলে চারটি মিসাইল ছুড়েছে দখলদাররা। এতে অন্তত ২৯ জন নিহত ও শতাধিক ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন। শুধুমাত্র একটি আশ্রয়কেন্দ্রে ২৯ জনসহ একদিনে ১০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী।গাজার জরুরি উদ্ধারকারী সংস্থার এক মুখপাত্র সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে বলেছেন, ইসরায়েলের এই গণহত্যা বন্ধে এখনই বিশ্বকে এগিয়ে আসতে হবে। যেন তারা আর কোনো নারী, শিশু এবং বৃদ্ধকে হত্যা করতে না পারে।তিনি বলেন, এটি শুধুমাত্রই একটি গণহত্যা নয়। এটি ইসরায়েলের উন্মত্ততা। তারা আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা নারী ও শিশুদের হত্যার জন্য পাগল। দার আল-আরকাম স্কুলে ইসরায়েলি বাহিনী সরাসরি হামলা চালিয়েছে।ভয়াবহ এ হামলায় আহত হওয়া শতাধিক মানুষকে আল আহলি-আরব হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।উদ্ধারকারী সংস্থার মুখপাত্র আরও বলেন, এখানে যা হচ্ছে সেটি বিশ্ববাসীর জন্য জেগে ওঠার একটি ডাক। নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধ এবং এই গণহত্যা এখনই বন্ধ হওয়া উচিত। শিশুরা এখানে ঠান্ডা মাথায় হত্যার শিকার হচ্ছে।আলজাজিরার সাংবাদিক হানি মোহাম্মদ জানিয়েছেন, আজ স্কুল আশ্রয়কেন্দ্রে যা হয়েছে তা বর্ণনাতীত। হামলাস্থল থেকে যেসব ভিডিও ফুটেজ পাওয়া গেছে সেগুলো নৃসংসতার প্রতীক।তিনি বলেছেন, হামলার পর পর কয়েকজন ঘটনাস্থলে নিহত হন।বাকিরা হাসপাতালে নেয়ার পথে বা যাওয়ার পর প্রাণ হারান। যাদের অনেকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে নিহত হয়েছেন। এখানে যারা নিহত হয়েছেন তাদের অনেকে মাত্র কয়েকদিন আগে অন্য জায়গা থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে এখানে এসেছিলেন।ভোরের আকাশ/এসএইচ
৬ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল জাপান
মিয়ানমার-থাইল্যান্ডের পর এবার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে জাপান। ওসুমি উপদ্বীপের পূর্ব উপকূলে ৬ মাত্রার এ ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে বলে জানিয়েছে দেশটির আবহাওয়া সংস্থা। সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে।
জাপানের আবহাওয়া সংস্থা (জেএমএ) জানিয়েছে, বুধবার স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৪ মিনিটে মিয়াজাকি প্রিফেকচারের দক্ষিণ অংশে ৪০ কিলোমিটার গভীরে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। যার তীব্রতা ছিল রিখটার স্কেলে ৬ মাত্রার।
এর আগে মিয়ানমারে ২৮ মার্চ সাগাইং শহরের উত্তর-পশ্চিমে ৭.৭ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হানে। এরপর বেশ কয়েকটি আফটারশক অনুভূত হয়, যার মধ্যে একটি ছিল ৬.৪ মাত্রার। এর ফলে অনেক এলাকার ভবন ধসে পড়ে, রাস্তাঘাট ভেঙে পড়ে, সেতু ভেঙে পড়ে এবং বাঁধ ভেঙে যায়। ফলে অনেক মানুষ ধ্বংসস্তূপের মাঝে চাপা পড়ে।
একই সময় থাইল্যান্ডে ভূমিকম্প হয়। যাতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭ জনে। তারা সবাই রাজধানী ব্যাংককের বাসিন্দা। বেশিরভাগই একটি বহুতল ভবন ধসে মারা গেছেন। সেখানে এখনও নিখোঁজ রয়েছেন ৮০ জন। ৩০ তলা এই ভবনটি নির্মাণাধীন থাকায় বহু নির্মাণ কর্মী ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকা পড়েছেন। বড় বড় খনন যন্ত্র, কুকুর ও থার্মাল ইমেজিং ড্রোনের মাধ্যমে আটকে পড়াদের সন্ধান ও উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছেন উদ্ধার কর্মীরা।
ভোরের আকাশ/এসএইচ
সংশ্লিষ্ট
মিয়ানমার-থাইল্যান্ডের পর এবার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে জাপান। ওসুমি উপদ্বীপের পূর্ব উপকূলে ৬ মাত্রার এ ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে বলে জানিয়েছে দেশটির আবহাওয়া সংস্থা। সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে।জাপানের আবহাওয়া সংস্থা (জেএমএ) জানিয়েছে, বুধবার স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৪ মিনিটে মিয়াজাকি প্রিফেকচারের দক্ষিণ অংশে ৪০ কিলোমিটার গভীরে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। যার তীব্রতা ছিল রিখটার স্কেলে ৬ মাত্রার।এর আগে মিয়ানমারে ২৮ মার্চ সাগাইং শহরের উত্তর-পশ্চিমে ৭.৭ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হানে। এরপর বেশ কয়েকটি আফটারশক অনুভূত হয়, যার মধ্যে একটি ছিল ৬.৪ মাত্রার। এর ফলে অনেক এলাকার ভবন ধসে পড়ে, রাস্তাঘাট ভেঙে পড়ে, সেতু ভেঙে পড়ে এবং বাঁধ ভেঙে যায়। ফলে অনেক মানুষ ধ্বংসস্তূপের মাঝে চাপা পড়ে।একই সময় থাইল্যান্ডে ভূমিকম্প হয়। যাতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭ জনে। তারা সবাই রাজধানী ব্যাংককের বাসিন্দা। বেশিরভাগই একটি বহুতল ভবন ধসে মারা গেছেন। সেখানে এখনও নিখোঁজ রয়েছেন ৮০ জন। ৩০ তলা এই ভবনটি নির্মাণাধীন থাকায় বহু নির্মাণ কর্মী ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকা পড়েছেন। বড় বড় খনন যন্ত্র, কুকুর ও থার্মাল ইমেজিং ড্রোনের মাধ্যমে আটকে পড়াদের সন্ধান ও উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছেন উদ্ধার কর্মীরা।ভোরের আকাশ/এসএইচ
ফিলিস্তিনের গাজা শহরের তুফাহ এলাকায় অবস্থিত তিনটি স্কুলে মিসাইল হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে কমপক্ষে ৩৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১০০ জনেরও বেশি আহত হয়েছে। স্কুলগুলো বাস্তুচ্যুতদের আবাসস্থল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল।গাজার স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাতে আলজাজিরা জানায়, বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) দার আল-আরকাম স্কুলের আশ্রয়কেন্দ্রে ইসরায়েলি বিমান হামলায় ১৮ শিশুসহ ২৯ জন নিহত এবং ১০০ জনেরও বেশি আহত হয়েছে।সূত্র জানিয়েছে, অন্য চার ব্যক্তি নিহত হয়েছেন ফাহাদ স্কুলে হামলার ঘটনায়। তুহফা এলাকায় অবস্থিত এই স্কুলটিও বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার হচ্ছিল।তুহফা এলাকায় হামলার শিকার অন্য একটি স্কুলের নাম শাবান আলরাইয়েস স্কুল। তবে সেখানে কতজন লোক হতাহত হয়েছেন তাৎক্ষণিক তা জানা যায়নি।এদিকে, বরাবরের মতো এবারও ইসরায়েলি বাহিনী দাবি করেছে, তারা গাজার সিটিতে হামাসের একটি ‘কমান্ড সেন্টারে’ হামলা চালিয়েছে। তাছাড়া আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত এসব স্কুলের সঙ্গে তাদের হামলার সম্পর্ক কী, সেটাও স্পষ্ট করেনি তারা।এদিকে, গত ১৮ মার্চ থেকে গাজায় নতুন করে ইসরায়েলি হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে ১১৫০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। ফলে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ইসরায়েলের ‘গণহত্যামূলক আগ্রাসনে’ অবরুদ্ধ ভূখণ্ডটিতে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫০ হাজার ৫২৩ জনে পৌঁছেছে।ভোরের আকাশ/এসএইচ
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে তার পদ থেকে অপসারণ করেছেন দেশটির সাংবিধানিক আদালত। এর ফলে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে দেশটিতে নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) দেশটির সাংবিধানিক আদালত এই রায় দেয়। ততদিন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী হান ডাক-সু ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করবেন।আল জাজিরা বলছে, গত বছরের ৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ইউন সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য সামরিক আইন ঘোষণা করেন। সেইসময় তিনি দাবি করেছিলেন, রাষ্ট্রবিরোধী এবং উত্তর কোরিয়ার শক্তি সরকারে অনুপ্রবেশ করেছে।কিন্তু দেশটির জাতীয় পরিষদ বন্ধ করে দেওয়ার জন্য পাঠানো ঊর্ধ্বতন সামরিক ও পুলিশ কর্মকর্তারা সাক্ষ্য দিয়েছেন যে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ইউন তার প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনীতিবিদদের আটক করতে এবং তার সামরিক শাসনের আদেশ প্রত্যাহারের জন্য সংসদকে ভোটদান থেকে বিরত রাখতে নির্দেশ দিয়েছিলেন।গত ১৪ ডিসেম্বর দেশটির জাতীয় পরিষদ ইউনকে অভিশংসনের পক্ষে ভোট দেয়। কিন্তু তার অপসারণ আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন করার সাংবিধানিক আদালতের অনুমোদন দরকার ছিল। অবশেষে শুক্রবার এটি কার্যকর হলো।আল জাজিরা বলছে, এখন দেশটিকে আগামী দুই মাসের মধ্যে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আয়োজন করতে হবে এবং ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হান ডাক-সু সেই সময় পর্যন্ত তার এই পদে দায়িত্বে থাকবেন।ভোরের আকাশ/এসএইচ
গাজার বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ১১২ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে অধিকাংশই নারী ও শিশু। গাজার তিনটি আলাদা স্কুলে আশ্রয় নেয়া মানুষদের ওপর এই হামলা চালানো হয়, যার ফলে ৩৩ জন নারী ও শিশু প্রাণ হারান।গাজার দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা থেকে আরও ফিলিস্তিনিকে জোরপূর্বক উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েল। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, ১৮ মার্চ ইসরায়েল গাজায় যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করার পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার ফিলিস্তিনি জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। খবর আলজাজিরার।ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে ১৫ জন চিকিৎসাকর্মী ও জরুরি সেবাকর্মীর সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ড – যা যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে – এটিকে 'গাজায় চলমান যুদ্ধের অন্যতম অন্ধকারতম মুহূর্ত' হিসেবে বর্ণনা করেছেন প্যালেস্টাইন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সভাপতি।এদিকে, গাজা সিটির তুফ্ফাতে গণহত্যা চালিয়েছে দখলদার ইসরায়েল। বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) আশ্রয়কেন্দ্রে পরিণত হওয়া একটি স্কুলে চারটি মিসাইল ছুড়েছে দখলদাররা। এতে অন্তত ২৯ জন নিহত ও শতাধিক ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন। শুধুমাত্র একটি আশ্রয়কেন্দ্রে ২৯ জনসহ একদিনে ১০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী।গাজার জরুরি উদ্ধারকারী সংস্থার এক মুখপাত্র সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে বলেছেন, ইসরায়েলের এই গণহত্যা বন্ধে এখনই বিশ্বকে এগিয়ে আসতে হবে। যেন তারা আর কোনো নারী, শিশু এবং বৃদ্ধকে হত্যা করতে না পারে।তিনি বলেন, এটি শুধুমাত্রই একটি গণহত্যা নয়। এটি ইসরায়েলের উন্মত্ততা। তারা আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা নারী ও শিশুদের হত্যার জন্য পাগল। দার আল-আরকাম স্কুলে ইসরায়েলি বাহিনী সরাসরি হামলা চালিয়েছে।ভয়াবহ এ হামলায় আহত হওয়া শতাধিক মানুষকে আল আহলি-আরব হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।উদ্ধারকারী সংস্থার মুখপাত্র আরও বলেন, এখানে যা হচ্ছে সেটি বিশ্ববাসীর জন্য জেগে ওঠার একটি ডাক। নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধ এবং এই গণহত্যা এখনই বন্ধ হওয়া উচিত। শিশুরা এখানে ঠান্ডা মাথায় হত্যার শিকার হচ্ছে।আলজাজিরার সাংবাদিক হানি মোহাম্মদ জানিয়েছেন, আজ স্কুল আশ্রয়কেন্দ্রে যা হয়েছে তা বর্ণনাতীত। হামলাস্থল থেকে যেসব ভিডিও ফুটেজ পাওয়া গেছে সেগুলো নৃসংসতার প্রতীক।তিনি বলেছেন, হামলার পর পর কয়েকজন ঘটনাস্থলে নিহত হন।বাকিরা হাসপাতালে নেয়ার পথে বা যাওয়ার পর প্রাণ হারান। যাদের অনেকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে নিহত হয়েছেন। এখানে যারা নিহত হয়েছেন তাদের অনেকে মাত্র কয়েকদিন আগে অন্য জায়গা থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে এখানে এসেছিলেন।ভোরের আকাশ/এসএইচ
মন্তব্য করুন